রাজধানী ডেস্ক: সরকারি আবাসনের বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে অবৈধভাবে বসবাসকারী ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাদের উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সরকারি বাসা থেকে এসব অননুমোদিত বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে যারা এই নির্দেশ অমান্য করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়মের প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীর বাসার বরাদ্দ সরাসরি বাতিল করা হতে পারে।
আবাসন পরিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের নামে বরাদ্দ নেওয়া ফ্ল্যাটে কারা এখনো ভাড়াটে বা সাবলেট হিসেবে রয়েছেন, তা শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। তবে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপ্তদের নিজেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হবে। ভাড়াটেরা কেন নির্ধারিত সময়ে বাসা ছাড়েননি, তার যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে হবে। সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী ভাড়াটেরা ফ্ল্যাট ছেড়েছেন কি না, তা যাচাই করার জন্য মাঠপর্যায়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পরিদপ্তর। এই উদ্দেশ্যে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় পাঁচটি পৃথক তদন্ত দল মাঠে কাজ করছে। দলগুলো সরেজমिन তথ্য সংগ্রহ করে কোন ফ্ল্যাটে এখনো ভাড়াটেরা অবস্থান করছেন, তার একটি তালিকা তৈরি করছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হলেও পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
তদন্ত কাজ শেষ হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ তালিকা হাতে পেলে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। মূলত যেসব সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাটে এখনো ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দা বহাল রয়েছে, সেখানেই এই অভিযান চালানো হবে। দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি আবাসনে এই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ থাকায় পরিদপ্তর এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি ফ্ল্যাটে বরাদ্দপ্রাপ্তদের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিদের ভাড়া বা সাবলেট রাখার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অনিয়ম কঠোরভাবে দমনের জন্য সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাকে ফ্ল্যাট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যার নামে বাসা বরাদ্দ রয়েছে, তাকেই নিয়ম অনুযায়ী সেখানে বসবাস নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে সরাতে এবার অভিযান
সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে সরাতে এবার অভিযান
রাজধানী ডেস্ক: সরকারি আবাসনের বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে অবৈধভাবে বসবাসকারী ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাদের উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সরকারি বাসা থেকে এসব অননুমোদিত বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে যারা এই নির্দেশ অমান্য করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়মের প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীর বাসার বরাদ্দ সরাসরি বাতিল করা হতে পারে।আবাসন পরিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের নামে বরাদ্দ নেওয়া ফ্ল্যাটে কারা এখনো ভাড়াটে বা সাবলেট হিসেবে রয়েছেন, তা শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। তবে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপ্তদের নিজেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া
হবে। ভাড়াটেরা কেন নির্ধারিত সময়ে বাসা ছাড়েননি, তার যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে হবে। সন্তোষজনক কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে চাকরিজীবীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নির্দেশনা অনুযায়ী ভাড়াটেরা ফ্ল্যাট ছেড়েছেন কি না, তা যাচাই করার জন্য মাঠপর্যায়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পরিদপ্তর। এই উদ্দেশ্যে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় পাঁচটি পৃথক তদন্ত দল মাঠে কাজ করছে। দলগুলো সরেজমिन তথ্য সংগ্রহ করে কোন ফ্ল্যাটে এখনো ভাড়াটেরা অবস্থান করছেন, তার একটি তালিকা তৈরি করছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হলেও পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ এখনো চলমান রয়েছে।তদন্ত কাজ শেষ হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ তালিকা হাতে পেলে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা
করা হবে। মূলত যেসব সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাটে এখনো ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দা বহাল রয়েছে, সেখানেই এই অভিযান চালানো হবে। দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি আবাসনে এই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ থাকায় পরিদপ্তর এই পদক্ষেপ নিয়েছে।উল্লেখ্য, রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি ফ্ল্যাটে বরাদ্দপ্রাপ্তদের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিদের ভাড়া বা সাবলেট রাখার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই অনিয়ম কঠোরভাবে দমনের জন্য সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাকে ফ্ল্যাট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যার নামে বাসা বরাদ্দ রয়েছে, তাকেই নিয়ম অনুযায়ী সেখানে বসবাস নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত