ডেস্ক রিপোর্ট: নিষিদ্ধ পানমশলার বিজ্ঞাপনে যুক্ত থাকার অভিযোগে বলিউডের তিন তারকা শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন করেছে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষধ প্রশাসন (এফডিএ)। গত আগস্ট মাসে এফডিএর পক্ষ থেকে এই তিন অভিনেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল এবং দেড় মাস পরে তারা তার জবাবও দেন। মহারাষ্ট্রে গুটখা ও পানমসলা জাতীয় পণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকায় এই বিজ্ঞাপনটিকে পরোক্ষ প্রচার হিসেবে চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
মহারাষ্ট্র এফডিএর কমিশনার তুকারাম মুন্ধে জানিয়েছেন, তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট অভিনেতারা আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং আগামী সপ্তাহে বিষয়টি বিচার বিভাগীয় নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হবে। তার মতে, খাদ্য নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী বিজ্ঞাপনের নির্দিষ্ট বিধি রয়েছে এবং কেবল প্রস্তুতকারক নয়, প্রচারকারী তারকাদেরও পণ্যের বিষয়ে যথাযথ যাচাই করা উচিত। তারকাখ্যাতি কাউকে আইনগত দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেয় না বলেও স্পষ্ট করেছেন এফডিএ কমিশনার।
এদিকে মহারাষ্ট্র এফডিএর এই পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ একতরফা ও স্বেচ্ছাচারী বলে দাবি করেছেন অভিনেতা অজয় দেবগন। প্রস্তুতকারক সংস্থাকে বাদ দিয়ে কেবল অভিনেতা হওয়ার কারণে তাকে এভাবে নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে তিনি মুম্বাই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। প্রধান বিচারপতি মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠী এবং বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার বেঞ্চে আগামী ৪ নভেম্বর অজয় দেবগনের করা এই আবেদনের ওপর শুনানির দিন নির্ধারিত রয়েছে।
মূলত একই বিজ্ঞাপনে অভিনয় করার কারণে শাহরুখ খান ও টাইগার শ্রফকেও এফডিএর পক্ষ থেকে অনুরূপ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। এই আইনি জটিলতা ও তদন্তের সমাপ্তি বলিউডের শীর্ষ তারকাদের বিজ্ঞাপন প্রচারের নৈতিকতা ও আইনি দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ পণ্যের পরোক্ষ প্রচার রোধে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান বিনোদন জগতের তারকাদের জন্য একটি বড় বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পানমশলার বিজ্ঞাপন: শাহরুখ-টাইগারের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, ফের আদালতে ছুটলেন অজয়
পানমশলার বিজ্ঞাপন: শাহরুখ-টাইগারের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, ফের আদালতে ছুটলেন অজয়
ডেস্ক রিপোর্ট: নিষিদ্ধ পানমশলার বিজ্ঞাপনে যুক্ত থাকার অভিযোগে বলিউডের তিন তারকা শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন করেছে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষধ প্রশাসন (এফডিএ)। গত আগস্ট মাসে এফডিএর পক্ষ থেকে এই তিন অভিনেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল এবং দেড় মাস পরে তারা তার জবাবও দেন। মহারাষ্ট্রে গুটখা ও পানমসলা জাতীয় পণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকায় এই বিজ্ঞাপনটিকে পরোক্ষ প্রচার হিসেবে চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ।মহারাষ্ট্র এফডিএর কমিশনার তুকারাম মুন্ধে জানিয়েছেন, তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট অভিনেতারা আইন লঙ্ঘন করেছেন
এবং আগামী সপ্তাহে বিষয়টি বিচার বিভাগীয় নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হবে। তার মতে, খাদ্য নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী বিজ্ঞাপনের নির্দিষ্ট বিধি রয়েছে এবং কেবল প্রস্তুতকারক নয়, প্রচারকারী তারকাদেরও পণ্যের বিষয়ে যথাযথ যাচাই করা উচিত। তারকাখ্যাতি কাউকে আইনগত দায়বদ্ধতা থেকে অব্যাহতি দেয় না বলেও স্পষ্ট করেছেন এফডিএ কমিশনার।এদিকে মহারাষ্ট্র এফডিএর এই পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ একতরফা ও স্বেচ্ছাচারী বলে দাবি করেছেন অভিনেতা অজয় দেবগন। প্রস্তুতকারক সংস্থাকে বাদ দিয়ে কেবল অভিনেতা হওয়ার কারণে তাকে এভাবে নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে তিনি মুম্বাই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। প্রধান বিচারপতি
মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠী এবং বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার বেঞ্চে আগামী ৪ নভেম্বর অজয় দেবগনের করা এই আবেদনের ওপর শুনানির দিন নির্ধারিত রয়েছে।মূলত একই বিজ্ঞাপনে অভিনয় করার কারণে শাহরুখ খান ও টাইগার শ্রফকেও এফডিএর পক্ষ থেকে অনুরূপ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। এই আইনি জটিলতা ও তদন্তের সমাপ্তি বলিউডের শীর্ষ তারকাদের বিজ্ঞাপন প্রচারের নৈতিকতা ও আইনি দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ পণ্যের পরোক্ষ প্রচার রোধে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান বিনোদন জগতের তারকাদের জন্য একটি বড় বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত