নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে সন্তান প্রসবের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাবের প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী শিশুটির জন্ম দেয়া নবজাতকের সাথে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ প্রোফাইল ৯৯.৯৯৯% হুবহু মিলে গেছে।
ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মামলার তদন্ত কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে জেলা পুলিশ। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে অভিযুক্ত আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
এ বিষয়ে নেত্রকোণা জেলা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম বাসস’কে জানান, ‘ফরেনসিক ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার পর অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের ডিএনএ’র সঙ্গে নবজাতকের নমুনা ম্যাচ করেছে। প্রতিবেদনটি হাতে পাওয়ার পর মামলার তদন্তে যাতে কোনো ফাঁক-ফোকর না থাকে, সে জন্য একাধিক পরিদর্শককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
আশা করছি, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারব।’
নেত্রকোণা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাড. নুরুল কবীর জানান, চার্জশিট দাখিলের আগে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষের যে আইনি মতামতের প্রয়োজন ছিল, তা দেয়া হয়েছে। অভিযোগপত্র জমা হওয়ার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার কাজ শুরু হবে।
পিপি অ্যাড. নুরুল কবির রুবেল আরো জানান, সোমবার মামলার নির্ধারিত শুনানির দিনে আসামি পক্ষের জামিনের আবেদন আদালত নাকচ করে দেন। ডিএনএ প্রতিবেদনসহ মামলার অভিযোগপত্র খুব দ্রুতই আদালতে দাখিল করা হবে এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর চার বছর আগে মদনে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়ালেখা করত। গত ১৮ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে পড়লে ক্লিনিকে পরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা।
পরবর্তীতে ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা করেন।
ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিলে গত ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। আদালতের নির্দেশে গত ১৭ মে আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এরআগে শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আদালতের নির্দেশে ১২ মে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। পরে ২৯ জুলাই সিআইডি নবজাতক ও ভুক্তভোগী শিশুটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছিল।
বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর জেলা কারাগারে রয়েছেন এবং ভুক্তভোগী শিশুটি তার নবজাতক সন্তানসহ সিলেটের সেফ হোমে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে।
নেত্রকোণায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগপত্র আদালতে জমা
নেত্রকোণায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগপত্র আদালতে জমা
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে সন্তান প্রসবের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাবের প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী শিশুটির জন্ম দেয়া নবজাতকের সাথে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ প্রোফাইল ৯৯.৯৯৯% হুবহু মিলে গেছে। ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মামলার তদন্ত কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে জেলা পুলিশ। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে অভিযুক্ত আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। এ বিষয়ে নেত্রকোণা জেলা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম বাসস’কে জানান, ‘ফরেনসিক ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার পর অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের ডিএনএ’র সঙ্গে নবজাতকের নমুনা ম্যাচ করেছে। প্রতিবেদনটি হাতে পাওয়ার পর মামলার তদন্তে যাতে কোনো ফাঁক-ফোকর না থাকে, সে জন্য একাধিক পরিদর্শককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আশা করছি, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই আদালতে
চার্জশিট জমা দিতে পারব।’ নেত্রকোণা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাড. নুরুল কবীর জানান, চার্জশিট দাখিলের আগে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষের যে আইনি মতামতের প্রয়োজন ছিল, তা দেয়া হয়েছে। অভিযোগপত্র জমা হওয়ার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার কাজ শুরু হবে। পিপি অ্যাড. নুরুল কবির রুবেল আরো জানান, সোমবার মামলার নির্ধারিত শুনানির দিনে আসামি পক্ষের জামিনের আবেদন আদালত নাকচ করে দেন। ডিএনএ প্রতিবেদনসহ মামলার অভিযোগপত্র খুব দ্রুতই আদালতে দাখিল করা হবে এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে বিচার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর চার বছর আগে মদনে একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর শিশুটি তার নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়ালেখা করত।
গত ১৮ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে পড়লে ক্লিনিকে পরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। পরবর্তীতে ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা করেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিলে গত ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৪। আদালতের নির্দেশে গত ১৭ মে আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরআগে শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আদালতের নির্দেশে ১২ মে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। পরে ২৯ জুলাই সিআইডি নবজাতক ও ভুক্তভোগী শিশুটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছিল। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর জেলা কারাগারে রয়েছেন এবং ভুক্তভোগী শিশুটি তার নবজাতক সন্তানসহ সিলেটের সেফ হোমে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত