Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীর অভিবাসন বেড়েছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিকের বিদেশে কর্মসংস্থান বেড়েছে। ২০২২ সালে বিদেশে দক্ষ কর্মী গিয়েছিল ২ দশমিক ৫২ লাখ, চলতি বছর সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৮ লাখ। সেই হিসাবে চলতি বছর দক্ষ শ্রমিকের অভিবাসন বেড়েছে ২২ শতাংশ। অন্যদিকে স্বল্প-দক্ষ (অদক্ষ হিসেবে পরিচিত) কর্মী অভিবাসনের হার গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ২৩ শতাংশ কমেছে।

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ (বিএমইটি) ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ রেকর্ড ১২ দশমিক ৪৬ লাখ কর্মী বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে দক্ষ কর্মী অভিবাসনের হার ছিল প্রায় ২৫ শতাংশ এবং অদক্ষ শ্রমিক প্রায় ৫০ শতাংশ। আগের বছর গেছেন ১১ দশমিক ৩৫ লাখ। চলতি বছর চিকিৎসক, নার্স, ইঞ্জিনিয়ার, আইটি বিশেষজ্ঞসহ ৫০ হাজার ১৫৮ জন পেশাদারও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে গেছেন, আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৬৪০ জন।

কর্মী নিয়োগকারীদের তথ্য মতে, কর্মসংস্থানের জন্য সবচেয়ে বেশি বিদেশে গেছেন ড্রাইভার, কেয়ারগিভার, গৃহকর্মী, আতিথেয়তা কর্মী, ইলেকট্রিশিয়ান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল সুপারভাইজার; রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনার, প্লাম্বিং ও পাইপ ফিটিং এবং সাধারণ বৈদ্যুতিক কর্মী। বিশেষজ্ঞরা এবং নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এই অগ্রগতি সত্ত্বেও বিশ্ববাজারের দক্ষ কর্মীর চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ হিমশিম খাচ্ছে, কারণ দেশের অর্ধেক শ্রমশক্তিই অদক্ষ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে স্বল্প বেতনের শ্রমের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে ধরা হয়। এ কারণেই ফিলিপাইন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ কর্মীপ্রতি কম রেমিট্যান্স পায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অদক্ষ বাংলাদেশিদের অভিবাসন বেশি হওয়ার মূল কারণ তৃণমূল পর্যায়ে ঠিকমতো কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করতে না পারা, মধ্যপ্রাচ্যে অদক্ষ শ্রমিকদের বড় চাহিদা এবং স্থানীয় শিল্পগুলোয় প্রচুর প্রশিক্ষিত কর্মীর কর্মসংস্থান।

দেশে বিএমইটির অধীনে ১১০টির মধ্যে ৭০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পুরোদমে চালু থাকলেও প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা মোট শ্রম অভিবাসীদের তুলনায় ১০ শতাংশের বেশি নয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে পর্যাপ্ত সমন্বয় না থাকায় দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা-সরবরাহে অসামঞ্জস্য রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের জন্য বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যাপ্ত ও পূর্ণ সজ্জিত নয়। তবে প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে ৪০টি প্রকল্প চলমান আছে।

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বড় উদ্যোগ নেই : অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা রোজানা রশীদ বলেন, বাজার অনুযায়ী দক্ষ কর্মী তৈরি করতে আমরা পারিনি। সেজন্য বড় দাগে কোনো উদ্যোগ আমি দেখি না।

তিনি আরো বলেন, কয়েক বছর ধরে নতুন বাজার অনুসন্ধানের কথা বলা হচ্ছিল। কিন্তু ভালো বাজারে ওইভাবে এক্সপ্লোর করা হচ্ছে না। দালাল বা সিন্ডিকেট যেসব মার্কেটে অপারেট করে, সেখানেই সবাই যায়। বিদ্যমান বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা রয়েছে। এসব কারণে আমরা অদক্ষ কর্মী থেকে ফিরে আসতে পারছি না।

তিনি বলেন, ঘরোয়া কাজের জন্য যারা যায়, তাদের আমরা দক্ষ ক্যাটাগরিতে ফেলে দিই। এ কারণে হয়তো দক্ষ কর্মীর সংখ্যাগত বড় পার্থক্য হয়ে যায়। কিন্তু সার্বিকভাবে আমাদের দক্ষতার মাত্রা বাড়েনি।

জনশক্তির বড় অংশই প্রশিক্ষণের বাইরে : বিএমইটি কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রায় ১১ দশমিক ৩৭ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠিয়েছিল। কিন্তু ওই বছরে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সংক্ষিপ্ত কোর্সের অধীনে মাত্র ১ দশমিক ২০ লাখ লোক প্রশিক্ষণ পেয়েছে। কিন্তু সেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কতজন ওই বছরেই বিদেশে গেছেন, তা জানে না কর্তৃপক্ষ।

বিএমইটির পরিচালক (ট্রেনিং অপারেশন) মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, যারা ট্রেনিং নেয়, তাদের অনেকে বছরখানেক দেশে কাজ করে থাকে। তারপর সুযোগ বুঝে বিদেশে যায়। তবে আমাদের কাছে এই ডেটা থাকে না যে তারা কতজন বিদেশে গেল।

কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগে আমরা সর্বোচ্চ ৪০ হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণ দিতে পারতাম, যা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১ লাখ ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। নতুন উদ্বোধন হওয়া ৪০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পুরোদমে চালু করা যায়নি। এগুলো চালু হলে আরো বেশি মানুষকে প্রশিক্ষণ দিতে পারব। এই কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো মধ্যম পর্যায়ের সুপারভাইজার, রেফ্রিজারেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং সাধারণ ইলেকট্রিশিয়ানসহ শীর্ষ ৫৫টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেয়।

বড় বাধা ভাষাগত দক্ষতা : প্রায়ই বিভিন্ন দেশ ডাক্তার, নার্স, হোমকেয়ার, এল্ডারলি কেয়ার ইত্যাদি পেশাগত দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর প্রস্তাব আসে। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রেও ভাষাগত সমস্যা রয়েছে। চলতি বছর যুক্তরাজ্যে ৫ হাজার ৩০০ জন নারী কেয়ারগিভার পাঠানো হয়েছে। তাদের অধিকাংশের ভাষাগত দক্ষতা এবং কারিগরি জ্ঞান খুবই কম। এদের অনেকেরই এখন চাকরি নাই, খুব কষ্টে আছে।

চলতি বছর প্রকাশিত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি গবেষণার তথ্য বলে, প্রায় ৫২ শতাংশ বাংলাদেশি অভিবাসী ভাষাগত দক্ষতা না থাকার মতো দুর্বলতার কারণে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য, আশ্রয় না পাওয়ার পাশাপাশি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

কৃষি, আতিথেয়তা ও উৎপাদন খাতে ইতালি বাংলাদেশ ১৬ হাজার ২৯৭ জন কর্মী নিয়েছে, যা এক বছরে দেশটির জন্য রেকর্ড। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যও এ বছর রেকর্ড ৯ হাজার ৪২৭ জন কর্মী নিয়োগ করেছে। দেশটি মূলত কেয়ারগিভার, গৃহকর্মী ও আতিথেয়তা কর্মী নিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরেও এ বছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী গেছেন।

 


আরও খবর



ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  রিপোর্ট:


ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, অভিবাসনের সঙ্গে সঙ্গে দিন দিন ঢাকায় ভূমিকম্পসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।



শনিবার (১ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সেমিনার অন আর্থকোয়েক রেজিলিয়েন্স’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি।



মন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্প সহনীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং ভূমিকম্প সহনশীল নগরায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার এবং জনগণ সবাইকে একসঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে। সরকারের একার পক্ষে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।


 ভূমিকম্প সহনীয় নগরায়নে সমাজের প্রত্যেক স্তরের অংশীজনকে সম্পৃক্ত হতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।


দ্রুত নগরায়ন, নির্মাণ নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং নৈতিকতার অভাবের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের সব জেলা শহর ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবে শহরের উন্মুক্ত স্থানসমূহ বেদখল হয়ে যাচ্ছে।


 ঢাকার দ্রুত বৃদ্ধি এবং অভিবাসনের ফলে ভূমিকম্প এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপদের ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে বলে জানান তিনি।


মন্ত্রী আরও বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাসের জন্য বিল্ডিং কোডের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন, তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে অবকাঠামোগত নকশা পরীক্ষা ও পরিদর্শন এবং গুণগত ও নিরাপদ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে।


 এ জন্য সরকার, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাই মিলে একটি উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।


অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি তার বক্তব্যে সেমিনার থেকে প্রাপ্ত পরামর্শ ও দিকনির্দেশনাসমূহ ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সব জেলা ও উপজেলা শহরে প্রয়োগের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।


রাজউক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নবিরুল ইসলাম।


এ ছাড়া গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মো. শামীম আখতার, স্থাপত্য অধিদফতরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুরুর রহমান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ পুলিশ, বিশ্বব্যাংক, ইউএসএআইডি, জাইকা, এডিবি, আইইবি, বিআইপি,  আইডিইবির প্রতিনিধিসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ভারতে নির্বাচন ঘিরে গুজবের ছড়াছড়ি, ফলাফলের অপেক্ষায় জনগণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



সিনিয়র প্রতিবেদক:


ভারতের জাতীয় নির্বাচন শুরু হয় ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা এই নির্বাচন ছিল অন্য যেকোনো বারের তুলনায় অন্যরকম। 


ঘাত-প্রতিঘাত, সংঘাতের তথ্যও ছড়িয়েছিল বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে, অনলাইন, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া গুজব ছিল অন্য যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত। 


এ সবকিছু ছাপিয়ে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে দেশটির জনগণ। আগামীকাল মঙ্গলবার জানা যাবে, ভারতের নতুন ভাগ্য নির্মাতার নাম। খবর এএফপির।


ফরাসি সংবাদ সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতের নির্বাচন হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই নির্বাচন ঘিরে অনলাইনে অনেক মিথ্যা সংবাদ, তাৎক্ষণিক বার্তা, বিকৃত ভিডিও ও মনগড়া ক্যাপশনের পাশাপাশি অসংগতিপূর্ণ ছবি পোস্ট করা হয়।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইন্ডিয়া হেট ল্যাব সংস্থাটি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং গুজব নিয়ে গবেষণা করে থাকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ফ্যাক্ট চেকাররা ছয় সপ্তাহ ধরে সাত ধাপের ভোটদানের প্রক্রিয়াতে ৪০টিরও বেশি নির্বাচন সম্পর্কিত গুজব রটানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে, যা রাজনৈতিক বিভাজনকে বাড়িয়ে তোলে। 



সংস্থাটির রকিব হামিদ নায়েক জানান, ভারতের এই নির্বাচনে নজিরবিহীন গুজব ছড়াতে দেখা গেছে। এমনকি, এসবের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে উসকে দেওয়ার মতো ষড়যন্ত্রও ছিল বলে দাবি করেন তিনি। 


নির্বাচন ঘিরে মিথ্যা ভিডিও তৈরি করে পোস্ট করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বলা হয়, ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বলিউড তারকারা বিরোধী দলগুলোকে সমর্থন করছে এবং একজন ব্যক্তি একাধিক ভোট প্রদান করছে। তবে, তা মিথ্যা।



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু-জাতীয়তাবাদী ঘরানার রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ভারতের ২০ কোটিরও বেশি সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও ভয় ও বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য সমালোচনার মুখে পড়ে।



 ভিডিওগুলোতে বেশিরভাগ মোদির নিজের বলা উসকানিমূলক বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যায়। যেখানে বলা হয়, বিরোধীদলগুলো, বিশেষ করে কংগ্রেস মুসলমানদের পক্ষে ভারতের সম্পদ বিতরণ করার পরিকল্পনা করছে।



ইন্ডিয়া হেট ল্যাবের রকিব হামিদ নায়েক বলেন, এই ধরনের পোস্টের উদ্দেশ হলো—ধর্মীয় ভিত্তিতে ভোটারদের মেরুকরণ করা এবং মুসলমানদের প্রতি অন্যদের ভয় ও শত্রুতা সৃষ্টি করা। 


ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনে জয় লাভের জন্য ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগানোর কৌশল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কেবল দুর্বলই করেনি, সমাজে বিভাজন ও ঘৃণার বিপজ্জনক বীজও বপন করছে।


নির্বাচনে প্রথম থেকে রাজনৈতিক প্রচারণায় গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর পিছনে প্রধান লক্ষ্য ছিলেন বিরোধী কংগ্রেস দলের নেতা রাহুল গান্ধী। তার বক্তব্য, ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হতো অসম্পূর্ণ বা অপ্রাসঙ্গিক উপায়ে। 



আবার অনেক লেখায় দেখা যায়, রাহুল গান্ধী জনগণকে মোদিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, যা ছিল মিথ্যা তথ্য ও গুজব।গুজবের আরও কিছু উদাহরণের মধ্যে ছিল ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে ভারতের সদ্ভাব হওয়া।


এ সময় একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হিন্দু মন্দিরের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দাবি করা হয় মন্দিরটি ধ্বংসের জন্য রাহুল গান্ধী দায়ী, যা মূলত পাকিস্তানের একটি মন্দিরের ছবি ছিল।



আরও খবর



শিশুসাহিত্যে প্রেরণা পদক পেলেন পলাশ মাহবুব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক পেয়েছেন জনপ্রিয় লেখক, নির্মাতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক পলাশ মাহবুব। শিশুসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা ও পরিবেশ রক্ষায় অবদানের ওপর ভিত্তি করে ২০২৮ সাল থেকে আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর দুটি প্রতিষ্ঠান এবং তিনজন ব্যক্তিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

পলাশ মাহবুব যখন ছড়া লেখেন, তাঁর ছড়ায় একটি বক্তব্য থাকে। তিনি যা বলতে চান, তা স্পষ্ট বোঝা যায়। সে ছড়ায় হাস্যরস থাকে। সে ছড়ায় ছড়ার উপাদান থাকে। তিনি যখন গল্প লেখেন, সে গল্পের ভেতরে একটি গল্প থাকে। তিনি যে উপন্যাস লেখেন, তার শক্ত গাঁথুনি থাকে। দীর্ঘ কাহিনী বলে খেই হারায় না।

নিজের কাজের জন্যেই তিনি গণমাধ্যমে পরিচিত মুখ দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কাজ করছেন সাহিত্য ও সাংবাদিকতার বিভিন্ন শাখায়। ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেছেন গণমাধ্যমের পরিচিত মুখ।

তিনি কিশোর উপন্যাসের সিরিজ যেমন রচনা করেছেন, ছড়া লিখে বাংলাদেশ ও ভারত থেকে পেয়েছেন সম্মানজনক পুরষ্কার। সম্প্রতি এ লেখক অর্জন করেছেন- আরটিভি-এসএমসি মনিমিক্স প্রেরণা পদক। শিশুসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউএসএআইডি/বাংলাদেশ এর মিশন ডিরেক্টর রিড এশলিম্যান, আরটিভির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি, আরটিভির সিইও সৈয়দ আশিক রহমানসহ অনেকে।

সাম্প্রতিক সময়ে তার লেখা প্রবচন পমার বচন তুমুল পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। লেখালেখির জন্য পলাশ মাহবুব পেয়েছেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমী শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ইউনিসেফ মীনা এওয়ার্ড, নাট্যসভা পদক, পশ্চিমবঙ্গের অন্নদাশঙ্কর রায় শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ বেশ কিছু পুরস্কার। তিনি বর্তমানে কাজ করছেন শিশুদের নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ-এ যে প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তুমুল জনপ্রিয় সিসিমপুর অনুষ্ঠানের নির্মাতা। এছাড়াও পলাশ মাহবুব ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) মিডিয়া স্টাডিজ ও জার্নালিজম বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক।


আরও খবর

ভালো থাকুক পৃথিবীর সব মা

রবিবার ১২ মে ২০২৪




নোবিপ্রবিতে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রতিভা অন্বেষণ বিষয়ক সেমিনার ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

মোঃ সিনান তালুকদার; নোবিপ্রবি প্রতিনিধি :

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) কৃষি যন্ত্রপাতি প্রতিভা অন্বেষণ বিষয়ক সেমিনার ও কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ বুধবার (০৫ জুন ২০২৪)  বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম।


নোবিপ্রবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আতিকুর রহমান ভূঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বিপ্লব মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আনিসুজ্জামান। কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কাওসার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কী-নোট স্পীকার হিসেবে ছিলেন বিএআরআই এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ নুরুল আমিন।এছাড়া অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক ড. গাজী মোঃ মহসিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষি যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন ও আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের উদ্ভাবিত বেশ কিছু যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের কৃষিকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। যেমন- ড্রোন দিয়ে ফার্টিলাইজেশন, পোকামাকড় দমন ইত্যাদি। নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকগণের প্রচেষ্টায়  বিশ্ববিদ্যালয়  এগিয়ে যাবে এই কামনা করছি। সকলকে ধন্যবাদ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।


এসময় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রকল্প কর্তৃক উদ্ভাবিত বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতির কার্যাবলী তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) কৃষি যন্ত্রপাতি ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন ব্যবস্থাকে অধিকতর লাভজনক করা (এফএমডি) প্রকল্পের অর্থায়নে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। পরে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম  বিশ্ববিদ্যালয়  চত্বরে অনুষ্ঠিত কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শনী মেলা ঘুরে দেখেন।


আরও খবর



তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান হলেন যারা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ৮৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। 


বুধবার (২৯ মে) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। 


সাতক্ষীরা:


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়ায় চেয়ারম্যান পদে মশিউর রহমান বাবু ও আমিনুল ইসলাম লাল্টু বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার (২৯ মে) রাতে স্ব স্ব উপজেলা রির্টানিং অফিস থেকে বেসরকারীভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। 


বেসরকারীভাবে নির্বাচিতদের মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী মশিউর রহমান বাবু ৩১ হাজার ১৯৬ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। 


তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থী অঅওয়ামীলীগ নেতা এস.এম শওকত হোসেন পেয়েছেন ২৩ হাজার ৪২ ভোট। এ উপজেলায় আগে থেকেই বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন শামস ইশতিয়াক শোভন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কহিনুর ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।


এদিকে, কলারোয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতিকের প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম লাল্টু ৪৭ হাজার ৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে দ্বিতীয় বারের ন্যায় নির্বাচিত হয়েছেন। 



তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থী আলতাফ হোসেন লাল্টু পেয়েছেন ৪২ হাজার ৭৪১ ভোট। এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন ইমরান হোসেন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সেলিনা আনোয়ার ময়না নির্বাচিত হয়েছেন।


ফরিদপুর:


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও সদরপুর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সদরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম।


 আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৩৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫০৮ ভোট।


অন্যদিকে, ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে কাওসার ভুইয়া বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াত কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৮৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপসমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মোখলেছুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৩০ ভোট।


নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে নীলফামারী সদর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুজার রহমান। 


আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৫৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান দীপক চন্দ্র চক্রবর্তী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৪৬ ভোট।


বুধবার (২৯ মে) রাতে ভোট গণনা শেষে নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া:


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও আশুগঞ্জ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাঞ্ছারামপুরে তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। ঘোড়া প্রতীকে তিনি ৮২ হাজার ৮১৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। 


তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুল ইসলাম তুষার আনারস প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ১৬২।


অন্যদিকে, আশুগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মো. জিয়াউল করিম খাঁন সাজু। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ২৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৩৪০ ভোট।


রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেসমিন সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, এই ফলাফল বেসরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। কোনো উপজেলাতেই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। 




খাগড়াছড়ি :


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহালছড়ি উপজেলায় বিমল কান্তি চাকমা কাপ পিরিচ প্রতীক ১০ হাজার ১৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) প্রার্থী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংজরী চৌধুরী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ৮৫২ ভোট।  


ভোট গণনা শেষে রাতে বেসরকারীভাবে নির্বাচিতদের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা রাজু আহমেদ। 


রাঙামাটি:


ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে রাঙামাটির লংগদু ও নানিয়ারচর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে লংগদু উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল দাশ বাবু বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকারকে চার হাজার ১৬০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। 


মোট ২৩টি ভোটকেন্দ্রে আনারস প্রতীকে বাবুল দাশ বাবু পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৮৬ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুল বারেক সরকার ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৮২৬ ভোট। 


অন্যদিকে, নানিয়ারচর উপজেলার ১৪টি ভোটকেন্দ্রের সবকয়টির ফলাফলে ৬ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আনারস প্রতীকের অমর জীবন চাকমা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী জ্যোতিলাল চাকমা পেয়েছেন ৪ হাজার ১৬২ ভোট।


আরও খবর