জাতীয় ডেস্ক: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন একটি কূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। সম্প্রতি রামপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপের ডিলিং কাজ শেষ করে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, উত্তোলিত এই গ্যাস পরবর্তীতে দেশের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ডিলিং ইনচার্জ রকিবুল হাসান এই গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে, দীর্ঘদিন ধরে খননকাজ পরিচালনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ডিএসটি বা ড্রিল স্টেম টেস্ট পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল গ্যাসের সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
খননকাজের পর গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করার মুহূর্তে অতিরিক্ত তাপ ও উত্তপ্ত বাতাসের সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের শিখা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের উপস্থিতিতে পুনরায় নিরাপদে আগুনের শিখা জ্বালানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। দেশের জ্বালানি খাতের চাহিদা পূরণে এই নতুন গ্যাস কূপের আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নতুন কুপে গ্যাসের সন্ধান, দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুটের প্রত্যাশা
নতুন কুপে গ্যাসের সন্ধান, দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুটের প্রত্যাশা
জাতীয় ডেস্ক: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন একটি কূপে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। সম্প্রতি রামপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপের ডিলিং কাজ শেষ করে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, উত্তোলিত এই গ্যাস পরবর্তীতে দেশের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম
এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ডিলিং ইনচার্জ রকিবুল হাসান এই গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে, দীর্ঘদিন ধরে খননকাজ পরিচালনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ডিএসটি বা ড্রিল স্টেম টেস্ট পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরই কেবল গ্যাসের সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।খননকাজের পর গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করার
মুহূর্তে অতিরিক্ত তাপ ও উত্তপ্ত বাতাসের সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের শিখা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের উপস্থিতিতে পুনরায় নিরাপদে আগুনের শিখা জ্বালানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। দেশের জ্বালানি খাতের চাহিদা পূরণে এই নতুন গ্যাস কূপের আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত