Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

ধর্ম উপলব্ধির বিষয়, তর্কের নয় : রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন একটি অসাম্প্রদায়িক, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সব ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে। ধর্ম উপলব্ধির বিষয়, তর্কের নয়। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে।

সোমবার বঙ্গভবনে বড় দিন উপলক্ষ্যে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী নেতবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এক ভাষণে রাষ্ট্রপতি এ কথা জানান। এ সময় তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা, তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবহমানকাল থেকে এদেশে সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম ও আচার-অনুষ্ঠানাদি স্বাধীনভাবে পালন করে আসছে।

বড় দিন উপলক্ষে তিনি দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যীশুখ্রিষ্ট ছিলেন সত্যান্বেষী এবং আলোর দিশারী।

সাহাবুদ্দিন বলেন, যীশুখ্রিষ্ট পথভ্রষ্ট মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথ দেখিয়েছেন এবং স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি পৃথিবীকে শান্তির আবাসভূমিতে পরিণত করতে কাজ করেছেন। রাষ্ট্রপতি মনে করেন, যীশুর এই শিক্ষা সবার জীবনে প্রতিফলিত হলেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

মন্দের বিনিময়ে কারোর মন্দ করো না। সকল মানুষের দৃষ্টিতে যা উত্তম, ভেবে-চিন্তে তাই করো, যীশুর এই অমর উক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যীশুখৃষ্ট মানুষকে ভালোবাসা, সেবা, ক্ষমা, ত্যাগ, সংযম ও ন্যায় প্রতিষ্ঠাসহ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের শিক্ষা দিয়েছেন।

বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্য স্থাপনসহ বর্তমান যুদ্ধ-বিগ্রহপূর্ণ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যীশুখ্রিষ্টের শিক্ষা ও আদর্শ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে রাষ্ট্রপতি আশা করেন।

ঢাকার আর্চবিশপ বিজয় নিসেফরাস ডিক্রুজ, বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিওসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দরবার হলে একটি কেক কাটেন এবং অতিথিদের সাথে ফটো সেশনে অংশ নেন।
সূত্র : বাসস

 


আরও খবর



কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেলো বিএনপি

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



সরকারি চাকরিতে কোটার ব্যাপারে ছাত্র-তরুণদের দাবি অবশ্যই ন্যায্য এবং যৌক্তিক বলে মনে করে বিএনপি। একই সঙ্গে কোটাবিরোধী চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে দলটি। 


শনিবার (৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন। 



গত বৃহস্পতিবার স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি। 



তিনি বলেন, সর্বজনীন পেনশন ‘প্রত্যয়’ স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মচারীদের এই যৌক্তিক আন্দোলন সমর্থন করছি এবং অবিলম্বে এই পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।


বিএনপি মহাসচিব বলেন, একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। 



তাই সাধারণ ছাত্র সমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহের সঙ্গে আমরা একমত। বড়জোর ৫-১০ শতাংশ কোটা থাকতে পারে; ক্ষমতায় গেলে সব ধরনের বৈষম্য ব্যবস্থা বাতিল করবে বিএনপি।



মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি দেশের সব কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক ও কর্মচারী সম্প্রতি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করার জন্য দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ত করে সরকারি পরিপত্র জারি করেছে। 



এ বিষয়টি নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সম্প্রদায় ও কর্মচারীদের এই স্মারক প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এর প্রতিবাদ করেছে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদান, পরীক্ষাগ্রহণসহ সব প্রকার কর্মকাণ্ড বন্ধ রেখেছে। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এটা জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 


কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রীয় আচার অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবসসমূহ—এমনকি তাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মানের সহিত দাফন সম্পূর্ণ করা হয়। এগুলো তাদের প্রাপ্য। 



এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ নানান সুবিধা আছে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের অর্থাৎ স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রধান অঙ্গীকার ছিল সাম্য— মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ করা। 


তিনি বলেন, প্রথম, দ্বিতীয় ,তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কোনো শ্রেণিতেই কোটা পদ্ধতি মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে না এবং মেধাভিত্তিক বৈষম্যহীন জাতি ও সমাজ বিনির্মাণের মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।



 তাই সাধারণ ছাত্রসমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহের সঙ্গে আমরা একমত।


আরও খবর



লেবাননে হামলা করলে ইসরায়েলকে বিলুপ্তের যুদ্ধ শুরু হবে : ইরান

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস:


ইসরায়েল সৈন্যরা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে। বড় আকারের হামলার ঘোষণা করার পরও ইসরায়েল এখনও  পর্যন্ত সর্বাত্মক হামলা শুরু করেনি। 



চলমান এ সংঘাত নিরসনে জাতিসংঘ দু’পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এর মাঝেই ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গত এপ্রিলে ইরান তিন শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিয়ে হামলা চালায় ইসরায়েলে।



 সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাত সদস্য নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নিতে এ হামলা চালায় ইরান। ইসরায়েলও পাল্টা হামলা চালায় ইরানের ইস্পাহান শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে।



 গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলের চিরশত্রু ইরানে আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে নির্বাচনের ফলাফলে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির নীতিতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা।



আজ শনিবার (২৯ জুন) জাতিসংঘে ইরানের মিশন ইসরায়েলকে সতর্ক করে আরও বলেছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালালে ইসরায়েলকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার যুদ্ধ শুরু হবে।  


মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কথা উল্লেখ করে জাতিসংঘে ইরান মিশনের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে বলা হয়, ‘সমস্ত বিকল্প উপায়সহ সব প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সম্পূর্ণ সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা চলছে।’


সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনার পারদ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসরায়েলি সরকার লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণের পরিকল্পনা অনুমোদন করার পর থেকে এ অঞ্চলে আরেকটি যুদ্ধ দরজায় কড়া নাড়ছে।



 ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে জার্মানি, কানাডা, নেদারল্যান্ডস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের লেবাননে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও জরুরি ভিত্তিতে অঞ্চলটি ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে।



ইসরায়েল প্রতিদিনই সাধারণ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করে যাচ্ছে। গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় ১৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩৩১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয়কের কার্যালয় (ওসিএইচএ) এ তথ্য জানিয়েছে।


ওসিএইচএ’র সর্বশেষ প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শুজাইয়া এবং এর আশপাশে ইসরায়েলের স্থল হামলার ফলে বৃহস্পতিবার গাজা শহরের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে থেকে ৬০ থেকে ৮০ হাজার বাসিন্দা পালিয়ে গেছে।



এদিকে, আজ শনিবার সকালে গাজা শহরের একটি বাড়িতে বোমা হামলা চারজন নিহত এবং ১০ শিশু আহত হওয়া ঘটনা ঘটেছে। বার্তা সংস্থা ওয়াফা এ তথ্য জানায়। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩৭ বর্গকিলোমিটার ফসলি জমি নষ্ট হয়ে গেছে, যা উপত্যকাটির মোট আবাদি জমির শতকরা ৬০ ভাগ।



 ওই জমিগুলোতে আর কখনও ফসল হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদরা। গাজায় মোট আবাদি জমি রয়েছে ২৩০ বর্গকিলোমিটার।



ইসরায়েল সৈন্যরা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে। বড় আকারের হামলার ঘোষণা করার পরও ইসরায়েল এখনও  পর্যন্ত সর্বাত্মক হামলা শুরু করেনি। চলমান এ সংঘাত নিরসনে জাতিসংঘ দু’পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।



 এর মাঝেই ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গত এপ্রিলে ইরান তিন শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিয়ে হামলা চালায় ইসরায়েলে। সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সাত সদস্য নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নিতে এ হামলা চালায় ইরান। 



ইসরায়েলও পাল্টা হামলা চালায় ইরানের ইস্পাহান শহরের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে। গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলের চিরশত্রু ইরানে আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


তবে নির্বাচনের ফলাফলে ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির নীতিতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা।


আরও খবর



সব বাড়ির মালিককে করের আওতায় আনতে নতুন পরিকল্পনা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডে রিপোর্ট:

সিটি করপোরেশনের অধীনে বাড়ির মালিকদের বেশির ভাগেরই নেই করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন)।

 অভিযোগ আছে, করযোগ্য আয় থাকার পরও আয়কর রিটার্ন জমা দেন না তারা। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এখন তাদের কর ফাঁকি রোধ ও করযোগ্য ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। 

জানা গেছে, এনবিআরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অন্তত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ২৫ শতাংশ, ২০৩১ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে শতভাগ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তথ্য বলছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় বিদ্যুত্ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা ১০ লাখ ২১ হাজার। এর মধ্যে মাত্র ৩ লাখ ৬৫ হাজার ব্যক্তির টিআইএন রয়েছে।

 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) বর্তমান গ্রাহকসংখ্যা ১২ লাখ ৪০ হাজার। তাদের আয়করের বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, করজালের বাইরে আছেন অন্তত ৬০-৭০ শতাংশ গ্রাহক। 

এসব এলাকায় বিদ্যুতের গ্রাহক মানেই তারা সবাই বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিক। অর্থাত্ বাড়ির মালিক হওয়া সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন বা আয়কর দেন না তারা। এটা মাঠ পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী মাত্র দুটি সংস্থার চিত্র। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে গ্রাহকসেবা দিচ্ছে এমন ডজনখানেক সংস্থা। আয়কর কর্মকর্তাদের দাবি, এসব গ্রাহক প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দিচ্ছেন।

এই রাজস্ব ফাঁকি রোধে এনবিআর তাদের সব সিস্টেমের সঙ্গে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে বিদ্যুত্ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডিপিডিসি ও ডেসকো, বিআরটিএ, প্রধান আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর (সিসিআইঅ্যান্ডই), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), বিডা, বেপজা, বেজা, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইবাস, বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক, সিটি করপোরেশন, ভূমি মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসিকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, সেবাগ্রহীতাদের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, নির্ভুল তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার হার কয়েক গুণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি ১৬টি সংস্থার সিস্টেমে আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হবে। 

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে করজাল আরো বড় হবে এবং রাজস্ব আদায় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান ১ কোটি টিআইএন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দুই থেকে তিন গুণ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় দ্রুতই এ কার্যক্রম শুরু হবে। শুধু বিদ্যুত্, গ্যাস আর সিটি করপোরেশনের ডাটাবেইসের সঙ্গে আন্তঃসংযোগ করতে পারলেই অন্তত ২ কোটি করদাতা বেরিয়ে আসবেন বলে ধারাণা করছে এনবিআর।

 মূলত আয়কর, ভ্যাট, আমদানি-রপ্তানি ও আবগারি শুল্ক আহরণের কার্যক্রম প্রযুক্তিনির্ভর পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ করতেই এমন পরিকল্পনার পথে হাঁটছে এনবিআর।

করের আওতা বাড়াতে গত কয়েক বছরে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে টিআইএনের আওতায় এনেছে এনবিআর। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি ৪৪টি সেবার বিপরীতে রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে বর্তমানে টিআইএনধারীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি করের আওতা বাড়াতে ও কর ফাঁকি বন্ধ করতে মোটরযান ও নৌযান নিবন্ধন, সব ধরনের ট্রেড লাইসেন্স এবং ঠিকাদার তালিকাভুক্তি কিংবা নবায়নে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২০২২ সাল থেকে চিঠি চালাচালি করে আসছে এনবিআর।

আয়কর আইন-২০২৩ অনুযায়ী ই-টিআইএন থাকলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ দাখিল না করার সুযোগ নেই। কিন্তু অনেকেই আয় গোপন ও কর পরিহারের উদ্দেশ্যে রিটার্ন দাখিল থেকে বিরত থাকছেন। সর্বশেষ তথ্যানুসারে দেশে টিআইএনধারীর সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়েছে। যার মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪১ লাখ ৪৫ হাজার ব্যক্তি।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




টেকসই ভবিষ্যতের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ঢাকা-দিল্লির: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image




বিডি টুডে  ডিজিটাল ডেস্ক :


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লি সম্মত হয়েছে।



শনিবার (২২ জুন) দুপুরে নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং পরে সাংবাদিকদের সামনে এক যৌথ বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।



শেখ হাসিনা জানান, বৈঠকে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, নিরাপত্তা ও বাণিজ্যসহ দ্বৈত সম্পর্কের সামগ্রিক ক্ষেত্র দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপক্ষীয় বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে।


তিনি বলেন, উভয় দেশ শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে আমাদের পথ দেখানোর জন্য 'ভিশন স্টেটমেন্ট' অনুমোদন করেছে। আমরা 'ডিজিটাল পার্টনারশিপ' এবং 'একটি টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারিত্ব'র জন্য একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে সম্মত হয়েছি।



ভারতকে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্ম নেওয়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত মূল্য দেয়। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রতিনিয়ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, আজ আমাদের দুই পক্ষ খুবই ফলপ্রসূ বৈঠকে রাজনীতি ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও যোগাযোগ, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা আমাদের জনগণ ও দেশের ভালোর জন্য একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছি।


শেখ হাসিনা জানান, তারা সমঝোতা স্মারক সম্পাদন করেছেন, বেশ কয়েকটি নবায়ন করেছেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উভয় পক্ষ উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ও রয়েছে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন এবং দু'দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় যোগ দিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। আমি এখন ২০২৪ সালের জুন মাসে নজিরবিহীনভাবে দ্বিতীয়বারের মতো নয়াদিল্লি সফর করছি।


এর আগে গত ৯ জুন অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলো আমাদের দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রমাণ।তথ্যসূত্র: বাসস




আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


ভারী বৃষ্টিতে খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসে পড়েছে।


 মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে জেলার আলুটিলার সাপমারায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ঢাকা-খাগড়াছড়ি ও ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। 


আটকা পড়েছে অনেক যানবাহন এবং ভোগান্তিতে যাত্রীরা। সড়কের মাটি সরানোর কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।



খাগড়াছড়ির ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স লিডার মো. জসিম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সড়ক থেকে মাটি সরানোর কাজ করছি। দ্রুত সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে। সড়কের বেশ কিছু স্থানে পাহাড় ধসের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।



জানা যায়, ভোরের দিকে সাপমারা এলাকায় পাহাড়ের মাটি ধসের পর এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।



 এছাড়া ভারী বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়ক তলিয়ে গেছে। এ কারণে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সোমবার (১ জুলাই) সকাল থেকে জেলায় ভারী বৃষ্টি শুরু হয়।



 এতে সড়কে পানি জমে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। বৃষ্টির পানিতে সকাল থেকে মহালছড়ির চব্বিশ মাইল সড়কে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।


এছাড়া দীঘিনালা-লংগদু সড়কের হেডকোয়াটার এলাকায় সড়ক বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। এ কারণে রাঙামাটির লংগদুর সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।



এদিকে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গেও খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পাহাড়ি ঢলে সাজেক-খাগড়াছড়ি সড়কের বাঘাইহাট বাজার, মাচালং বাজারসহ একাধিক স্থানে সড়কের ওপরে পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।


 পর্যটকবাহী যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে আটকা পড়েছেন শতাধিক পর্যটক।


অন্যদিকে জেলার পাহাড়গুলোর পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সোমবার সকাল থেকে জেলা সদরের শালবন, মোহাম্মদপুর, সবুজবাগ ও কুমিল্লা টিলা এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন জনপ্রতিনিধিরা। 



এছাড়া পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।



আরও খবর