চাকরি ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে কর্মজীবনে পা রাখা বহু তরুণ এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে কাজ করছেন। কেউ সরাসরি এআই এজেন্ট তৈরি করছেন, কেউ সেগুলো পরিচালনা করছেন আবার কেউ কাজের ক্ষেত্র নির্ধারণ করছেন। তবে নতুন এই কর্মপরিবেশে একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে যে, তরুণেরা এআই ব্যবহারে দক্ষ হলেও নিজেদের মূল পেশার প্রয়োজনীয় কাজগুলো শেখার যথেষ্ট সুযোগ পাচ্ছেন কি না।
লটে আন্ডারউড নামের এক তরুণী বিপণন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে লন্ডনভিত্তিক একটি জনসংযোগ সংস্থায় ‘এআই অ্যাসোসিয়েট’ হিসেবে যোগ দিয়েছেন। তিনি মূলত শিল্প গবেষণা ও প্রতিবেদন তৈরির মতো কাজের জন্য তৈরি করা বিভিন্ন এআই এজেন্ট পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ডিলান প্যাটেল একটি প্রকৌশল সফটওয়্যার কোম্পানিতে এআই অটোমেশন বিশ্লেಷক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিভিন্ন দলের প্রয়োজন অনুযায়ী এআই এজেন্ট তৈরি এবং কোম্পানির পুনরাবৃত্তিমূলক কাজগুলো স্বয়ংক্রিয় করার উপায় খুঁজছেন।
এআইয়ের কারণে কিছু ক্ষেত্রে প্রথাগত চাকরির সুযোগ কমলেও অনেক কোম্পানি নতুন এআইকেন্দ্রিক পদ তৈরি করছে। আউটসোর্সড যোগাযোগকেন্দ্র পরিচালনা কোম্পানি আরভাটো কানেক্টের প্রধান নির্বাহী ডেবরা ম্যাক্সওয়েল জানিয়েছেন, তারা এমন কর্মী চান যারা প্রচলিত চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন। তার মতে, এআইয়ের কারণে স্নাতকদের কাজের পরিধি বাড়ায় তারা কোম্পানির কার্যক্রমে আরও অর্থবহ অবদান রাখার সুযোগ পাচ্ছেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পিডব্লিউসির গবেষণায়ও দেখা গেছে, এআইয়ের প্রভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরিগুলোতে কৌশলগত সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্ব দেওয়ার মতো জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে।
বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করা সিয়ান ক্লিনটন নামের আরেক তরুণী জানান, এআই ব্যবহারের কারণে তার মতো নতুনকর্মীদের নিজস্ব ধারণা ও সৃজনশীলতা বাস্তবায়নের সুযোগ অনেক বেড়েছে। তার মতে, এর ফলে কর্মজীবনের শুরুর দিকেই তিনি এমন কিছু দায়িত্ব পালন করছেন যা অর্জন করতে সাধারণত চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগত। তবে এআই নিয়ে ব্যস্ত থাকায় লটে আন্ডারউড স্বীকার করেছেন যে, গণমাধ্যমের কাছে সরাসরি সংবাদ উপস্থাপনের মতো প্রথাগত কিছু কাজ এখনও তার শেখা হয়নি।
পোর্টম্যান ফাইন্যান্স গ্রুপের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সাইমন প্র্যাটের মতে, এআই দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও নতুন কর্মীদের নিজেদের পেশার মৌলিক কাজগুলো শেখা আরও বেশি জরুরি। তাদের প্রতিষ্ঠানে দুই বছর মেয়াদি স্নাতক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সাথে কাজ করে পেশার খুঁটিনাটি শেখার ওপর জোর দেওয়া হয়। মূলত প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি মূল পেশার অভিজ্ঞতা অর্জনের এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা চলছে।
এআই সামলাচ্ছেন নতুন স্নাতকরা, কিন্তু পেশাগত দক্ষতার কী হবে?
এআই সামলাচ্ছেন নতুন স্নাতকরা, কিন্তু পেশাগত দক্ষতার কী হবে?
চাকরি ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে কর্মজীবনে পা রাখা বহু তরুণ এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে কাজ করছেন। কেউ সরাসরি এআই এজেন্ট তৈরি করছেন, কেউ সেগুলো পরিচালনা করছেন আবার কেউ কাজের ক্ষেত্র নির্ধারণ করছেন। তবে নতুন এই কর্মপরিবেশে একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে যে, তরুণেরা এআই ব্যবহারে দক্ষ হলেও নিজেদের মূল পেশার প্রয়োজনীয় কাজগুলো শেখার যথেষ্ট সুযোগ পাচ্ছেন কি না।লটে আন্ডারউড নামের এক তরুণী বিপণন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে লন্ডনভিত্তিক একটি জনসংযোগ সংস্থায় ‘এআই অ্যাসোসিয়েট’ হিসেবে যোগ দিয়েছেন। তিনি মূলত শিল্প গবেষণা ও প্রতিবেদন তৈরির মতো কাজের জন্য তৈরি করা বিভিন্ন এআই এজেন্ট পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ডিলান প্যাটেল একটি প্রকৌশল সফটওয়্যার কোম্পানিতে এআই অটোমেশন বিশ্লেಷক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি
বিভিন্ন দলের প্রয়োজন অনুযায়ী এআই এজেন্ট তৈরি এবং কোম্পানির পুনরাবৃত্তিমূলক কাজগুলো স্বয়ংক্রিয় করার উপায় খুঁজছেন।এআইয়ের কারণে কিছু ক্ষেত্রে প্রথাগত চাকরির সুযোগ কমলেও অনেক কোম্পানি নতুন এআইকেন্দ্রিক পদ তৈরি করছে। আউটসোর্সড যোগাযোগকেন্দ্র পরিচালনা কোম্পানি আরভাটো কানেক্টের প্রধান নির্বাহী ডেবরা ম্যাক্সওয়েল জানিয়েছেন, তারা এমন কর্মী চান যারা প্রচলিত চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন। তার মতে, এআইয়ের কারণে স্নাতকদের কাজের পরিধি বাড়ায় তারা কোম্পানির কার্যক্রমে আরও অর্থবহ অবদান রাখার সুযোগ পাচ্ছেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পিডব্লিউসির গবেষণায়ও দেখা গেছে, এআইয়ের প্রভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের চাকরিগুলোতে কৌশলগত সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্ব দেওয়ার মতো জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে।বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করা সিয়ান ক্লিনটন নামের আরেক তরুণী জানান, এআই ব্যবহারের কারণে তার মতো নতুনকর্মীদের নিজস্ব ধারণা ও সৃজনশীলতা বাস্তবায়নের সুযোগ অনেক বেড়েছে।
তার মতে, এর ফলে কর্মজীবনের শুরুর দিকেই তিনি এমন কিছু দায়িত্ব পালন করছেন যা অর্জন করতে সাধারণত চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগত। তবে এআই নিয়ে ব্যস্ত থাকায় লটে আন্ডারউড স্বীকার করেছেন যে, গণমাধ্যমের কাছে সরাসরি সংবাদ উপস্থাপনের মতো প্রথাগত কিছু কাজ এখনও তার শেখা হয়নি।পোর্টম্যান ফাইন্যান্স গ্রুপের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সাইমন প্র্যাটের মতে, এআই দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও নতুন কর্মীদের নিজেদের পেশার মৌলিক কাজগুলো শেখা আরও বেশি জরুরি। তাদের প্রতিষ্ঠানে দুই বছর মেয়াদি স্নাতক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সাথে কাজ করে পেশার খুঁটিনাটি শেখার ওপর জোর দেওয়া হয়। মূলত প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি মূল পেশার অভিজ্ঞতা অর্জনের এই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা চলছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত