দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর উপকূলে একটি ফেরি ডুবে অন্তত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দেশটির সরকার রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।
এমভি মাতুই নামের ফেরিটি শুক্রবার ভানুয়াতুর সান্তো দ্বীপ থেকে আম্বায়ে দ্বীপের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। ফেরিতে ৪০ জনের বেশি যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। যাত্রার সময় সমুদ্র ছিল অত্যন্ত উত্তাল। তবে গন্তব্যে পৌঁছায়নি ফেরিটি।
ভানুয়াতুর প্রধানমন্ত্রী জোথাম নাপাতের কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা ও প্রার্থনা রইল। উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
সরকার জানিয়েছে, ফেরিতে থাকা ১৫ জন জীবিত রয়েছেন এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ৩০ জনের বেশি মানুষ এখনও সমুদ্রে নিখোঁজ রয়েছেন।
ঘটনার পেছনে কোনো ধরনের অবহেলা ছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রবল বাতাস এবং সমুদ্রপথে জারি করা সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফেরিটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বা মালামাল তোলা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নিউ ক্যালেডোনিয়ার নুমেয়া-ভিত্তিক মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার জানিয়েছে, তারা উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছে। রোববার সকালে ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিমানও অনুসন্ধান অভিযানে যুক্ত করা হয়।
কেন্দ্রটি জানিয়েছে, রোববার সকালে ১২ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করা লুগানভিলের সংসদ সদস্য মাতাই সেরেমাইয়া জানিয়েছেন, স্রোতের টানে জীবিতদের অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের দিকে সরে যেতে পারে। তাই উদ্ধারকারী দল ওই এলাকায় অনুসন্ধানে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
ভানুয়াতুর উপকূলে ফেরি ডুবে নিহত ১, নিখোঁজ ৩০
ভানুয়াতুর উপকূলে ফেরি ডুবে নিহত ১, নিখোঁজ ৩০
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর উপকূলে একটি ফেরি ডুবে অন্তত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দেশটির সরকার রোববার এ তথ্য জানিয়েছে। এমভি মাতুই নামের ফেরিটি শুক্রবার ভানুয়াতুর সান্তো দ্বীপ থেকে আম্বায়ে দ্বীপের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। ফেরিতে ৪০ জনের বেশি যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। যাত্রার সময় সমুদ্র ছিল অত্যন্ত উত্তাল। তবে গন্তব্যে পৌঁছায়নি ফেরিটি। ভানুয়াতুর প্রধানমন্ত্রী জোথাম নাপাতের কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা ও
প্রার্থনা রইল। উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ সরকার জানিয়েছে, ফেরিতে থাকা ১৫ জন জীবিত রয়েছেন এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ৩০ জনের বেশি মানুষ এখনও সমুদ্রে নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনার পেছনে কোনো ধরনের অবহেলা ছিল কি-না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রবল বাতাস এবং সমুদ্রপথে জারি করা সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফেরিটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বা মালামাল তোলা
হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিউ ক্যালেডোনিয়ার নুমেয়া-ভিত্তিক মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার জানিয়েছে, তারা উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছে। রোববার সকালে ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিমানও অনুসন্ধান অভিযানে যুক্ত করা হয়। কেন্দ্রটি জানিয়েছে, রোববার সকালে ১২ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করা লুগানভিলের সংসদ সদস্য মাতাই সেরেমাইয়া জানিয়েছেন, স্রোতের টানে জীবিতদের অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের দিকে সরে যেতে পারে। তাই উদ্ধারকারী দল ওই এলাকায় অনুসন্ধানে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত