মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
দেশের খবর মরদেহ দাফনের ৬ দিন পর জীবিত ফিরলেন রহিম!

মরদেহ দাফনের ৬ দিন পর জীবিত ফিরলেন রহিম!

চট্টগ্রাম অফিস :

চট্টগ্রাম মহানগরীর চাক্তাই খাল থেকে গত শনিবার এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। পরদিন রবিবার ভোলার উবায়দুল্লাহ এসে লাশটি নিজের ছেলে আব্দুর রহিমের লাশ দাবী করে গ্রহণ করেন এবং ভোলায় নিয়ে গিয়ে দাফন করেন।

তবে ঘটনার মোড় ঘুরে যায় গতকাল বৃহস্পতিবার। সেদিন রহিমের মোবাইল নম্বর সচল পেয়ে পিবিআই কর্মকর্তারা খোঁজ নিয়ে তাকে জীবিত উদ্ধার করেন। 

জানা যায়, পাওনাদারদের ভয়ে মোবাইল বন্ধ করে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

উবায়দুল্লাহ জানান, তার ছেলে চট্টগ্রামে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। পহেলা মে সকালে এক ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। তিনি ধারণা করেছিলেন, অনলাইন জুয়াড়িদের হাতে খুন হয়েছেন তার ছেলে। পুলিশও লাশটি তার কাছে হস্তান্তর করে।

পিবিআই কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম মেট্রো পুলিশের পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা জানান, রহিমের মোবাইল চালু হলে তারা যোগাযোগ করেন এবং জীবিত রহিমকে খুঁজে পান। পরে বাবা-ছেলেকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রহিম পাওনা টাকা দিতে না পেরে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন।

তিনি আরো বলেন, 'লাশ শনাক্তের সময় বিকৃত হওয়ায় উবায়দুল্লাহ ভুল করে সেটিকে নিজের ছেলের লাশ ভেবেছিলেন। তদন্তে অন্য কোনো অসৎ উদ্দেশ্যের প্রমাণ মেলেনি।'

রহিমের ফুফাতো ভাই মো. নোমান গত জানান, 'লাশ শনাক্তের সময় ঘাড় ও পেটের পুরনো কাটা দাগ দেখে তারা নিশ্চিত হয়েছিলেন। তার ভাষায়, ২০১৪ সালে নির্মাণস্থলে পড়ে গিয়ে রহিমের পেটে রড ঢুকে যায় এবং অস্ত্রোপচারের ফলে ওই দাগগুলো পড়ে।'

পিবিআই জানায়, 'যাকে দাফন করা হয়েছে, সেই অজ্ঞাত ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে দাবিদার এলে তা মিলিয়ে দেখা হবে।

খুঁজুন