জেলার হাতীবান্ধায় বাক-প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় শহিদুল ইসলাম নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে লালমনিরহাটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে এ সাজা দেওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট শহিদুল ইসলাম তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে বাক-প্রতিবন্ধী শিশুটিকে ডেকে নিয়ে যায় শহিদুল ইসলাম। পরে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর শিশুটি বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে ফিরে আসে। তার মা বিষয়টি জানতে চাইলে শিশুটি ইশারার মাধ্যমে শহিদুল ইসলামের নাম জানায়। পরে শিশুটির বাবা রশিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশুটি একটি বাক-প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী। দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার নবিয়ার রহমানের পুত্র।
এ রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. লুৎফর রহমান বলেন, এটি একটি আলোচিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। বাক-প্রতিবন্ধী শিশুটিকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটি ইশারার মাধ্যমে অভিযুক্তের নাম জানায়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
এ সময় আদালতের এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
জেলার হাতীবান্ধায় বাক-প্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় শহিদুল ইসলাম নামের এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে লালমনিরহাটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে এ সাজা দেওয়া হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট শহিদুল
ইসলাম তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে বাক-প্রতিবন্ধী শিশুটিকে ডেকে নিয়ে যায় শহিদুল ইসলাম। পরে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর শিশুটি বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে ফিরে আসে। তার মা বিষয়টি জানতে চাইলে শিশুটি ইশারার মাধ্যমে শহিদুল ইসলামের নাম জানায়। পরে শিশুটির বাবা রশিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশুটি একটি
বাক-প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী। দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার নবিয়ার রহমানের পুত্র। এ রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. লুৎফর রহমান বলেন, এটি একটি আলোচিত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনা। বাক-প্রতিবন্ধী শিশুটিকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটি ইশারার মাধ্যমে অভিযুক্তের নাম জানায়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন। এ সময় আদালতের এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত