রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন • ঘুষ ছাড়া মেলে না সেবা নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএতে দালালচক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ • সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ • বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস • ঢাকার বস্তিতে যক্ষ্মা স্ক্রিনিংয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দেবে জাপান • আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায় • কমিশন বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ: বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন
আইন আদালত টাঙ্গাইলে ডাকাতি মামলায় ৮ ডাকাতকে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড

টাঙ্গাইলে ডাকাতি মামলায় ৮ ডাকাতকে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড

মোঃ সিরাজ আল মাসুদঃ টাঙ্গাইলে ডাকাতি মামলায় একজনকে ১০ বছর ও ছয়জনকে আট বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামের মফিদুল ইসলাম, মো. সম্রাট, রূপন মিয়া, রবিন মিয়া, সুজন মিয়া এবং রাজন মিয়া। 

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মনিরুল ইসলাম খান  জানান, ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট দিনগত রাতে বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামে আইনজীবী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল আজাদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

ডাকাতদল গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে আবুল আজাদ ও তার স্ত্রী শামীমা আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে ১৪ ভরি সোনার গহনাসহ সাত লক্ষাধিক টাকার মালপত্র লুট করে নেয় ডাকাতরা।

ঘটনার পরদিন আবুল আজাদ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় ডাকাতির মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ প্রথমে সম্রাট ও সুজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে বাসাইল থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তথ্য-উপাত্ত ও জবানবন্দি পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় মঙ্গলবার এ রায় দিলেন আদালত।

 মামলা চলাকালে সব আসামি জামিন নিয়ে আত্মগোপন করেন। মফিদুল ও রূপনকে কয়েক মাস আগে পুলিশ গ্রেফতার করে। এ দু’জন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি পাঁচ আসামি এখনো পলাতক।

মামলার বাদী আবুল আজাদ জানান, এ রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে সাজার আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

খুঁজুন