Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

রাঙ্গামাটির সড়কের বাঁকে বাঁকে মুগ্ধতা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

পাহাড়ের ওপরে আঁকাবাঁকা সর্পিল গতিতে চলা এ সড়কটি এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি যুক্ত হয়েছে কাপ্তাইয়ের সঙ্গে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অসাধারণ এ উদ্যোগ এখন সবার নজর কেড়েছে। স্থানীয়দের কাছে সড়কটির নাম আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়ক। তবে অনেকের মত, সড়কটির নাম রাঙামাটি-কাপ্তাই লিংক রোড হলেই, নামেই পর্যটকরা বুঝে নিত যে, রাঙামাটি থেকে কাপ্তাই চলাচলের পথ।

রাঙামাটির পাহাড়ের ওপর নির্মিত সড়কটি নিয়ে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ শফির সঙ্গে। তিনি বলেন, সড়কটি নির্মাণ নিঃসন্দেহে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি অসাধারণ সাফল্য। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের চ্যালেঞ্জ ছিল। সবশেষে সফলতা এসেছে। এখন সড়কটি দেখলে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে।

তিনি বলেন, সড়কটি নির্মাণের শুরুটা অনেক কঠিন ছিল। ২০১৭ সালে ১৩ জুন এখানে ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। সড়কটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে এটিকে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুরোদমে কাজ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটিকে দুই লেনে উন্নীত করা হয়। নির্মাণ করা হয় তিনটি নতুন সেতু। ২০২৩ সালে সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে সড়কটি পুরোপুরি চালু রয়েছে। সড়কটি নির্মাণের ফলে রাঙামাটির সঙ্গে কাপ্তাইয়ের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার কমে গেছে।

রাঙামাটি শহরে ঢুকে আসাম বস্তি নামটা শুনে মনে হলো, এখানে আসামের নাম কোথা হতে এলো। তবে বুঝলাম, আসাম বস্তি নামটা এখানে বেশ জনপ্রিয়, এক নামে পরিচিত। তবে ইতিহাস কেউ জানে না। একেকজন একেক কথা বলছেন। কারো মতে এককালে এখানে বস্তি গেড়ে আসাম থেকে লোক এসে থাকতেন। তাই এর নাম আসাম বস্তি। কারো মতে, স্বাধীনতার আগে এখানে আসাম থেকে কিছু লোক এসে বসতি স্থাপন করেন বলে নাম আসাম বস্তি। তবে নাম যা হোক না কেন, রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক রাঙামাটি অংশে শুরু হয়েছে আসাম বস্তি এলাকা থেকে। আর শেষ হয়েছে কাপ্তাইতে। যেহেতু শুরুটা এখান থেকে হয়েছে তাই এ প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়ক

আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কে এখন খুব বাইকারদের দাপট। নারী-পুরুষ সমানতালে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছেন। তবে এ রোডে গাড়ি নিয়ে ঘুরতে গেলে পাহাড়ি পথে চলার অনভিজ্ঞ চালকের জন্য বিপদের আশঙ্কা থাকে। উঁচু-নিচু পাহাড়ি এলাকায় চলাচলে আলাদা কসরতের দরকার।

দেখলে মনে হয়, পাহাড়ের ওপর দিয়ে সরু কোনো রাস্তা। তবে রাস্তাটির যতটুকু করা হয়েছে তাতে দুটি গাড়ি অনায়াসে চলাচল করা কোনো সমস্যাই নয়। রাস্তার মাঝে মাঝে রয়েছে দাঁড়ানোর প্রশস্ত জায়গা। সড়কের এক পাশে পাহাড়ের সারি, অন্য পাশে কাপ্তাই হ্রদের জলরাশি। হ্রদ আর পাহাড়-দুদিকেই অসাধারণ সৌন্দর্য। বিশেষ করে এক পাশে উঁচু পাহাড়ের নিচে কয়েক স্তরের পাহাড়ের সারি। আর মাথার ওপরে মনে হবে কাছাকাছি রয়েছে মেঘের কারুকাজ। রাস্তা আর লেক ঘিরে এরই মধ্যে নানা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ চলছে। প্রায় ডজন খানেক পর্যটন কেন্দ্র ও রিসোর্ট এরই মধ্যে হয়ে গেছে। চলার পথে লেকের ধারে বেরাইন্না লেক, বাগী লেক, রাইন্যা টুগুন, বড় গাং ইত্যাদি নানা বাহারি নামের পর্যটন স্পট দেখা যাবে। এখানে রয়েছে খাবার আয়োজন থেকে সব সুবিধা।

আসাম বস্তি-কাপ্তাই সড়কে ওঠার মুখে পাহাড়ের ভেতরে নজর কাড়ে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের। প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রছাত্রী ভয়হীনভাবে পাহাড়ের চারিদিকে ঘোরাফেরা করেন। কেউ কেউ সড়কের দৃষ্টিনন্দন স্থানে আড্ডারত। এ সড়কের পাশ ঘেঁষেই রয়েছে বৌদ্ধমন্দির। মন্দিরে রয়েছে অসাধারণ নির্মাণশৈলী। জানলাম, এ পাহাড়েই রয়েছে বুদ্ধ গুরু মহাসাধক সাধনানন্দ মহাস্থবির এর জন্মস্থান। যিনি এখানে বনভান্তে নামে পরিচিত। এখানে দেখা মিলবে দর্শনার্থীর লম্বা লাইন। আসাম বস্তি থেকে কয়েক মাইল যাওয়ার পর নজরে পড়ে লম্বা একটি সেতু। পুরো সেতুর ওপর দর্শনার্থীর ভিড়।

ঢাকা থেকে ব্যবসায়ী মুহিবুল হক সপরিবারে কাপ্তাই থেকে এ পথ দিয়ে এসেছেন রাঙামাটি। তিনি বলেন, রাঙামাটির এ সড়কে না আসলে অনেক কিছু দেখতাম না। সৃষ্টিকর্তা যে এত অসাধারণ সৌন্দর্য এখানে দিয়েছেন যে দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। ইচ্ছে করে দিনভর দাঁড়িয়ে থেকে শুধু দেখতেই থাকি।

এখানে এসে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে দেখা মিলল রাঙামাটির মিলটন চাকমার। তিনি একটি টং দোকান দিয়ে চাসহ নানা ফল নিয়ে বসেছেন। বেশ বেচাবিক্রি হচ্ছে বলে জানালেন তিনি। তিনি বলেন, এ সড়কটি হওয়ার পর ব্যবসার গতি বেড়েছে। এখন আর একা পারি না। সঙ্গে সহযোগী লাগে।

রাঙামাটির ফল ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, এ সড়ক হওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়েছে। আগে পাহাড়ের ভেতরে থাকা আম, কাঁঠাল, আনারস পচে পড়ে থাকত। পাহাড় থেকে এগুলো বের করে এনে বিক্রি করা কঠিন হেয় যেত। এখন রাস্তার পাশে যে যেভাবে পারে ফল নিয়ে বসে যায়। খুচরা বিক্রি হচ্ছে এসব ফল। বাজারে আনাও সহজ হয়ে গেছে। যারা অল্প উৎপাদন করছে তারা পথিমধ্যে পর্যটকদের কাছে বিক্রি করে দিতে পারছেন। আর ব্যবসায়ীরা গাড়িতে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতে পারছেন। ফলে ব্যবসায় গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি অনেকের অভাবও দূর হয়েছে।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা বাতিল আন্দোলনরত রাবি শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

ওবায়দুল ইসলাম রবি - রাজশাহী ব্যুরো প্রধান

আন্দোলনরত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে কোটা পদ্ধতি সংস্কার করার একদফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ গণপদযাত্রা ও স্মারক লিপি জমা দিয়েছেন। রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদর কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও তাদের সাথে দেখা করে কথা বলায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

পায়ে হেটে প্রায় ৯ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে জেলা প্রশাসকের মেইন গেটের সামনে গেলে কর্তব্যরত পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের থামিয়ে কয়েকজনকে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য যাওয়ার অনুরোধ করেন।

রবিবার সকাল ১১ টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর তালাইমারি মোড় থেকে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমবেত হয়। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পদযাত্রা বেগমান করে তোলেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৮ জনের প্রতিনিধি দল রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সভাকক্ষে যান। এসময় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধিদল শিক্ষার্থীদের সুন্দর পরিবেশে বসার জায়গা করে দেন। কিছুক্ষণ পরই জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ সভাকক্ষে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর লিখিত স্মারক লিপি গ্রহণ করে আজকের মধ্যেই তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানোর আশ্বাস প্রদান করেন।

ওই সময় শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট করে পায়ে হেঁটে এসেছেন এই কথাগুলোই আপনি তাদের সামনে গিয়ে বললে আশ্বস্থ হবেন ও তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন আরও সুশৃঙ্খল হবে বলে জানান। জেলা প্রশাসক তাদের কথা রাখেন ও মেইন গেটের সামনে গিয়ে কথা বলেন এবং স্মারক লিপি রাষ্ট্রপতির নিকট আজকেই পাঠানোর কথা জানালে তারা উল্লাসিত হয়ে স্লোগান দেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, এই আন্দোলন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলায় রুপ না নেয় এবং জানমালের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।


আরও খবর



জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image
মোঃ আবু সুফিয়ান মুক্তার - জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি::



গতকাল ১৭ জুলাই বুধবার পাঁচবিবির উপজেলার কামদিয়া রোডে রুনিহালী মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় ইট বোঝায় ট্রাক। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান অটো বাইককে সাইট দিতে গিয়ে এই দূরঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায় প্রায় সময় হরেন্দা টু শালাইপুর এই রোডে এরকম দূর্ঘটনা নিয়মিত ঘটে।

আরও খবর



সিলেট-সুনামগঞ্জে ফের বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

বৃষ্টিপাত কমায় গত কিছুদিন ধরে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি ক্রমাগতভাবে কমে বন্যা পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল। কিন্তু আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ জায়গায় ভারী বর্ষণে সিলেট-সুনামগঞ্জে ফের বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির সমতল বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী ২৪ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারী এবং আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে এ সময় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী সমূহের পানিসমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।

এ ছাড়া আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা, কুশিয়ারা, পুরাতন-সুরমা, সারিগোয়াইন নদীর পানিসমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কতিপয় নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

এদিকে, শনিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপ বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বিহার, কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পাউবোর এক বার্তায় বলা হয়েছে- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি সামগ্রিকভাবে কমছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী সাতদিন মাঝারি থেকে ভারী এবং কখনো কখনো ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে, এসময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি বাড়তে পারে। চলতি মাসের শেষভাগ থেকে আগামী মাসের প্রথমভাগ নাগাদ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীগুলোর (সুরমা, কুশিয়ারা, পুরাতন-সুরমা, সারিগোয়াইন ইত্যাদি) পানি দ্রুত বেড়ে নিম্নাঞ্চলে বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোর পানি কমছে ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। আগামী তিনদিন পর্যন্ত পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। পরবর্তীতে আগামী জুলাই মাসের শুরু থেকে পানি বাড়তে পারে এবং জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষ ভাগ নাগাদ সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এ সময় দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে এ অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর পানি সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে।

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীলভাবে বাড়ছে। আগামী সাতদিন, গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকা অঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান আছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, আগামী সাতদিন দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে এসময়ে এ অঞ্চলের নদীগুলোর পানি সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে।

 


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বঙ্গভবন অভিমুখে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

জিরো পয়েন্টে পুলিশের ব্যারিকেড

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ |

Image

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পূর্বঘোষিত গণপদযাত্রা নিয়ে বঙ্গভবন অভিমুখে এগিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তাদের এ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর জিরো পয়েন্টে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছেন পুলিশ সদস্যরা। ব্যারিকেডের কারণে সামনে এগোতে না পেরে সেখানে সড়কে বসে পড়েছেন তারা। সেখান থেকে তাদের ১০ জন প্রতিনিধি স্মারকলিপি নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বঙ্গভবনে। এই সময়ে বাকি শিক্ষার্থীরা অবস্থান করবেন জিরোপয়েন্ট থেকে সচিবালয়ের সামনের সড়কে।

জিরোপয়েন্টে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণপদযাত্রা করে শিক্ষাভবন মোড় হয়ে জিরোপয়েন্টে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গভবনে যাওয়ার পথে শত শত পুলিশ সদস্য ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। ফলে এই দিক দিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং কাউকেই ভেতরে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না পুলিশ।

এ অবস্থায় আন্দোলনকারীরা জিরো পয়েন্টে সড়কের ওপর বসে পড়েছেন। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

এসময় আন্দোলনের সমন্বয়করা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা ঢালাওভাবে বঙ্গভবন অভিমুখে যাবো না। আমাদের প্রতিনিধি যাবে।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ, মামলা তুলে নেওয়া ও কোটা সংস্কারের একদফা বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিতে দুপুর ১২টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে গণপদযাত্রা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাছাড়া অন্যান্য জেলা থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দুঃসংবাদ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস বাংলা:



অবসরের ছয় মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অবসরভাতা দেয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।



 তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষকদের অবসরভাতা ও কল্যাণভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব সমাধানে সরকার আন্তরিক রয়েছে।



গতকাল বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোসা. তাহমিনা বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।



স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোসা. তাহমিনা বেগমের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ খাতে পর্যাপ্ত অর্থ সংস্থান না থাকায় মূলত বেশি সময় লাগছে এবং সমস্যা তৈরি হচ্ছে।


অনিষ্পন্ন আবেদনের সংখ্যা বিবেচনায় ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের বাজেটে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ডের অনুকূলে ৩০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।


তাই এখন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ সব শিক্ষকদের অবসর গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে অবসরভাতা দেয়া সম্ভব নয়।


এদিকে, ঝিনাইদহ-২ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য নাসের শাহরিয়ার জাহেদীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৮ হাজার ৯৬৮টি। এর মধ্যে ৫ হাজার ১৮৪টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।


আরেক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে নওফেল বলেন, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন এমপিওভুক্ত মাদরাসা ৮ হাজার ৩১৪টি, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত মাদরাসা ১৬ হাজার ১৭৯টি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা ৬ হাজার ৮৮৯টি, দাখিল ও আলিম মাদরাসা ৯ হাজার ২৯০টি, এমপিওভুক্ত দাখিল মাদরাসা ৮ হাজার ২২৯টি এবং এমপিওভুক্ত আলিম মাদরাসা ৮৫টি।


আরও খবর