স্বাস্থ্য ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে হামের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি কেন স্থগিত ছিল এবং প্রয়োজনীয় টিকা কেন আমদানি করা হয়নি, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। সম্প্রতি রাজধানীর শাহবাগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এক আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে কোনো শিশুর জীবন যেন ঝুঁকিতে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পনেরো দিনের মধ্যেই দেশে হামের মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে পূর্বনির্ধারিত জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়নি এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কোনো জরুরি মজুতও রাখা হয়নি। সাবেক সরকারের আমলের এই দায়িত্বহীন সিদ্ধান্ত এবং টিকা আমদানির প্রক্রিয়া নিয়ে জনসমক্ষে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া দরকার বলে তিনি মনে করেন।
এই সংকট মোকাবেলায় বর্তমান প্রশাসন অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে টিকা সংগ্রহ করে মাত্র এক থেকে দুই মাসের মধ্যে প্রায় দুই কোটি বিশ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।
এর আগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলে হৃদরোগ পুনর্বাসন সংক্রান্ত একটি পাঁচ বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। সেখানে তিনি জানান যে দেশে হৃদরোগজনিত জটিলতায় মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে এবং সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সর্বকালের সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে।
কেন হামের প্রয়োজনীয় টিকা আমদানি হয়নি, জানা জরুরি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
কেন হামের প্রয়োজনীয় টিকা আমদানি হয়নি, জানা জরুরি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে হামের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি কেন স্থগিত ছিল এবং প্রয়োজনীয় টিকা কেন আমদানি করা হয়নি, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। সম্প্রতি রাজধানীর শাহবাগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে এক আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে কোনো শিশুর জীবন যেন ঝুঁকিতে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র
পনেরো দিনের মধ্যেই দেশে হামের মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে পূর্বনির্ধারিত জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়নি এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কোনো জরুরি মজুতও রাখা হয়নি। সাবেক সরকারের আমলের এই দায়িত্বহীন সিদ্ধান্ত এবং টিকা আমদানির প্রক্রিয়া নিয়ে জনসমক্ষে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া দরকার বলে তিনি মনে করেন।এই সংকট মোকাবেলায় বর্তমান প্রশাসন অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে জরুরি ভিত্তিতে টিকা সংগ্রহ করে মাত্র
এক থেকে দুই মাসের মধ্যে প্রায় দুই কোটি বিশ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।এর আগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলে হৃদরোগ পুনর্বাসন সংক্রান্ত একটি পাঁচ বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। সেখানে তিনি জানান যে দেশে হৃদরোগজনিত জটিলতায় মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে এবং সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সর্বকালের সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত