রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ • বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস • ঢাকার বস্তিতে যক্ষ্মা স্ক্রিনিংয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে জাপান • আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায় • কমিশন বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ: বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন
আইন আদালত স্ক্রিপ্টেড ভিডিওকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে অপপ্রচার শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট

স্ক্রিপ্টেড ভিডিওকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে অপপ্রচার শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট

স্ক্রিপ্টেড ভিডিওকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, স্ক্রিপ্টেড ভিডিওকে বাস্তব ঘটনা দাবি করে অপপ্রচার শনাক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ‘পাবলিক প্লেসে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়তো তার আপন ভাজিতা ভেবে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না!’

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এটি বাস্তব কোনো ঘটনা নয়। ছড়ানো ভিডিওটি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের স্ক্রিপ্টেড ভিডিও। ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘ওয়াফ্ফি লিমন’ নামক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত ২০ আগস্ট প্রচারিত মূল ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়।

ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি থেকে একই ব্যক্তিকে নিয়মিত পাকিস্তানি নাটকের শর্ট ভিডিওর সাথে লিপ-সিঙ্ক করে তৈরি ভিডিও প্রচার করতে দেখা যায়। এছাড়াও, ইনস্টগ্রাম ও টিকটক অ্যাাকাউন্টেও নিয়মিত এসব ভিডিও প্রচার করতে দেখা যায়।

‘পাবলিক প্লেসে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া’ দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের স্ক্রিপ্টেড ভিডিও বলে শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে। 

‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।

খুঁজুন