স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সদ্য ঘোষিত বাজেট জনপ্রতাশা ও গণমুখী বাজেট। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমবে এই বাজেটের ফলে। এটি অবশ্যই বিএনপির জন্য নয়, সারাদেশের মানুষের জন্য করা হয়েছে। এটা জন প্রত্যাশা ও গণমুখী বাজেট। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে, দেশের উন্নয়ন হবে, জনপ্রতাশা অনুযায়ী আমাদের নির্বাচনের অঙ্গীকার গুলি বাস্তবায়ন করব।
তিনি আরও বলেন, দেশের সাধারণ জনগণ নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্তসহ সব শ্রেণীর নাগরিকদের কথা বিবেচনা করে এবারের বাজেট করা হয়েছে। এ বাজেট যেন প্রত্যাশা ও গণমুখী বাজেট।
আগামীকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফর উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দলীয় নেতা-কর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে আজ শুক্রবার কক্সবাজারের বিভিন্ন কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেছেন।
শুক্রবার সকালে কক্সবাজার পৌঁছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থল, জনসভা মঞ্চ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেকটি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমবে, এ বাজেট দরিদ্রমুখী বাজেট, তারুণ্যের জন্য উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য , তরুণ প্রজন্মের চাহিদা মিটানোর জন্য সবকিছু করা হয়েছে এই বাজেটে। রাজস্ব রায় কমানো হয়েছে, আবার রাজস্ব আয়ের পরিধি অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে। তার মধ্য দিয়ে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলে উন্নয়ন বাজারে রাজস্ব আয়ের অবদান থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী সফরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা, জনসভা এবং সুধী সমাবেশে অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। সফরের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন, পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত, নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলা উদ্বোধন এবং চকরিয়ায় বিশাল রাজনৈতিক জনসভায় বক্তব্য প্রদান।
স্থানীয়দের মধ্যে এ সফর নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে কক্সবাজারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আরও গতি পাবে এবং নতুন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা আসবে।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফরসূচির প্রতিটি স্থান ও অনুষ্ঠানস্থলে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।