সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ
আন্তর্জাতিক সিরিয়ার গণহত্যায় যুদ্ধাপরাধ হওয়ার সম্ভাবনা

সিরিয়ার গণহত্যায় যুদ্ধাপরাধ হওয়ার সম্ভাবনা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারি বাহিনী এবং সিরিয়ার সাবেক শাসকদের অনুগত যোদ্ধারা গত মার্চে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় লিপ্ত হয়। জাতিসংঘের তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মার্চ সংঘটিত একাধিক গণহত্যায় যুদ্ধাপরাধ হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় সংঘটিত এই সহিংসতায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

জাতিসংঘের সিরিয়া তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। মূলত আলাওয়ি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। সেখানে অপহরণের মতো ঘটনাও এখনও ঘটছে।

প্রতিবেদনের সঙ্গে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে স্বাধীন আন্তর্জাতিক সিরিয়া তদন্ত কমিশনের চেয়ার পাওলো সের্জিও পিনহেইরো বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেদনে নথিভুক্ত সহিংসতার ব্যাপ্তি ও নৃশংসতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

৫৬ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে জাতিসংঘের দল হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন এবং মৃতদেহের প্রতি অমানবিক আচরণের প্রমাণ নথিভুক্ত করেছে। তারা ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী ২০০ জনের বেশি ব্যক্তির সাক্ষাৎকার এবং তিনটি গণকবর পরিদর্শনের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকাংশ নিহত ছিলেন ২০-৫০ বছর বয়সী আলাওয়ি পুরুষ। তবে নারী ও এক বছরের শিশুকেও হত্যা করা হয়েছে। আসাদের সংখ্যালঘু আলাওয়ি সম্প্রদায়ের সদস্যদের খুঁজতে বাড়ি বাড়ি যেত হত্যাকারীরা, নিজেরাই এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ভিডিও ধারণ করত।

অপরাধীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারি বাহিনীর সদস্য ছিল, পাশাপাশি তাদের সঙ্গে কার্যকরী অবস্থায় থাকা বা কাছাকাছি থাকা বেসরকারি ব্যক্তিও এতে জড়িত ছিল। আসাদ সরকারের অনুগত যোদ্ধারাও লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি সর্বসমন্বিত নয়। কারণ হোমস, লাতাকিয়া ও তারতুসে সংঘটিত ঘটনাগুলোর তদন্ত কমিশন এখনও চালিয়ে যাচ্ছে। এই কমিশন ২০১১ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ দ্বারা গঠিত হয়।

উপকূলে সংঘটিত এই ঘটনা ছিল গত বছর প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে সিরিয়ায় ঘটে যাওয়া সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা।

প্রতিবেদনের জবাবে সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ হাসান আল-শিবানি এক চিঠিতে বলেন, “সিরিয়ার আরব প্রজাতন্ত্র এই প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করে এবং নতুন সিরিয়ায় প্রতিষ্ঠান গঠন ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করার চলমান প্রক্রিয়ায় সুপারিশগুলো অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে

খুঁজুন