সারাদেশ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জিনগত কারণে রঙ বদলানো কয়েকটি অ্যালবিনো সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু সময়ে এমন ব্যতিক্রমী সাপের দেখা মেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে শরীরের স্বাভাবিক রঙ হারানো এসব সাপ দেখতে হলুদ, সাদা কিংবা হালকা গোলাপি হয়ে থাকে। প্রাণী গবেষকদের মতে, এই ধরণের পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মূলত মেলানিন রঞ্জক পদার্থের ঘাটতি।
গত ২৭ অক্টোবর পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় স্থানীয়দের আঘাতপ্রাপ্ত একটি অ্যালবিনো জলঢোঁড়া সাপ উদ্ধার করা হয়। এরপর গত ১ নভেম্বর ঢাকার ডেমরা এলাকা থেকে একটি অ্যালবিনো পদ্মগোখরা এবং ৩ নভেম্বর চট্টগ্রামের কর্নেলহাট থেকে আরেকটি অ্যালবিনো জলঢোঁড়া উদ্ধার করা হয়। ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের সদস্যরা এসব সাপ উদ্ধার করে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রেখেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রামে এই প্রথম কোনো অ্যালবিনো জলঢোঁড়া সাপের দেখা মিলল।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অ্যালবিনিজম হলো একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জিনগত প্রক্রিয়া যা মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর মধ্যেও ঘটে থাকে। এর ফলে সাপের বিষধর বা বিষহীন হওয়ার বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আসে না। তবে শরীরের এমন অস্বাভাবিক রঙের কারণে বন্য পরিবেশে এসব সাপ সহজে অন্য শিকারির নজরে পড়ে যায়। এর ফলে প্রাকৃতিক আবাসস্থলে এই বিশেষ প্রজাতির টিকে থাকার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
বন্যপ্রাণী গবেষকদের মতে, অ্যালবিনো সাপ প্রকৃতিতে নতুন নয় এবং এগুলো আগেও আমাদের পরিবেশেই ছিল। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক প্রচার এবং মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে এসব সাপ সহজে লোকজনের নজরে আসছে। তাই ভিন্ন রঙের কোনো সাপ দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে কিংবা সেগুলোকে আঘাত না করে নিরাপদে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। উপযুক্ত সময়ে এসব সাপ পুনরায় তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
রঙ পাল্টাচ্ছে অ্যালবিনো সাপের, দেখা মিলছে বিভিন্ন স্থানে
রঙ পাল্টাচ্ছে অ্যালবিনো সাপের, দেখা মিলছে বিভিন্ন স্থানে
সারাদেশ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জিনগত কারণে রঙ বদলানো কয়েকটি অ্যালবিনো সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু সময়ে এমন ব্যতিক্রমী সাপের দেখা মেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে শরীরের স্বাভাবিক রঙ হারানো এসব সাপ দেখতে হলুদ, সাদা কিংবা হালকা গোলাপি হয়ে থাকে। প্রাণী গবেষকদের মতে, এই ধরণের পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে মূলত মেলানিন রঞ্জক পদার্থের ঘাটতি।গত ২৭ অক্টোবর পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় স্থানীয়দের আঘাতপ্রাপ্ত একটি অ্যালবিনো জলঢোঁড়া সাপ উদ্ধার করা হয়। এরপর গত ১ নভেম্বর ঢাকার ডেমরা এলাকা থেকে
একটি অ্যালবিনো পদ্মগোখরা এবং ৩ নভেম্বর চট্টগ্রামের কর্নেলহাট থেকে আরেকটি অ্যালবিনো জলঢোঁড়া উদ্ধার করা হয়। ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের সদস্যরা এসব সাপ উদ্ধার করে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রেখেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রামে এই প্রথম কোনো অ্যালবিনো জলঢোঁড়া সাপের দেখা মিলল।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অ্যালবিনিজম হলো একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জিনগত প্রক্রিয়া যা মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর মধ্যেও ঘটে থাকে। এর ফলে সাপের বিষধর বা বিষহীন হওয়ার বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আসে না। তবে শরীরের এমন অস্বাভাবিক রঙের কারণে বন্য পরিবেশে এসব সাপ সহজে অন্য শিকারির
নজরে পড়ে যায়। এর ফলে প্রাকৃতিক আবাসস্থলে এই বিশেষ প্রজাতির টিকে থাকার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।বন্যপ্রাণী গবেষকদের মতে, অ্যালবিনো সাপ প্রকৃতিতে নতুন নয় এবং এগুলো আগেও আমাদের পরিবেশেই ছিল। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক প্রচার এবং মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে এসব সাপ সহজে লোকজনের নজরে আসছে। তাই ভিন্ন রঙের কোনো সাপ দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে কিংবা সেগুলোকে আঘাত না করে নিরাপদে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। উপযুক্ত সময়ে এসব সাপ পুনরায় তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত