তিব্বতে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪৬ জন। রোববার স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
চলতি সপ্তাহে নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ এ দুর্যোগ আঘাত হানে। হঠাৎ নেমে আসা পানির স্রোত ও কাদার ঢল অনেকটা সুনামির মতো আছড়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়। এতে পুরো গ্রাম পর্যন্ত ভেসে যায়।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
নেপাল ও তিব্বতের দায়িত্বশীল চীনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্যোগে নিখোঁজ মানুষের মোট সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। এখন পর্যন্ত ৬৯১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, রোববার সীমান্তের চীনা অংশে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে এখনো ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নিখোঁজ ৫৪৬ জনের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক। তাদের মধ্যে নেপালের ১০৪ জন, ভারতের ৪৯ জন, লাটভিয়ার ৩৩ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ জন নাগরিক রয়েছেন।
সিসিটিভি স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, এসব দেশের সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও কনস্যুলেটকে চীনা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবহিত করেছে।
সিসিটিভি আরও জানায়, সীমান্ত এলাকায় কয়েক দফা ব্যাপক তল্লাশি ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থান যাচাইয়ের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত গিরং কাউন্টিতে কোনো বিদেশি পর্যটক আটকা নেই।
চীনা কর্মকর্তারা রোববার এ ভয়াবহ দুর্যোগের কারণও জানিয়েছেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৬ আগস্ট নেপালের লিরুং পর্বতের দক্ষিণ ঢালে একটি হিমবাহের বড় অংশ ভেঙে পড়ে। এতে বরফ ও পাথরের বিশাল ধস নেমে আসে, যা পরবর্তী সময়ে ভয়াবহ দুর্যোগের সূত্রপাত করে।
তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ১৬, নিখোঁজ ৫৪৬
তিব্বতে ভয়াবহ ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ১৬, নিখোঁজ ৫৪৬
তিব্বতে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৫৪৬ জন। রোববার স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি সপ্তাহে নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ এ দুর্যোগ আঘাত হানে। হঠাৎ নেমে আসা পানির স্রোত ও কাদার ঢল অনেকটা সুনামির মতো আছড়ে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায়। এতে পুরো গ্রাম পর্যন্ত ভেসে যায়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। নেপাল ও তিব্বতের দায়িত্বশীল চীনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্যোগে নিখোঁজ
মানুষের মোট সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। এখন পর্যন্ত ৬৯১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, রোববার সীমান্তের চীনা অংশে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে এখনো ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নিখোঁজ ৫৪৬ জনের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক। তাদের মধ্যে নেপালের ১০৪ জন, ভারতের ৪৯ জন, লাটভিয়ার ৩৩ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ জন নাগরিক রয়েছেন। সিসিটিভি স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, এসব দেশের সংশ্লিষ্ট দূতাবাস ও কনস্যুলেটকে চীনা
কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবহিত করেছে। সিসিটিভি আরও জানায়, সীমান্ত এলাকায় কয়েক দফা ব্যাপক তল্লাশি ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় ও অবস্থান যাচাইয়ের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত গিরং কাউন্টিতে কোনো বিদেশি পর্যটক আটকা নেই। চীনা কর্মকর্তারা রোববার এ ভয়াবহ দুর্যোগের কারণও জানিয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৬ আগস্ট নেপালের লিরুং পর্বতের দক্ষিণ ঢালে একটি হিমবাহের বড় অংশ ভেঙে পড়ে। এতে বরফ ও পাথরের বিশাল ধস নেমে আসে, যা পরবর্তী সময়ে ভয়াবহ দুর্যোগের সূত্রপাত করে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত