নিষিদ্ধ কীটনাশকের অতিমাত্রায় ব্যবহার, পরিবেশগত ক্ষতি ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মতো বিষয় নিয়ে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ নিয়ে জেলায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলা হলরুমে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বারসিক’ এবং ‘গ্রিন কোয়ালিশন কমিটি’র যৌথ উদ্যোগে ‘নেত্রকোণায় নিষিদ্ধ কীটনাশক অনুসন্ধান বিষয়ক গবেষণা’র ফলাফল প্রকাশ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় নেত্রকোণা সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিরাজুল আরেফিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও অধিকারকর্মী হাবিবুর রহমান সবুজের সভাপতিত্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, বারসিক এর আঞ্চলিক প্রধান অহিদুর রহমান।
সভায় স্থানীয় কৃষক, সাংবাদিক, কীটনাশক ডিলার ও দোকান প্রতিনিধি, চিকিৎসক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন পরিষদ স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
অংশগ্রহণকারী কৃষক ও প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ে কীটনাশকের ভয়াবহ রূপ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের চিত্র তুলে ধরেন। তারা জানান, অবাধ ও অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে স্থানীয় মাটি, পানি, বায়ু চরমভাবে দূষিত হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়ছে। বিশেষ করে ক্ষতিকারক বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে কৃষক ও সাধারণ মানুষের জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে বলে সভায় চিকিৎসকরা মতামত ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত মাঠপর্যায়ের কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও অনেক এলাকায় গোপনে ক্ষতিকর নিষিদ্ধ কীটনাশক বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে। এর অসাধু বিপণন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা নিষিদ্ধ কীটনাশকের অবৈধ বাজারজাতকরণ রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর নজরদারি, ডিলার ও বিক্রেতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কৃষকদের মাঝে জৈব কৃষি ও প্রাকৃতিক বালাইনাশক ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
প্রধান অতিথি সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিরাজুল আরেফিন বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় বিষাক্ত কীটনাশকের পরিহার অত্যাবশ্যক। নিষিদ্ধ কীটনাশক বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে কৃষি বিভাগ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। একই সাথে জৈব কৃষির সম্প্রসারণে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মাঠে মাঠে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ জোরদার করা হবে।’
তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে সঠিক নিয়মে কীটনাশক প্রয়োগ করার কৌশল ও সাবধানতা অবলম্বন করার নিয়ম বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, নিয়ম না মেনে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহার করলে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে জটিল রোগের কারণ হতে পারে। এছাড়া রাসায়নিক বিষ প্রয়োগ না করে কীভাবে পরিবেশবান্ধব সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ফসলের ক্ষতিকর পোকা দমন করা যায় এবং শাক-সবজিকে কীভাবে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত রাখা যায়—এসব বিষয়ে তিনি কৃষকদের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করেন।
নেত্রকোণায় কীটনাশক অনুসন্ধান গবেষণার ফলাফল প্রকাশ ও মতবিনিময়
নেত্রকোণায় কীটনাশক অনুসন্ধান গবেষণার ফলাফল প্রকাশ ও মতবিনিময়
নিষিদ্ধ কীটনাশকের অতিমাত্রায় ব্যবহার, পরিবেশগত ক্ষতি ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মতো বিষয় নিয়ে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ নিয়ে জেলায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলা হলরুমে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘বারসিক’ এবং ‘গ্রিন কোয়ালিশন কমিটি’র যৌথ উদ্যোগে ‘নেত্রকোণায় নিষিদ্ধ কীটনাশক অনুসন্ধান বিষয়ক গবেষণা’র ফলাফল প্রকাশ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় নেত্রকোণা সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিরাজুল আরেফিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও অধিকারকর্মী হাবিবুর রহমান সবুজের সভাপতিত্বে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, বারসিক এর আঞ্চলিক প্রধান অহিদুর রহমান। সভায় স্থানীয় কৃষক, সাংবাদিক, কীটনাশক ডিলার ও দোকান প্রতিনিধি, চিকিৎসক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন পরিষদ স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী কৃষক ও প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ে কীটনাশকের ভয়াবহ রূপ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের চিত্র
তুলে ধরেন। তারা জানান, অবাধ ও অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে স্থানীয় মাটি, পানি, বায়ু চরমভাবে দূষিত হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়ছে। বিশেষ করে ক্ষতিকারক বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে কৃষক ও সাধারণ মানুষের জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে বলে সভায় চিকিৎসকরা মতামত ব্যক্ত করেন। সভায় উপস্থিত মাঠপর্যায়ের কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও অনেক এলাকায় গোপনে ক্ষতিকর নিষিদ্ধ কীটনাশক বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে। এর অসাধু বিপণন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান তারা। মুক্ত আলোচনায় বক্তারা নিষিদ্ধ কীটনাশকের অবৈধ বাজারজাতকরণ রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর নজরদারি, ডিলার ও বিক্রেতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কৃষকদের মাঝে জৈব কৃষি ও প্রাকৃতিক বালাইনাশক ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রধান অতিথি সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মিরাজুল আরেফিন বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য
উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় বিষাক্ত কীটনাশকের পরিহার অত্যাবশ্যক। নিষিদ্ধ কীটনাশক বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে কৃষি বিভাগ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। একই সাথে জৈব কৃষির সম্প্রসারণে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মাঠে মাঠে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ জোরদার করা হবে।’ তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে সঠিক নিয়মে কীটনাশক প্রয়োগ করার কৌশল ও সাবধানতা অবলম্বন করার নিয়ম বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, নিয়ম না মেনে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহার করলে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে জটিল রোগের কারণ হতে পারে। এছাড়া রাসায়নিক বিষ প্রয়োগ না করে কীভাবে পরিবেশবান্ধব সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ফসলের ক্ষতিকর পোকা দমন করা যায় এবং শাক-সবজিকে কীভাবে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত রাখা যায়—এসব বিষয়ে তিনি কৃষকদের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত