মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
দেশের খবর মিয়ানমার সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে ম্রো জনগোষ্ঠী

মিয়ানমার সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ, আতঙ্কে ম্রো জনগোষ্ঠী

বান্দরবানের আলীকদম সীমান্তের ওপারে মায়ানমারের অভ্যন্তরে স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) এবং আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) আরএসও’র মধ্যে নতুন করে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। ২ অক্টোবর ভোর থেকে মায়ানমারের অভ্যন্তরে লংপংপাড়া এলাকায় গোলাগুলি চলছে।

সীমান্তবর্তী স্থানীয় বাসিন্দা ও রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ এই সংঘর্ষের খবর নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ওপারে সংঘর্ষের কারণে সীমান্তবর্তী এপারের ম্রো জনগোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে মায়ানমারের শতাধিক ম্রো পরিবার বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেছে।

সীমান্তবর্তী ম্রো বাসিন্দারা মায়ানমারে থাকা তাদের আত্মীয়দের বরাত দিয়ে জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে সীমান্ত পিলার-৫৫ ও ৫৬ এলাকায় টানা গোলাগুলি শুরু হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর আরসা ও আরএসও যৌথভাবে আরকান আর্মির ওয়াইহ্লান ক্যাম্পে হামলা চালালে এএ’র কয়েকজন সদস্য নিহত হন। তবে তারা ক্যাম্পটি দখল নিতে পারেনি এবং এখনো ওই ক্যাম্পে আরকান আর্মির পতাকা উড়ছে।

স্থানীয় ম্রোদের ভাষ্যমতে, আরকান আর্মিকে হটাতে আরসা-আরএসও’র সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকার কিছু স্থানীয় সম্প্রদায়ও সহযোগিতা করছেন। তবে ওয়াইহ্লান ক্যাম্পটি এখনো আরসা বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

শরণার্থী প্রবেশের চেষ্টা ও নিরাপত্তা জোরদার: আলীকদম কুরুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, সীমান্তের ওপারে এখনো আরকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকলেও আরসা, আরএসও এবং স্থানীয় কিছু গোষ্ঠী মিলে যুদ্ধ চালাচ্ছে। এই সংঘর্ষের কারণে সীমান্তবর্তী অনেক ম্রো পরিবার বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। ইতোমধ্যেই শতাধিক ম্রো পরিবার বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিজিবি কর্তৃক পুশব্যাক হয়েছে।

রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ আরো জানান, সীমান্ত পিলার-৫৫ ও ৫৬-এর মাঝামাঝি জিরো পয়েন্ট থেকে মায়ানমারের অভ্যন্তরে লংপংপাড়া এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। তবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট খবর পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও নিশ্চিত করেন, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত যেকোনো ঘটনা প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। এ ব্যাপারে আলীকদম প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সবাই অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রস্তুত আছে বলে সূত্র জানিয়েছেন।

খুঁজুন