জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) অধীনে সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের (টোল ফ্রি নম্বর) মাধ্যমে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৭১ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে।
লিগ্যাল এইড-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচে জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৭১ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেয়া হয়েছে।
শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য এ আইনি সেবা প্রদান শুরু হয়। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট, টোল ফ্রি-‘১৬৪৩০'’ কল সেন্টার চালু, ঢাকা ও চট্রগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল ও এবং দেশের কারাগারগুলোতে এ সেবা চালু করা হয়। সম্প্রতি টোল ফ্রি নম্বর পরিবর্তন করে আরও সহজ করা হয়েছে। টোল ফ্রি নতুন নম্বর '১৬৬৯৯'।
২০১৩ সাল থেকে লিগ্যাল এইড শ্রমিক আইন সহায়তা সেলের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ থেকে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার টোল ফ্রি নাম্বার চালু হয়। হট লাইনের মাধ্যমে তথ্য সেবা প্রদানে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩২৮ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদেরকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেওয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
টোল ফ্রি নম্বরের মাধ্যমে ২ লাখের অধিক জনকে আইনি সেবা লিগ্যাল এইডের
টোল ফ্রি নম্বরের মাধ্যমে ২ লাখের অধিক জনকে আইনি সেবা লিগ্যাল এইডের
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) অধীনে সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের (টোল ফ্রি নম্বর) মাধ্যমে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৭১ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে। লিগ্যাল এইড-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচে জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারের (টোল ফ্রি-‘১৬৬৯৯’) মাধ্যমে ২ লাখ
১৪ হাজার ৪৭১ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেয়া হয়েছে। শুরুতে জেলা পর্যায়ে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য এ আইনি সেবা প্রদান শুরু হয়। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট, টোল ফ্রি-‘১৬৪৩০'’ কল সেন্টার চালু, ঢাকা ও চট্রগ্রামে শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল ও এবং দেশের কারাগারগুলোতে এ সেবা চালু করা হয়। সম্প্রতি টোল ফ্রি নম্বর পরিবর্তন করে আরও সহজ করা হয়েছে। টোল ফ্রি নতুন নম্বর '১৬৬৯৯'। ২০১৩ সাল থেকে লিগ্যাল এইড শ্রমিক আইন সহায়তা সেলের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৬ থেকে জাতীয়
হেল্পলাইন কল সেন্টার টোল ফ্রি নাম্বার চালু হয়। হট লাইনের মাধ্যমে তথ্য সেবা প্রদানে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টার স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩২৮ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থীদেরকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এ সেবা দেওয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত