Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয় : মন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ চিকিৎসা সেবা দেওয়া বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কে-৮০ ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের কাজ নয়, আমাদের কাজ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ জনগণকে অবহিত করা।

মানুষের জ্বর বিভিন্ন কারণে হতে পারে, আমরা বলেছি জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করাতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা জানেন আমরা সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি ৫০ টাকা করে দিয়েছি। আমরা দেখছি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ঢাকা শহরে ডেঙ্গু রোগীর সঙ্গে সঙ্গে সারাদেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের মূল কথা হলো ডেঙ্গু মশা কমাতে হবে, তাহলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমে যাবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে শুধু বর্ষা মৌসুমে নয়, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ও বিভিন্ন পৌরসভায় মশা নিধনের কাজটি সারা বছর করতে হবে।

অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের ধর্মঘট বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন কী কারণে তারা ধর্মঘট ডেকেছে সে বিষয়টি আমার জানা নেই, তাই আমি ভালো কিছু বলতে পারব না। দেশে একটি সমস্যা চলছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বাড়ছে। এখন ধর্মঘট করার সময় নয়। মানুষের সেবা, জীবন রক্ষা এবং চিকিৎসা সেবার এখন প্রয়োজন। সেটি বন্ধ করে দিয়ে আমরা ধর্মঘটে চলে গেলাম। এটি আমি সঠিকভাবে নিতে পারছি না। তারপরেও তাদের কী সমস্যা আছে, সেই সমস্যার যেন সমাধান হয় সেটি আমরা করার চেষ্টা করব এবং লক্ষ্য রাখব।

নতুন ভর্তি হওয়া এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে যারা নতুন এমবিবিএসে ভর্তি হয়েছে আমি তাদেরকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। আমি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম, কিন্তু এখানে ভর্তি হতে পারিনি। এখান থেকে যারা চিকিৎসক হয়ে বেরিয়ে যাবে তাদের ঢাকা মেডিকেলের সুনাম ধরে রাখতে হবে। এই সুনাম ধরে রাখার একমাত্র পন্থা হলো এখান থেকে ভালোভাবে শিক্ষা লাভ করা এবং এখান থেকে পাস করে বেরিয়ে যাওয়া।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শফিকুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব ডাক্তার মো. কামরুল হাসানসহ অন্যান্য চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



সুফিবাদ চর্চা বিবেক জাগ্রত হয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম : সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক :

আত্মার মাধ্যমে মন দেহের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আবার মন হলো তত্ত্ব, তত্ত্ব মানে জ্ঞান। অর্থাৎ জ্ঞানই সব পরিচালনা করে। মানব হল সত্তা। এর দুটো অংশ। একটি আত্মা, অপরটি মন; যা দেহে অবস্থান করে। দেহ, আত্মা ও মনের সমন্বয়ে পূর্ণ মানব। মনের অন্য রূপ হলো বিবেক। বিবেক দ্বারা সে সত্য মিথ্যার পার্থক্য নিরূপণ করে। বিবেকের অপর নাম চেতনা। চেতনা হল একটি শক্তির নাম, এই শক্তি সুপ্তভাবে প্রতিটি মানবের মধ্যে বিদ্যমান। যিনি এই শক্তিকে জাগ্রত করতে পারে, তিনি মহা শক্তিধর আল্লাহর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। অন্তর্নিহিত এ শক্তিকে জাগ্রত করার জন্য প্রয়োজন ধর্ম। অর্থাৎ ধর্মচর্চা। ধর্ম মানুষকে প্রাকৃতিকতা শিক্ষা দেয়, ধর্ম সুবুদ্ধিতে নিরন্তর চর্চায় রাখে।

ধর্মের দুটো দিক। একটি আনুষ্ঠানিকতা, অপরটি আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা হলো ধর্মের বাইরের বাতাবরণ। অর্থাৎ বইয়ের মলাটের মত। এর ভেতরেই রয়েছে ধর্মের প্রকৃত রূপ; যার নাম আধ্যাত্মিকতা। আনুষ্ঠানিকতা অংশ নিয়ে বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠীর মধ্যে মতপার্থক্য দেখা যায়, এমনকি একই ধর্ম অনুসরণকারীদের মধ্যেও মতবিরোধ দেখা যায়। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব সংঘাতেও লিপ্ত হয়। অপরদিকে আধ্যাত্মিকতা সকল ধর্মের মানুষ গ্রহণ করে। এর সাথে কারো মতবিরোধ নেই, সে যেই ধর্মের হোক না কেন।

মূলত ধর্ম প্রাকৃতিকতার সাথে সম্পর্কিত একটি বিষয়। প্রাকৃতিকতা ব্যতীত প্রকৃতির মালিকের সন্ধান পাওয়া যায় না। প্রাকৃতিকতা ধারণের নামই আধ্যাত্নিকতা। আধ্যাত্মিকতা ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে, বিবেককে জাগ্রত করে। ইসলাম ধর্মসহ পৃথিবীর সকল ধর্মই নৈতিকতা তথা সত্যকে ধারণ ও মিথ্যাকে বর্জনের শিক্ষা দিয়েছে। ধর্ম কখনো অনৈতিকতাকে সমর্থন করেনি, এখনো করে না,এবং ভবিষ্যতেও করবে না। প্রকৃতির নিয়মে সৃষ্টির মধ্যে একে অপরের সাথে আন্তসংযুক্ত,একে অপরের উপর নির্ভরশীল, আত্মার সাথে সম্পর্কিত। এমনকি আল্লাহর সাথেও সংযোগকৃত ও সম্পর্কিত। আর মানুষ মানুষে সম্পর্ক তো আছেই। সম্পর্কিত বলেই অপরের ব্যথায় ব্যতীত ও সুখে আনন্দিত হয়। ধরি কেউ একজন বাংলাদেশে খাদ্য গ্রহণ করছেন, এমতবস্থায় সংবাদ মাধ্যমে শুনতে পেয়েছেন যে আমেরিকায় বিমান দুর্ঘটনায় অনেক লোক প্রাণ হারিয়েছেন। সাথে সাথে মনের ভেতর বিরুপ প্রভাবসহ খাদ্য গ্রহণে অস্বস্তিবোধ হয়। এথেকে বোঝা যায়একে অপরকে না চিনলেও পারস্পারিক আন্ত:সম্পর্ক ও আন্তঃসংযোগ আছে। ধর্ম এটিকে অটুট রাখতে শিক্ষা দেয়,বিচ্ছিন্ন হতে দেয় না। সমগ্র বিশ্ব হল একটি পরিবারের মতো। তাই কর্তৃত্ব নয় বরং সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে (এ বন্ধনকে) অটুট রাখতে ধর্ম সহায়তা করে। এইজন্য যুগে যুগে যুগসংস্কারকসহ আল্লাহর আউলিয়াগণ বিভিন্ন তরিকা ও দর্শনের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও বেলায়েতের শক্তি দিয়ে মানবকে ধর্মচর্চায় প্রভাবিত ও উদ্বুদ্ধ করে। আধ্যাত্মিক জ্ঞানের (শক্তির) প্রভাবে মানবের অহংকারকে ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ করে। এবং মনুষ্যত্ব ধারণে সহায়তা করে।

আবার অন্যদিকে কতকব্যক্তি ধর্মকে বিশ্বাস করেন, গ্রহণ করেন ও ধর্মগ্রন্থকে সম্মান করেন কিন্তু এটি যে একটি জ্ঞানগ্রন্থ তা বুঝে উঠতে পারে না। কারণ এদেরকে কিছু ধর্মব্যবসায়ী অন্ধকারে নিমজ্জিত করে রেখেছে।এই শ্রেণীর লোক সমাজে বেশি। আবার কতক ব্যক্তি আছেন যারা মুখে ধর্মের কথা বলে কিন্তু ধর্ম ধারণ করে না। এরা ধর্মকে পেশা ও ব্যবসা হিসেবে নেয়। সামান্য স্বার্থের জন্য ধর্মকে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে। ধর্মের লেবাস পরিধান করে মানুষ মানুষে বিভেদ বিচ্ছিন্ন করে। সব ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই এরকম কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী আছে, যাদের কারণে অতি উৎসাহী কিছু লোক না বুঝে, কিংবা বুঝে অথবা পরিকল্পিতভাবে ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করে। উভয়ই জন্তু থেকেও অধম। এরা সমাজ রাষ্ট্র সহ সকলের জন্য ক্ষতিকর।

অথচ ধর্মের মূল শিক্ষা হচ্ছে বিভেদ বিচ্ছিন্নতা নয়, সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সংযুক্তি; কর্তৃত্ব ও প্রভুত্ব নয় বরং একে অপরের ভাই মনে করে সেবার মানসিকতা নিয়ে সমগ্র বিশ্বকে একটি পরিবার মনে করে এবং সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।এর নাম সুফিবাদ। এজন্য যুগে যুগে ধর্মকে হৃদয়ে ধারণ করে সুফি সাধকগণ প্রেম, বিনয়, উদারতার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন সমাজকে একত্রিত থাকার শিক্ষা দেন। সকল ধর্মই শান্তির কথা বলে। তবে সর্বশেষ অতি সহজ, আধুনিক যুগোপযোগী ও বৈজ্ঞানিক ধর্মের নাম ইসলাম। ইসলাম শব্দের অর্থই হলো শান্তি।পূর্ণ শান্তি ও জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। ইসলাম দিয়েছে সকল ধর্মানুসারীদের নিরাপত্তার অধিকার, স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার, সম্পত্তিতে নারীদের অধিকার, নারীদের দিয়েছে (শালীনতার ভিত্তিতে) ব্যবসাসহ কর্ম করার অধিকার।

 সার্বিকভাবে সর্ব বিষয়ে উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। সুফিরা বলেছেন, প্রয়োজনে নিজস্বার্থ কিছু ত্যাগ করে হলেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার নাম ইসলাম। আর কিছুলোক নিজস্বার্থের জন্য ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে অনৈতিক কর্মে ব্যবহার করে।তারা ইসলামকে রাজনৈতিক দলে পরিনত করেছে। আর এই কুকর্মগুলো করা হয় ধর্মের দোহাই দিয়ে। এর চেয়ে জঘন্য ও নিকৃষ্ট কর্ম আর কী হতে পারে! এদের কারণে বিশ্ব সমপ্রদায় মনে করে ইসলাম মানে জঙ্গিবাদ, মারামারিহানাহানি, হিংসা, বিভেদ বিচ্ছিন্নতা। ইসলাম মানে ওজনে কম দেয়া, অকারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা।ফলে ইসলামসহ শান্তির বার্তাবাহক, আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী, মানবকুলসহ সমগ্র সৃষ্টি জগতের রহমত হিসেবে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) প্রেরিত হযরত আহম্মদ মোস্তবা মোহাম্মদ মোস্তফা (দ.)কে তারা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে। এজন্য আমরাই দায়ী। তাই ধর্মকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এর ভাব ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। যাঁরা ধর্মের নৈতিকতা ও ভাব হৃদয়ে ধারণ করে, তাঁদের দ্বারা সমাজে কখনো অকল্যাণ হতে পারে না। ন্যূনতমও যে ধর্ম ধারণ করে, সে কখনো ওজনে কম দিতে পারে না, অকারণে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি ও গুদামজাত করতে পারে না, সে খাদ্যে ভেজাল দিতে পারে না, রমজান মাসে অতিরিক্ত মুনাফা করতে পারে না। ধার্মিক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজার নিয়ন্ত্রণে এনে মূল্য বৃদ্ধি করে না, বরং অল্প মুনাফা করে সন্তুষ্ট থাকে। তাঁরা দেশের দুর্যোগ ও খাদ্য সংকটকালে গুদামজাত না করে রাষ্ট্র, সরকারের সাথে একত্রিত হয়ে জনগণের কষ্ট দূরীকরণে ভূমিকা রাখে। এঁরাই ধার্মিক। এঁদের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়।

 ধর্ম ধারণকারীর প্রতিটি কর্মে প্রাকৃতিকতা প্রকাশ পায়। তাঁর দ্বারা কখনো প্রকৃতির দূষণ হতে পারে না, অপ্রয়োজনে বৃক্ষ কর্তন করে অক্সিজেন ধ্বংস করে না। পাহাড় কেটে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করে না, (পাহাড় ভূমির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ভূকম্পন নিয়ন্ত্রণে রাখে, পাহাড় কর্তনে পরিবেশ ভারসাম্য হারায়। ফলস্বরূপ অতিমাত্রায় ভূকম্পন হয়, অতিবর্ষণে পাহাড় ধসে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়), সে পানি দূষণ করে না। সুফিবাদ চর্চা বিবেককে জাগ্রত হয়। ফলে সে সত্যমিথ্যার প্রভেদ বুঝতে পারে। সবসময় যেকোনো কর্মে সতর্ক থাকে। তাঁর আল্লাহভীতি ও প্রেমানুভূতি জন্মে। ফলে আল্লাহ ধর্মে যা করার নির্দেশনা দিয়েছেন, যা করতে নিষেধ করেছেন এসব পালনে সতর্ক থাকে। সুফিবাদি মানুষের বিবেক সব সময় কথা বলে। যেটা মানবের জন্য কল্যাণকর তা করা এবং অমঙ্গলজনক কর্ম না করার জন্য ভেতর থেকে নির্দেশনা দেয়। আল্লাহভীতির কারণে সে জানে কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর নিকট জবাবদিহি করতে হবে। তাই এক প্রকার দায়িত্ববোধ জন্মে। ফলে কোনো অনৈতিক কর্ম করার পূর্বে একবার চিন্তা করে। বিবেক প্রতিনিয়ত তাকে দংশন করে। হৃদয়ের গভীর থেকে অদৃশ্য শক্তি কিংবা কে যেন বলে দেয় এটি মন্দ কর্ম, এটি করিও না। আধ্যাত্মিকতা ধমের্র মূল অংশ।

আধ্যাত্মিকতা আত্মসম্পর্কিত ইবাদত। এটি আত্মাকে আলোকিত করে, আত্মাকে মহাত্মার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করে। প্রেমাগুণ দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। আর এই কর্মটি করতে সহজ হয় যদি কোনো কামেল পীরের সংস্পর্শে করা যায়। একজন আধ্যাত্মিক মুরশিদ  জ্ঞান, সংস্পর্শ, অনুগ্রহ দ্বারা ভক্ত শিষ্যের প্রেমাগুণকে প্রজ্জ্বলিত করে, এবং প্রেমাগুণে পুড়ে তাকে প্রকৃত মানবে পরিণত করে। এর নাম সালাত।এর নাম এবাদত। প্রেমাগুণে জ্বলে আত্মাকে ভস্ম করে আলোকিত করার নাম সালাত। এটি আমিত্ব, অহংকারসহ নফসকে পুড়ে ছাই করে দেয়, সর্বপ্রকার অপকর্ম থেকে দূরে রাখে।পবিত্র কোরআন শরীফে আছে,ইন্নাস সালাতা তানহা অনিল ফাহসাই ওয়াল মুনকার অর্থাৎ নিশ্চয় নামাজ মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে। একজন কামেল মুরশিদ শিক্ষা ও দীক্ষা দিয়ে পাপিষ্ট ব্যক্তিকে অনৈতিক কর্ম থেকে বিরত রাখা সহ আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। এবং তাঁকে এমন এক নেশায় আসক্ত করে, যে নেশায় মত্ত হয়ে প্রতিনিয়ত আল্লাহর নৈকট্যতা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল থাকে। যে নেশায় সকালে আসক্ত হলে রাতে শেষ হয়ে যায় সেটি প্রকৃত নেশা নয়। এটি ভোগের নেশা। অতএব এমন নেশায় আসক্ত হও যে নেশায় একবার মত্ত হলে পরমকে না পাওয়া পর্যন্ত কাটে না, এটি হলো প্রেমের নেশা। পার্থিব নেশায় আসক্ত হলে জ্ঞান, বিবেক, বুদ্ধি সবই লোপ পায়।

যে প্রেমাস্পদকে ভালোবাসে, সে আল্লাহর সৃষ্টির প্রতিটি বস্তুকে ভালোবাসে। সুফিসাধকগণ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন কীভাবে প্রকৃতিকে ভালবাসতে হয়, প্রকৃতির সেবা করতে হয়। যে প্রকৃতি ও প্রকৃতির ভাষা বোঝে না, প্রকৃতির ঋণ অস্বীকার করে; সে কখনো স্রষ্টার অনুগ্রহ পায় না।সে স্রষ্টা থেকে অনেক দূরে। প্রকৃতি প্রেমব্যতীত স্রষ্টাপ্রেমী হওয়া যায় না। ধর্মের (সূফীবাদ) চর্চা মানুষকে প্রকৃতির প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে, নীরবতা, নির্জনতার দিকে নিয়ে যায়। অপ্রয়োজনীয় কথা ও কর্ম থেকে বিরত রাখে। আবার প্রয়োজনে সঠিক সময়ে সত্য কথা বলে, মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। এজন্য বর্তমানে আধুনিক, শান্তিপূর্ণ ও সভ্য সমাজ বিনির্মাণে সুফিবাদ চর্চার বিকল্প নেই। কোনো ধর্মই কখনো দেশ ও সমাজের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয় এরকম অনৈতিক শিক্ষা দেয় না। ধর্ম ন্যায়ের কথা বলে, জ্ঞানের কথা বলে, সত্যের কথা বলে, মানবকল্যাণের কথা বলে ;সর্বোপরি সুবুদ্ধির কথা বলে। সুবুদ্ধির মধ্যে সত্য নিহিত। সুবুদ্ধির বর্ণনা দিতে গিয়ে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের মহান সুফিসাধক সৈয়দ সাইফ উদ্দিন আহমেদ আল মাইজ ভান্ডারী বলেন, সুবুদ্ধিতে খোদা, সুবুদ্ধিতে রাসুল (দ.),সুবুদ্ধিতে ইসলাম, সুবুদ্ধিতে কোরআন, সুবুদ্ধিতে ঈমান, সুবুদ্ধিতে মানবতা। সুফিবাদ ধারণ করলে মানুষ সুবুদ্ধির পথে অগ্রসর হয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সুবুদ্ধির বিকল্প নেই।

ধর্মে বিশ্বাসী ব্যক্তির মধ্যে একদিকে আল্লাহ ভীতি, অন্যদিকে আল্লাহর প্রেম সৃষ্টি হয়। ভীতির কারণে অনৈতিক কর্ম থেকে দূরে থাকে। কারণ সে জানে একদিনে পরকালে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। তাই সদা সর্বদা সতর্ক থাকে। অপরদিকে প্রেমের কারণে সমগ্র সৃষ্টির কণায় কণায় স্রষ্টার অস্তিত্ব উপলব্ধি করে। ফলে সে সৃষ্টির প্রতি সদয় হয়।এবং প্রেমাস্পদের স্মরণে সদা সর্বদা মগ্ন থাকে। অতএব যে ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা ও আচারিকতাকে প্রাধান্য দেয়, মূলভাব (নৈতিকতা) হৃদয়ে ধারণ করে না, তার অনুভূতি জাগ্রত হয় না। অনুভূতি ব্যতীত উপলব্ধি আসে না, উপলব্ধি ব্যতীত জ্ঞানচক্ষু ফোটে না,আত্মা পরিশুদ্ধ ও আলোকিত হয় না। আর পরিশুদ্ধ আত্মাই মহাত্মার সাথে মিলন করতে পারে। তাই বিশ্বে সাম্যবাদ ও শান্তি ফিরিয়ে আনার অন্যতম ও উৎকৃষ্ট উপায় হলো সূফীবাদ চর্চা।


আরও খবর



জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যেই জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের প্রবেশে শর্ত দিয়ে দিল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৩ জুলাই) শর্ত দিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেই শর্ত অনুযায়ী পরিচয়পত্র অথবা কলেজের ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জয়পুরহাট সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, অদ্য ১৩ জুলাই তারিখ হতে কলেজের আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কলেজ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) অথবা কলেজ ভর্তি ফরম ছাড়া কেউ কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না।

শিক্ষার্থী ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজের সকল শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা পরিচয়পত্র ছাড়া কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতো। এতে অন্যকোনো কলেজের শিক্ষার্থী বা বহিরাগতরাও সহজেই কলেজে প্রবেশ করতে পারতো। এদিকে দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। সেই প্রভাব এখনও জয়পুরহাটে পড়েনি। কোনো শিক্ষার্থী এখনও কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে ক্যাম্পাস বা সড়কে নামেননি। তবে যেকোনো সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামতে পারে এমন আশঙ্কায় রয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষের।

জয়পুরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা প্রবেশ করবে বাধা নেই। কোটা সংস্কার অন্দোলন শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। এখন এই কলেজের শিক্ষার্থীরা যদি সেই আন্দোলন করে তাহলে এখানে কোনো বহিরাগত যেন এসে বিশৃঙ্খলা করতে না পারে এই কারনে শর্ত মেনে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর



২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিল থেকে নেওয়ার পরিকল্পনা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট: আগামী বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এপ্রিল থেকে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। 

এ বিষয়ে পরীক্ষা শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সমন্বয় কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেছেন, আগে এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে শুরু করা হলেও করোনার কারণে ঠিকসময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

এবার কিছুটা এগিয়ে আনা হয়েছে। আগামী বছর থেকে এপ্রিলেই এই পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর কর্মকর্তারাও মনে করেন জুন-জুলাই মাস বর্ষা থাকে। এই সময়ে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার জন্য খুব উপযুক্ত সময় নয়। কিন্তু করোনার কারণে পিছিয়ে থাকায় কিছু করারও ছিল না।

 তবে তারা আশাবাদী, আগামী বছর থেকে আবারও প্রায় স্বাভাবিক সময়ের মতো পরীক্ষা নেওয়া যাবে।

প্রতিবছর এপ্রিল মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতো। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলোভাবে চলছে। এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা নভেম্বরেও শুরু করতে হয়েছে। পরীক্ষাও হয়েছে কাটছাঁট করা পাঠ্যসূচিতে। এখন তা ধীরে ধীরে এগিয়ে আনা হচ্ছে।

এবারের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে রোববার (৩০ জুন) থেকে। তবে সিলেট বিভাগ বাদে সারা দেশে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

 বন্যা পরিস্থিতির কারণে শুধু সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল সেগুলো যথারীতি হবে।


আরও খবর



নওগাঁয় অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় ব্যাটারি চালিত অটো রিকসাতে চার্জদিতে গিয়ে অ-সাবধানতা বশত বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালক এক যুবকের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুৎ পিষ্টের এঘটনাটি ঘটে বুধবার দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নওগাঁর মহাদেবপুর থানাধীন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার চেরাগপুর ইউপির বুজরুক বড়াইল গ্রামে। স্থানিয় সুত্র ও নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, বুজরুক বড়াইল গ্রামের আব্দুল খালেকের যুবক ছেলে মাহবুব আলম ওরফে মিঠু (২৭) চার্জার ব্যাটারি চালিত অটো রিকসা চালিয়ে যে অর্থ উপার্জন করতেন সেই অর্থদিয়ে তিনি তার সংসারের খরচ মিটাতেন। প্রতি দিনের মতো বুধবার ও সারাদিন অটো রিকসা চালিয়ে (ভাড়া মাড়ারপর) দিনগত রাত সারে ৮ টারদিকে নিজ বাসায় ফেরার পর অটো রিকসাতে চার্জ বিদ্যুতের সংযোগ দিতেগিয়ে অ-সাবধানতা বশত তিনি বিদ্যুৎ পিষ্ট হলে এসময় তার পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়েগেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। তার মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌছামাত্র তার নিজ গ্রাম সহ আশে-পাশের গ্রামের লোকজন সহ স্বজনদের মাঝে নেমে আসে শোকের ছাঁয়া।

বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে অটো রিকসা চালকের মৃত্যুর সত্যতা প্রতিবেদককে রাতেই নিশ্চিত করেছেন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ির এস আই জিয়াউর রহমান।


আরও খবর



দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে ১৭ বছর পর শিরোপা ভারতের ঘরে

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস ক্রীড়া ডেস্ক:


মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের তৃতীয় ফাইনালে উঠে ভারত। আগের দুই ফাইনালে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল রোহিত শর্মার দলকে।



 তবে তৃতীয়বার আর খালি হাতে ফিরতে হলো না ভারতকে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নিলো রোহিত-কোহলিরা। 



শনিবার (২৯ জুন) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ভারত।



মাত্র ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত। তবে বিরাট কোহলি ও অক্ষর প্যাটেলের ব্যাটে লড়াইয়ে ফের ভারত। ফিফটি তুলে নেন কোহলি।


কোহলি ও অক্ষরের ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে ভারত। কোহলি ৫৯ বলে ৭৬ ও অক্ষর ৩১ বলে ৪৭ রান করেন। প্রোটিয়াদের পক্ষে কেশভ মহারাজ ও এনরিখ নরকিয়া নেন ২টি উইকেট।  


১৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১২ রানের মধ্যে জোড়া উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫ বলে ৪ রান করে আউট হন রেজা হেনড্রিকস ও এইডেন মার্করাম।


এরপর স্টাবসকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন ডি কক। ৫৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৭০ রানে ২১ বলে ২১ রান করে আউট হন স্টাবস।


এরপর ক্রিজে আসা হেনরিখ ক্লাসেনকে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন ডি কক। তবে দলীয় ১০৬ রানে ৩১ বলে ৩৯ রান করে আউট হন ডি কক। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসা ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন ক্লাসেন। 


ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ব্যাটার। মারমুখী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন ক্লাসেন। তবে দলীয় ১৫১ রানে ২৭ বলে ৫২ রান করে ফিরে যান তিনি।


ক্লাসেনের বিদায়ের পর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি মার্কো জানসেন। ৪ বলে মাত্র ২ রান করে আউট হন তিনি। জানসেনকে আউট করে ভারতকে জয়ের স্বপ্ন দেখান পেসার জসপ্রীত বুমরাহ।  


শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান প্রয়োজন হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম বলেই সপাটে ব্যাট হাঁকান মিলার। বাউন্ডারি লাইনে অসাধারণ এক ক্যাচে মিলারকে সাজঘরে ফেরান সূর্যকুমার। দলীয় ১৬১ রানে ১৭ বলে ২১ রান করে আউট হন মিলার। 



আরও খবর