Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

বড়গোপালদী মাধ্যামিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ধোধন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা (পটুয়াখালী) :

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের বড়গোপালদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সোমবার সকাল ১০ টায় তিন দিন ব্যাপি ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ধোধন করা হয়। 

বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভপতি মোঃ আবু হানিফ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ধোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা এমপি। 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ, পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সামছুন্নাহার খান ডলি, পটুয়াখালী জেলা পরিষদ সদস্য গাজী মিজান, বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান ঝন্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাবু গৌতম রায়,  বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারি শিক্ষক -শিক্ষিকা, অভিভাবক ও ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থী গন।

তিন দিন ব্যাপি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ধোধনে কোরআন থেকে তেলোয়াত, গীতা পাঠ,  জাতীয় সঙ্গীতের সূরে জাতীয় ও ক্রীড়া পতাকা উত্তোলন,  শপথ বাক্য পাঠ, ক্রীড়া মশাল প্রদক্ষিণ করা হয়।

প্রধান অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা এমপি বলেন সুস্থ দেহ,  সুস্থ মন ও সুঠম দেহ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নাই। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষক- শিক্ষিকাদের শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পাশাপাশি  ক্রীড়ার মানউন্নয়নে নজর দেয়ার আহবান জানান।


আরও খবর



নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, খাদ্য ও সুপেয় পানি শঙ্কটে এলাকাবাসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:



ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান জানান, এরই মধ্যে জেলার কলমাকান্দায় উব্ধাখালি নদীর পানি বেড়ে উপজেলা সদর, বড়খাপন, পোগলা ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় ঢুকেছে। 



এসব এলাকার বেশকিছু সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে জনসাধারণের চলাচলে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।


তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুকনো খাবার, আশ্রয়ণকেন্দ্র, উদ্ধারকারী দল, মেডিকেল টিমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানান ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান।


কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।



নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, উব্ধাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও সোমেশ্বরী, কংশ, ধনু ও মগড়াসহ সবকটি নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। এতে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।



 পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণ অব্যাহত থাকলে বসত ঘরে পানি উঠবে এবং সুপেয় পানি ও খাবার সংকট দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।



ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান জানান, এরই মধ্যে জেলার কলমাকান্দায় উব্ধাখালি নদীর পানি বেড়ে উপজেলা সদর, বড়খাপন, পোগলা ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় ঢুকেছে।



 এসব এলাকার বেশকিছু সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে জনসাধারণের চলাচলে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।


তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুকনো খাবার, আশ্রয়ণকেন্দ্র, উদ্ধারকারী দল, মেডিকেল টিমসহ সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানান ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান।


আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অক্ষত রাখা প্রসঙ্গে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী :

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, তাদের প্রজন্মের প্রতি সুস্থ সরকারের দায়, জনগণের দায় যুগ যুগ ধরেই থাকবে। এটা করুণা নয়, উচ্ছ্বাস কিংবা আতিশয্য নয়। দায় মুক্তির প্রচেষ্টা মাত্র। 

কোটা এই দায় মুক্তির সামান্য একটি অংশ মাত্র। এটা অনস্বীকার্য- কোটায় অনিয়ম হয়েছে, অবিবেচনা হয়েছে, এটির মিস ইউজ হয়েছে। সাংবিধানিক প্রক্রিয়াতেও ঘাটতি আছে।


 ১৯৭১  সালের পরে যারা বঙ্গবন্ধুর সরকারের উপর ভর করেছিল, রাজনীতির বিভাজন সৃষ্টি করেছিল। বিভাজনের কুফলকে সুফলে ভোগ করেছিল। আদালতের মাধ্যম দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছিল। ছয় দফা আন্দোলন সময় দুনিয়ার মজদুর নিয়ে কথা বলেছিল। শেখ মুজিবুর রহমানকে সন্দেহ করেছিল। ছয় দফায় পাকিস্তান ভাঙার ষড়যন্ত্র খুঁজেছিল। তারাও পরবর্তীতে কোন না কোন ভাবে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে । পরবর্তীতে সহকারী, সহযোগী, মুক্তিযোদ্ধা হয়ে এর বেনিফিট নেয়ার চেষ্টা করেছে। 

সময়ের সাথে অনেক কিছুর পরিবর্তন, সংযোজন, সংশ্লেষণ, বিশ্লেষণ, সংশোধন সময়েরই দাবি। বিশাল তারুণ্যের ইতিহাসের সংবেদনশীলতাকে পাশ কাটিয়ে, বৈশ্বিক নাগরিক হওয়ার প্রচেষ্টায় ইতিহাস বিমুখতা, ইতিহাসের নির্লিপ্ততা দুঃখজনক, দুর্ভাগ্যজনক। 

এটাও কমবেশি ভ্রান্ত, উদ্ভ্রান্ত কিংবা বহুধা বিভাজিত বিভিন্ন তান্ত্রিক রাজনীতির নিকট অতীত ও সমসাময়িক চরিত্র। এর প্রভাব কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তাড়িত করেছে, করছে।

তরুণ প্রজন্মের আশা থাকবে, আকাঙ্ক্ষা থাকবে, দাবি-দাওয়া থাকবে। তারা দাবী দাওয়া উত্থাপন করবে, তার স্বপক্ষে নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক আন্দোলন করবে, এটা গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। 

বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট অঙ্গন। 

দেশ স্বাধীনতার পরে ৫৩ বছর অতিক্রান্ত করেছে। অনেক কিছুই আধুনিক হয়েছে। রাজনীতি ও আন্দোলনের আধুনিকায়ন দরকার। তা কার্যত হয়নি।

দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অনুমোদন করে। 

আন্দোলনের বর্তমান প্রেক্ষিতে যে কোন নাগরিক বলতে পারে, 'আমার রাস্তা বন্ধ কেন?'

যোগাযোগ ব্যবস্থা, নাগরিক সুবিধা, ঘাট রাস্তাকে বন্ধ করে দিয়ে, জনগণের দুর্ভোগকে বাড়িয়ে দিয়ে সুযোগ-সুবিধার আন্দোলন, আন্দোলনের যৌক্তিকতাকে খাটো করে। 

এ আন্দোলন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গনে ঘটতে পারে ধারাবাহিকভাবে। কিন্তু তা যখন সাধারণের, জনগণের চলাচলে, জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায়, তখন তা বিতর্কের জন্ম দেয়। 

বিতর্কের জন্ম দেয় যখন হাজার বছরের কাঙ্খিত স্বাধীনতার  ঐতিহাসিক স্লোগানকে অসম্মানজনক বক্তব্যকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়। লাখো শহীদের নির্যাতন, রক্তদান, রক্ত গঙ্গার প্রবাহের বিসর্জনের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা তা কোন আন্দোলনের মাধ্যম দিয়েই উত্যক্ত কিংবা বিতর্কিত করার সুযোগ মুক্তিযুদ্ধের বিসর্জনের লাখো আত্মার প্রতি চরম অবমাননা।

'একজন একবার মুক্তিযোদ্ধা হলেই আজীবন মুক্তিযোদ্ধা নন'- এটি হুমায়ুন আজাদের কথা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রেরণা, অহংকার, অনুভূতি অনুসঙ্গকে ধারণ করেই, সম্মানজনক চর্চা করেই একজনকে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক সৈনিক হতে হয়।

 অন্যভাবে একজন একবার রাজাকার হলে বাস্তবে অথবা চেতনায় সে কিন্তু আজীবনই রাজাকার থেকে যায়। 'রাজাকার' একটি ভ্রান্ত চেতনার নাম। দেশপ্রেমহীন মুক্তিযুদ্ধের দূষকদের নাম। এদেশের সংহতি, সম্প্রীতি, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম ঘৃণা ও আঘাত করা একটি ভ্রান্ত ভাবনাগুচ্ছের নাম। 

 বিশেষ্য থেকে বিশেষণে রূপান্তরিত এই ভ্রান্ত অভিশপ্ত শব্দটি আন্দোলনের স্লোগান হতে পারেনা। তরুণ প্রজন্মের ভাবনা ও চেতনার উপকরণ, উপাদান হতে পারে না। 

মুক্তিযুদ্ধের অর্জনের মহাসড়কে অবস্থান করে, চেতনার বৈপরীতে উল্লাস, উদ্দীপনা, উন্মাদনার মাধ্যম দিয়ে আন্দোলনের নামে স্বাধীনতার অহংকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করা কোনভাবেই এদেশের যেকোনো আন্দোলনেরই অংশ অঙ্গ হতে পারে না। 

এতে অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়। অর্জনকে অস্বীকার করা হয়। লাখো শহীদের রক্তের প্রতি বিদ্বেষ এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। 


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের এই মুহূর্তে অনিবার্য অনুসন্ধান। যারা  স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধুর সনদ ছিঁড়ে ফেলে উল্লাস করে বঙ্গবন্ধুকেই বিতর্কিত করে রাজনীতিতে ভ্রান্তির বিষ বাষ্প ছড়িয়েছিল মনে করা হয়, তারা ভিন্ন কথা বলে। যাদের সুবিধাজনক প্রভাবে ছাত্রলীগ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল। তারা সময়ের ব্যবধানে রাজনৈতিক অস্তিত্বকে তলানিতে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সুযোগ সুবিধা নিয়েছে। নিশ্চিহ্ন তার দিকে ধাবিত হয়েছে, তাদের বক্তব্যে উস্কানি আছে। 

যারা ১৯ ৭১ সালে স্বাধীনতার সাথে সম্পর্ক না রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের নামে পাকিস্তানের সংহতির প্রতি সমর্থন যুগিয়েছে, দুর্ভাগ্য হলো,এই তারাই আমাদের ইতিহাসের , রাজনীতির, মুক্তিযুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে।

 

আমাদের রাজনৈতিক দৈন্যতা আছে। অজ্ঞতা ও নির্লিপ্ততা আছে।  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চায় ঘাটতি আছে। সবগুলো একত্রিত করলে যে প্রজন্মের সৃষ্টি হয়, সেই প্রজন্মের থেকে 'আমরা তোমরা রাজাকার স্লোগান আসতেই পারে'। অনাকাঙ্ক্ষিত, অবাঞ্চিত এ বক্তব্যের দায় কিন্তু আমাদের সবার।


অতীতের একটি ছাত্র সংগঠনের স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ডে উস্কানি, উম্বাদনা সৃষ্টিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতরা তৎপরত থাকতো। এটি কারো অজানা নয়।

এটি এদেশের সচেতন মানুষদের অজানা নয়। সেই বিশেষ সংগঠনের দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পেশার সাথে সম্পৃক্ত আমাদের পরিচিত মানুষগুলো এখন কিন্তু খুব তৎপর।

একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনকে ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত করার প্রচেষ্টা সবসময় ভালো ফল বয়ে আনেনি।

 বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশের অর্জন ও অগ্রগতির অদম্য নেত্রী। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে তার যেমন সুবিধাবাদী সমর্থকগোষ্ঠী সৃষ্টি হয়েছে। একইভাবে বিদ্রোহী- বিদ্বেষী সুধীজনের(!) সংখ্যাও কম নয়। 

দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সুবাদে যেসব ছাত্র কিংবা শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিন স্বাধীনতার বৈপরীত্যের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল বিশেষ বিশেষ প্রতিষ্ঠানে, এখন দেখা যায়, তারা যথেষ্ট সক্রিয়। 

রাজনীতির পোড় খাওয়া একজন কথিত জাতীয়তাবাদী নেতা (মুক্তিযুদ্ধের সময়ের শান্তি কমিটির চট্টগ্রাম শহরের আহ্বায়কের পুত্র) যখন কোটা নিয়ে মন্তব্য করে, তখন তা গ্রহণযোগ্য হয় না। এক্ষেত্রে এসব মানুষের মন্তব্য একদিকে কোটা আন্দোলনকারীদের উসকে দেয়, অন্যদিকে কোটা বিরোধীদের উত্তপ্ত, উদ্ভ্রান্ত করে করে। 

সরলমনা আন্দোলনকারীদের বোধে ইতিহাসের এই অংশটুকু ধারণ করতে হবে। 


আর দীর্ঘ করার ইচ্ছা নেই। কোটা আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক সংস্কার প্রয়োজন আছে। সময়ের সাথে যেকোনো কিছুর ধারাবাহিক সংস্কারও একটি সংস্কৃতি। যে পথে, যেভাবে, যে প্রক্রিয়ায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করার পায়তারা হচ্ছে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রজন্ম কিংবা ইতিহাসকে আঘাত করা হচ্ছে, সেটা কখনোই যৌক্তিক আন্দোলনের পথ নয়। এতে সাময়িক সংকট হবে, লক্ষ্য অর্জন হবে না।

মুক্তিযোদ্ধাদের সমর্থন এখানে থাকবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, এদেশে যুদ্ধাপরাধী ছিল। তাদের অনেকের বিচার হয়েছে। বড় অংশ নীরবে নিভৃতে সমাজের আনাচে কানাচে রয়ে গেছে। আমাদের মনে রাখতে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা সীমিত হয়ে আসছে। এমন ভাবার কারণ নেই, একজন মুক্তিযোদ্ধার  দশটি সন্তান,  তারা যুগ যুগ ধরেই সুবিধা নিয়েই যাবে। 

সময় বলে দেবে রাষ্ট্র কখন এই সুবিধাকে সীমিত করবে। এটি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার অংশ।


এর জন্য প্রচলিত প্রক্রিয়ার উস্কানিমূলক আন্দোলন মহান মুক্তিযুদ্ধের, মুক্তিযোদ্ধার, স্বাধীনতাপ্রেমী জনগোষ্ঠীর সংহতি সম্প্রীতি কিংবা চেতনার প্রতি চরম তাচ্ছিলতা। চরম অবমাননা। উস্কানি কিংবা অনুপ্রেরণা তা যে উৎস থেকেই আসুক। তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি আশা করা যায় না।

 মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে সুরক্ষার জন্য, দীর্ঘজীবী করার জন্য তাদেরই কাজ করতে হবে। তাদের উপর যদি স্বাধীনতা বিরোধী সেই চক্রের প্রজন্ম ভর করে, তাহলে সেটা হবে খুবই দুর্ভাগ্যজনক। 


আমরা আশা করি, এক দফা, ৫ দফা এসব উস্কানিমূলক বক্তব্য বাদ দিয়ে প্রচলিত ধারায় সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে এবং আমাদের অহংকারের চেতনাকে অক্ষত রাখতে হবে। 

মনে রাখতে হবে, এখনো বাংলাদেশের অদম্য নেত্রী বঙ্গবন্ধুর রক্তের ধারাবাহিকতাকে পোষণ করে, চর্চা করে, লালন করে। 

যে নেত্রী তাঁর বাসার কাজের মানুষের সমালোচনা করে জনসমক্ষে তা তুলে ধরতে পারে। দুর্নীতিগ্রস্তদের এক বিন্দুও ছাড় দিচ্ছেন না হলে উন্মুক্ত কন্ঠে ঘোষণা দিতে পারে,তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাবোধ বহু গুণে বৃদ্ধি পাওয়া দরকার। 

তাঁর দেশপ্রেম, জনসম্পৃক্ততা, দৃঢ়তা, চেতনা ও সংহতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নাগরিক দায়িত্বের অংশ। আমরা যারা বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি, তাদের জন্য এ এক বিরল সুযোগ। বর্তমান বিশ্বের অনন্তকালের শ্রেষ্ঠ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের প্রবাহের ধারক শেখ হাসিনা।

আমাদের মা-বাবারা,দাদারা যে ভুলই করুক, মুক্তিযুদ্ধের যত বৈপরিত্যেই অবস্থান করুক, সেটি আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত। 

কথিত 'এক দফা দাবি' জানিয়ে তাঁর প্রতি ইতিমধ্যে যে অসম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে, এর জন্য নিঃস্বার্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

তখনই মুক্তিযোদ্ধারা, তাদের প্রজন্ম তা সমর্থন করবে। যে কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলন সফলতার দিকে যাবে। সকলের সফলতা কামনা করে সকলকেই ধন্যবাদ।

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী 

মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর- ১১ 

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ অধ্যায়ন কেন্দ্র চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়ক।


আরও খবর



রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশ ও আ.লীগের পাল্টা কর্মসূচি আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ |

Image



বর্তমান টুডেস রিপোর্ট:


খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে শান্তিপূর্ণ বড় সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি।


আজ  শনিবার (২৯) বেলা ৩টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ হবে। একই সময়ে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে। 


প্রায় আট মাস পর দলীয় প্রধানের মুক্তির দাবিতে বিএনপি এ কর্মসূচি নিয়েছে। সমাবেশে ঢাকা মহানগর ও জেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও নেতা-কর্মীরা যোগ দেবেন বলে দলীয় সূত্র জানা গেছে।



দলীয় সূত্র জানা গেছে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অনেক দিন পর কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। এ কারণে সমাবেশটি বড় করতে সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেতারা।



বর্তমানে ঢাকা মহানগরে বিএনপির কোনো কমিটি নেই। তাই কেন্দ্রীয় বিএনপির ব্যানারে এই সমাবেশ হবে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এতে প্রধান অতিথি থাকবেন।


 সভাপতিত্ব করবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সমাবেশে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বক্তব্য দেবেন। 


এদিকে, দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারা শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা করবে। 


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এতে প্রধান অতিথি থাকবেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ হঠাৎ করেই শুক্রবার বিকালে আলোচনা সভার কর্মসূচি ঘোষণা করে। প্রতিষ্ঠার প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হলেও এ বিষয়ে আগে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না বলে দলীয় সূত্র জানা গেছে।






আরও খবর



আবার কমেছে রিজার্ভ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার কমে ২০ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। আইএমএফসহ বিভিন্ন উৎস থেকে বড় অঙ্কের ঋণ পাওয়ার পর গত সপ্তাহে যা ছিল ২১ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। একই সঙ্গে নিট রিজার্ভ ১৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন থেকে নেমেছে ১৫ দশমিক ৪৫ বিলিয়নে।

বুধবার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ১ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ এ পর্যায়ে নামলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আকু হলো- আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিস্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে প্রতি দু্ই মাস পর বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তানের মধ্যে দায় পরিশোধ হয়। একটি সময় শ্রীলঙ্কা আকুতে থাকলেও অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে নিজ থেকেই তারা বেরিয়ে গেছে। এর আগে গত মে মাসে আকুতে ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নেমেছিল ১৮ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। আর গত জানুয়ারিতে আকুর দায় বাবদ ১২৭ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ নামে ২০ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে করোনা পরবর্তী অর্থনীতিতে বাড়তি চাহিদা এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি, বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ কমে যাওয়া এবং আগের দায় পরিশোধ বেড়েছে। গত ৩ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। সব মিলিয়ে ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভ কমছে।

গত ২৭ জুন আইএমএফ ঋণের তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। আইডিবি, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে পাওয়া গেছে আরও ৯০ কোটি ডলার। আবার জুনে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ২৫৪ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। সব মিলিয়ে রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছিল।


আরও খবর



ভারতে আমার সফর দেশের মানুষের জন্য গৌরবের : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image


বিডি টুডেস  রিপোর্ট:


ভারতে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় দ্বিপাক্ষিক সফরের বিস্তারিত তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ভারতে আমার এ সফর ছিল দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এ সফরের ফলে আমাদের দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছবে।’



প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে গত ২১ থেকে ২২ জুন নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার গঠনের পর নয়াদিল্লিতে এটিই কোনো সরকারপ্রধানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর।


শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার এ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’


এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বিষয়গুলো উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে দুই দেশের মানুষ বেশ উপকৃত হবে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪