Logo
শিরোনাম
নওগাঁয় চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ জন আটক দ্বিতীয় বার আইজিপি পদক পেলেন রাঙ্গাবালী থানার ওসি হেলাল উদ্দিন অপহরণের ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই কিশোরী উদ্ধার সহ অভিযুক্ত যুবক আটক বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত

বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

ছুটির দিনটিতে মেলায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। বেলা গড়াতেই যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই মেলায়।

শুরুতে সকালের দিকে দর্শনার্থী কিছুটা কম থাকলেও বেলা গড়াতেই জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণ। কেনাবেচাও হয়েছে গত কয়েক দিনের তুলনায় বেশি।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে, মেলার অভ্যন্তরীণ প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলো কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। দেশীয় পোশাক, হস্তশিল্পজাত পণ্য, সাজসজ্জার সামগ্রী, পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক, মেলামিন, আসবাব ও কার্পেটসহ গৃহসজ্জার বিভিন্ন সরঞ্জাম, ব্যাগ-জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ইলেকট্রনিক পণ্য, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ ও ইমিটেশন জুয়েলারি পণ্যের স্টলের সামনে ক্রেতাদের বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ব্লেজারসহ অন্যান্য শীতের কাপড়ে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ছাড়। এর ফলে বেড়েছে কেনাবেচা।

দর্শনার্থীরা বলছেন, মেলার সরকারি ছুটির দিন থাকায় লোকজন বেশি। ভিড় ঠেলে কেনাকাটা করতে হয়েছে। তবে সব কিছু একসঙ্গে পেয়ে ভালো লাগছে। মেলা ঘুরতে আসা একজন বলেন, একটু দূরে হওয়ায় মেলায় আসতে অসুবিধা হয়েছে। তবে মেলায় আসার পর পণ্য দেখে ও কম দামে কিনতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

বাণিজ্য মেলার পরিচালক ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সকাল ১০টা থেকে মেলা শুরু হয়েছে। মেলার আর্চওয়ের হিসেবে এমনিতে মেলায় প্রতিদিন ক্রেতা ও দর্শনার্থী সংখ্যা থাকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মতো। তবে আজকে (শুক্রবার) রেকর্ড পরিমাণ দর্শনার্থী হয়েছে। মেলায় এখন পর্যন্ত (বিকেল ৪টা) ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি কয়েক গুণ ছাড়িয়েছে।


আরও খবর



নওগাঁয় চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ জন আটক

প্রকাশিত:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় অটোভ্যান চুরির সাথে জড়ীত আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ জন সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই একটি অটোভ্যান উদ্ধার ও চোরাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। শনিবার বিকেল ৩ টারদিকে নওগাঁর মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন চোর চক্রের সদস্যদের আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মহাদেবপুর থানার অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত চৌকশ পুলিশ টিম শুক্রবার দিবাগত রাতে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা অটোভ্যান চোর দলের সক্রিয় সদস্য বদলগাছী উপজেলা কুশারমুড়ি গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে আব্দুল হাকিম (৫৩), তার ছেলে আশিকুর রহমান (২১) ও পত্নীতলা উপজেলার মধইল বটতলা গ্রামের হাসু মন্ডলের ছেলে, বর্তমানে বদলগাছীর বালুভরা দোনাইল গ্রামের আবুল হোসেন (৪৭) কে আটক করেন। অভিযান কালে আটককৃতদের কাছ থেকে একটি চোরাই অটোভ্যান উদ্ধার ও চোরাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় বলেও জানান অফিসার ইনচার্জ। উল্লেখ্য যে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারী বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চাঁন্দাশ ইউপির বাগডোব বাজার মসজিদের কাছ থেকে অটো চার্জার ভ্যান চুরি হয়। এ বিষয়ে রামচরণপুর গ্রামের মৃত মজিদুর মন্ডলের ছেলে এলিছ মন্ডল আজ্ঞাতনামা আসামী করে মহাদেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। 


আরও খবর



রমজান মাসে খোলা থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে পবিত্র রমজানের প্রথম ১৫ দিন ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। আগামী ১১ মার্চ ২০২৪ থেকে ২৫ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

২০২৪ সালের ১১ অথবা ১২ মার্চ বাংলাদেশ রোজা শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় প্রতিষ্ঠান প্রধানের তিন দিনের সংরক্ষিত ছুটিসহ বিভিন্ন দিবস উপলক্ষ্যে মোট ৭১ দিন বন্ধ থাকবে।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, জাতীয় শিশু দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ইস্টার সানডেসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ছুটির সমন্বয়ে টানা এক মাসের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি থাকবে। এ ছুটি শুরু হবে ১০ মার্চ থেকে চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।

আজ ছুটির সেই তালিকায় সংশোধনী আনা হলো। সংশোধনী অনুযায়ী ১১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাত দিন এবং দুর্গাপূজা ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে সাত দিনের ছুটি থাকবে। তাছাড়া বছরের শেষে ১৭ ডিসেম্বর থেকে শীতকালীন ও বড়দিন উপলক্ষ্যে ১১ দিনের ছুটি চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।


আরও খবর



মার্চ থেকেই বাড়তে পারে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

রোকসানা মনোয়ার :  মার্চ মাসে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম আরেক দফায় বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। এ দফায় বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ বাড়তে পারে। অন্যদিকে গ্যাসের দাম বাড়বে শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহের ক্ষেত্রে; আবাসিক, বাণিজ্যিক বা শিল্প খাতে নয়। এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে খরচের ভারে কাবু সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে এর প্রভাব পড়বে সব খাতেই। ফলে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে আরও বাড়তি চাপ পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের হাতে এ মূহূর্তে দাম বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। বিদ্যুৎ ক্রয় আর বিক্রয়ের মধ্যে ব্যবধান বেশি হওয়ায় ব্যাপক ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সরকারকে। সেই ভর্তুকি কমাতেই এ সিদ্ধান্ত। সরকারের তরফে তাই একে দাম বৃদ্ধি না বলে বলা হচ্ছে দাম সমন্বয়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়তে পারে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য যে কয়লা আমদানি করতে হয় সেই কয়লার দাম এক সময় ছিল প্রতি টন ৭০ ডলার। সেটা এখন ১৩০ ডলার দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া আগে ডলারের রেট ছিল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। অথচ এখন রেট ১২০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে। এদিকে আগে যে পরিমাণ কয়লা আমদানি করা হতো, এখনো সেই একই পরিমাণ কয়লা আমদানি করতে হচ্ছে। ফলে সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের উৎপাদন এবং বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে বিস্তর ফারাক তৈরি হয়েছে। যার কারণে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। মার্চের মধ্যেই এ সমন্বয় হবে বলে তিনি মনে করছেন। আর গ্যাসের ক্ষেত্রে শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহকৃত অংশের দাম সমন্বয় করা হবে বলে তিনি জানান।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুতের ৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ, যে কোনো দিন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এবারও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) পাশ কাটিয়ে নির্বাহী আদেশে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে দাম বাড়ানো হলে তা হবে গত ১৪ বছরে ১৩তম দফায় গ্রাহক পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন করে দাম নির্ধারণ করা হলে সেটা মার্চের প্রথম সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন হবে।

সর্বশেষ গত বছরের ৩০ জানুয়ারি ৫ শতাংশ খুচরা এবং পাইকারি পর্যায়ে ৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এক বছরে মাত্র ১৮ দিন আগে ১২ জানুয়ারি খুচরা পর্যায়ে ৫ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এ ছাড়া এক দফা বাড়ানো হয়েছে গ্যাসের দাম। এর আগে ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর পাইকারি বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। সে সময় বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়ানো হয়। ইউনিট প্রতি ৫ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। যা ২০২২ সালের বিল ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যকর করা হয়।

সর্বশেষ দুই দফায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা দাম বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ফিডার ভেদে সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এরই মধ্যে ১৭ জানুয়ারি শিল্প কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহকৃত গ্যাসের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ থেকে ১৭৯ শতাংশ পর্যন্ত। দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মানুষের জীবনযাত্রার ওপর প্রচ- চাপ তৈরি করছে।

সাধারণ মানুষ কিভাবে বর্ধিত বিদ্যুৎ বিলের চাপ সামলাবে? এমন প্রশ্নে বিদ্যুৎ বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের কাছে বিকল্প কোনো উপায় নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বিক্রির মধ্যে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিতরণ কোম্পানিগুলো লোকসান করছে গত কয়েক মাস ধরে। বিদ্যুৎ ক্রয় এবং বিক্রয়ের মধ্যে ব্যবধান বেশি হওয়ায় লোকসান বাড়ছে অনেক বেশি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের শুধুু অবকাঠামো আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সব ধরনের উপকরণ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কয়লা, গ্যাস, জ্বালানি  তেল সবই আমদানিনির্ভর। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে করোনাকাল থেকে। এরপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চরম অস্থিতিশীল জ্বালানির বাজার। বেশি দামে জ্বালানি  পণ্য আমদানি করতে হয়েছে। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার পতন বড় বেশি লোকসানে ফেলেছে। আমদানি ব্যয় লাগামহীন বেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, আইএমএফ-এর ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রেও পরার্মশ রয়েছে, ভর্তুকি তুলে দেওয়ার।

ওই কর্মকর্তা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ বছর গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ডলার সংকটে চাহিদা অনুযায়ী তেল, গ্যাস, কয়লা আমদানি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহকৃত গ্যাসের দাম ১৪ টাকা। সেটা অন্তত আরও ২০ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। তবে দেশে গ্যাসের যে সরবরাহ ও চাহিদা তার ৬০ শতাংশই ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে। তবে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না পেট্রোবাংলা।

এদিকে একাধিক বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে লোকসানে বিদ্যুৎ বিক্রি করায় প্রতিমাসে শত কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) এর একজন জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, বাল্ক পর্যায়ে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রি করায় প্রতিমাসে ১০০ কোটি টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে কোম্পানিটিকে। শুধু ডিপিডিসি নয়, সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাই লোকসানে আছে বলে জানা যায় বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে।

গত বছরের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৪ টাকা ১৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৩৫, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৮৫ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীর ৬ টাকা ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীর ৬ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৯৫ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৯৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৩৪ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৫১ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১৩ টাকা ২৬ পয়সা করা হয়েছে।

আবাসিক গ্রাহক ছাড়াও বেড়েছিল সব ধরনের বিদ্যুতের দাম। এর মধ্যে কৃষি, ধর্মীয়, দাতব্য, হাসপাতাল, রাস্তার বাতি, পানির পাম্প, ক্ষুদ্রশিল্প, শিল্প, বাণিজ্য, ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। শুধু বিদ্যুতের দাম নয় সরকারের নির্বাহী আদেশে এক দফা বাড়িয়েছে গ্যাসের দামও। গত বছরই তিন দফায় গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা দাম বাড়ানো হয়েছিল প্রায় ১৬ শতাংশ, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ফিডার ভেদে সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। গত বছর ১৭ জানুয়ারি শিল্প কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সরবরাহকৃত গ্যাসের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ থেকে ১৭৯ শতাংশ পর্যন্ত।


আরও খবর



গজারিয়ায় নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযানে ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ 2০২4 |

Image

গজারিয়া প্রতিনিধি: 

গজারিয়ায় মেঘনা নদীর সীমানাবর্তী ফুলদী নদীর চর সাহেবানী, মাথাভাঙ্গা, রসুলপুর এবং ইমামপুর মৌজার এলাকা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নদীর তীরে রসুলপুর  এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ১টি কমার্শিয়াল বিল্ডিং ভাড়ায় চালিত দোতলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর অফিস সহ প্রায় ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

গত (৭ ফেব্রুয়ারী) বুধবার সকালে ১০ টা থেকে  বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তারের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় অভিযান শেষ হয়। অভিযানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র মেঘনাঘাট নদীবন্দরের উপ-পরিচালক শরীফুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

রসুলপুর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সময় ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খাঁন জিতু"র একটি কমার্শিয়াল বিল্ডিং উচ্ছেদ করা হয়। 

এসময় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু বিআইডব্লিউটিএ’র কর্তৃপক্ষ সিএস রেকর্ড এবং যৌথ জরিপে তারা তাদের অভিযান পরিচালনা করছে তাই আমি নিজে কর্তৃপক্ষ কে অভিযান কাজে সহায়তা করছি।

রসুলপুর বাজারে নিজ দায়িত্বে ছোট ছোট অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাম্মৎ তাসলিমা আক্তার বলেন, আমরা শুধু মেঘনা নদী নয় সমস্ত নদীর চারপাশে যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো উচ্ছেদ করছি। আজকে আমাদের অভিযান সকাল থেকে এই পর্যন্ত প্রায় বিশ টির অধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এবং বিকাল পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরবর্তীতে আগামী সপ্তাহে আমরা এখানে আসব আর প্রতিদিনই আমাদের কোথাও না কোথাও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে থাকি।  

তিনি আরো বলেন পৈত্রিক সম্পত্তি হলে তাদের রেকর্ডের নাম থাকতো। আমরা এখানে সিএস রেকর্ড অনুযায়ী যৌথ জরিপের মাধ্যমে আমাদের নদীর সেই সীমানার পিলার অনেক আগেই এখানে স্থাপনা করে গিয়েছি।  এবং একাধিক বার তাদেরকে বলা হয়েছে এখানে অবৈধ স্থাপনা তৈরি না করার জন্য। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেননি দখলদাররা আইন অমান্য করে এই কাজটা করে থাকে। এখানেও বলা হয়েছে যার কারণে নিজ উদ্যোগে কিছু কিছু দোকানপাট তারা সরিয়ে নিয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের অভিযান সিএস রেকর্ড অনুযায়ী হচ্ছে সিএস রেকর্ড এর উপরে আর কোন রেকর্ড নেই। সিএস রেকর্ডে সবসময় লেখা আছে এটা নদীর জমি। 

তিনি আরো বলেন রাজনৈতিক ছত্রছায়া বলতে আমরা সবসময় অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকি তিনি যত শক্তিশালী হোক না কেন আমাদের অভিযান চলবে এবং অব্যাহত থাকবে। এবং আমি মনে করি প্রত্যেকের উচিত এগিয়ে আসা সরকারি কাজে সাহায্য করতে। তবেই আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই নদীর যে প্রবাহমান গতির দ্বারা সেটা অব্যাহত রাখা।


আরও খবর



যেকোনো সময় বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ |

Image

যেকোনো সময় বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা হতে পারে। আগামী মার্চ থেকে ৭ থেকে ৮ শতাংশ হারে দাম বাড়তে পারে বলে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারে বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন ধরেই আলোচনা চলছে। সরকারের নীতি নির্ধারকরদের থেকেও দাম বৃদ্ধির আভাস এসেছে। এবারের বিদ্যুতের দাম বাড়ানোকে মূল্যবৃদ্ধি না বলে ডলারের মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইকারি পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। তবে ভোক্তাদের ওপর যাতে খুব বেশি প্রভাব না পড়ে, সেভাবেই বাড়ানো হবে দাম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী তিনটি স্তরে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ হবে। মাসে ২০০ ইউনিটের কম ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিটে ৩০ পয়সা বাড়বে। মাসে ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীদের, প্রতি ইউনিটে ৭০ থেকে ৮০ পয়সা বেশি দিতে হবে।

বর্তমান সরকারের ১৫ বছরের মেয়াদে গ্রাহক পর্যায়ে এ পর্যন্ত ১৩ বার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। এছাড়া পাইকারি পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে ১২ বার।

আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গণশুনানির মাধ্যমে স্টেক হোল্ডারদের মতামত নিয়ে দাম বাড়ালেও গত বছরের জানুয়ারি থেকে দাম বাড়ানো হচ্ছে সরকারের নির্বাহী আদেশে। সর্বশেষ গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পাঁচ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়, যা ওই বছরের মার্চ থেকে কার্যকর হয়। ওই সময় খুচরা পর্যায়ে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ১৪ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ৪ টাকা ৩৫ পয়সা। শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর (প্রথম ধাপ) ক্ষেত্রে ৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বেড়ে হয় ৪ টাকা ৮৫ পয়সা।

এছাড়াও ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের (দ্বিতীয় ধাপ) ক্ষেত্রে ৬ টাকা ৩১ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৬৩ পয়সা, ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের (তৃতীয় ধাপ) ৬ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৯৫ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের (চতুর্থ ধাপ) জন্য ৬ টাকা ৯৯ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ টাকা ৩৪ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের (পঞ্চম ধাপ) জন্য ১০ টাকা ৯৬ পয়সা থেকে বেড়ে ১১ টাকা ৫১ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের (ষষ্ঠ ধাপ) ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকের বিল ১২ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১৩ টাকা ২৬ পয়সা করা হয়।


আরও খবর