রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশের স্বস্তির জয় • সহকর্মী বেচে থাকতেই তাঁর দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াতে শিখি • রিসোর্টের ট্র্যাজেডি আমাদের কী শেখায় • নজরুল ও সিতির শিরশ্ছেদ মানবাধিকার ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন • মেসির জোড়া গোলে আটলান্টাকে ৩-১ ব্যবধানে হারাল ইন্টার মায়ামি • জুনে সতর্কবার্তা, অক্টোবরে দশ মৃত্যু: টুপটুপ রিসোর্টের আগুন থেকে শিক্ষা • পটিয়া ভূমি অফিসে নথি বাণিজ্য ও ঘুষের অভিযোগ, দুদকের তদন্ত দাবি • বান্দরবান-চট্টগ্রামে কাঠ পাচারের অভিযোগ, বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা ঘুষের দাবি • আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা • ওষুধের আগুন, রাষ্ট্রের পরীক্ষা: হ্যাজম্যাট প্রস্তুতি ও জবাবদিহি কোথায়?
জাতীয় সব আগুন পানিতে নেভেনা

সব আগুন পানিতে নেভেনা

মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ঃ

বিস্ফোরণের ভিডিওটা দেখে একবারও মনে হয়নি এটা হত্যাকান্ড? মনে হয়নি ডিপো কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃত ভাবে ফায়ার সার্ভিস ও সাধারণ মানুষদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে?

যে কেমিক্যালের মাধ্যমে বিস্ফোরণ হয়েছে বা কন্টেইনারে যে কেমিক্যাল ছিলো সেটার নাম হাইড্রোজেন পারক্সাইড। যেটা সাধারণত রকেটের জ্বালানীতে প্রোপেল্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এবং এই কেমিক্যাল পানির সাথে বিক্রিয়া করে। অথচ ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের জানানোই হয়নি কন্টেইনারের ভেতরে কি আছে? বা আগুনটা যে কেমিক্যাল থেকে লেগেছে এসব কোনো তথ্যই দেয়নি ডিপো কর্তৃপক্ষ।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা না জেনে ডিপো কর্তৃপক্ষের সেট করা টাইম বোমার উপর দাঁড়িয়েছিলো। নিজেদের অজান্তে পানি দিয়ে বিস্ফোরণকে আরো শক্তিশালী করেছে। নিজেরাই জানতোনা যে বিস্ফোরণ হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। সেখানে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে পাঠাবে কিভাবে?

ভিডিওটা দেখলাম মানুষগুলো কতো কাছ থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলো অথচ তাদের বিন্দুমাত্র আইডিয়া নাই টাইম বোমার টিক টিক কাউন্টডাউন ততোক্ষণে শুরু হয়ে গিয়েছিলো। এই জিনিসটা একমাত্র জানতো ডিপো কর্তৃপক্ষ। তারা চাইলেই এই মানুষগুলোর মৃত্যু ঠেকাতে পারতো।

এই বিস্ফোরণটা দুর্ঘটনা হতে পারে। কিন্তু হতাহত গুলো সব হত্যাকাণ্ড। দিন শেষে এসব হত্যাকারীর কোনো বিচার হবেনা। তদন্ত কমিটি হবে। কমিটির পকেট ভারী হবে,গাঁজাখুরি রিপোর্ট দেয়া হবে। এই হত্যাকান্ডের পেছনে থাকা রাঘববোয়ালেরা আরো টাকার মালিক হবে। আর এভাবে মারা পরবে সাধারণ জনগণ আর কিছু ফায়ার সার্ভিস কর্মী!


খুঁজুন