Logo
শিরোনাম

মালয়েশিয়ায় তিন মাসে ১৭১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বৈধ কাজের ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়ায় এসে প্রতারণার শিকার হওয়ায় ১৭১ বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির স্থানীয় পুলিশ। গত শনিবার জোহর বাহরু প্রদেশের কোটা টিংগি জেলা থেকে তাদের আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক হওয়া বাংলাদেশিরা বৈধ কাজের ভিসা নিয়ে মালয়েশিয়ায় এসেছে। কিন্তু গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা এজেন্টের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে পারেননি। এমনকি তারা গত তিনমাস ধরে দেশটিতে বেকার রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে পুলিশ রিপোর্ট করার জন্য তারা নিজেদের বাসস্থান থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে বেয়ু দামাই থানার উদ্দেশ্য প্রায় ২ কিলোমিটার লম্বা লাইন ধরে রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনা মালয়েশিয়ার জনসাধারণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

কোটা টিংগি জেলার পুলিশ প্রধান হুসেন জামোরা দেশটির সংবাদমাধ্যম বারনামাকে জানায়, আটক বাংলাদেশিদের মালয়েশিয়ায় নিয়ে আসা এজেন্টদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একটি নতুন পুলিশ টিম গঠন করা হয়েছে। আটকদের আরও তদন্তের জন্য জোহর বাহরুর সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটক বাংলাদেশিরা ১৯ থেকে ৪৩ বছর বয়সী। তাদের দেশটির অভিবাসন আইনের অধীনে তদন্তের জন্য আটক করা হয়েছে।


আরও খবর



রাইসির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন মুসলিম বিশ্ব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুসলিম দেশগুলোতে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান তার এক্স অ্যাকাউন্টে আবেগঘন একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, আমি আমার এক ভাই হারালাম। প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ছিলেন আমার প্রিয় একটি ভাই। তাকে হারিয়ে আমি গভীর শোকাহত।

তিনি আরও লেখেন, এই শোকের দিনে তুরস্কের মানুষ ইরানি ভাইদের সঙ্গে আছে। প্রেসিডেন্ট রাইসির মৃত্যুতে তুরস্কের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণ গভীরভাবে শোকাহত। এটি কি নিছকই দুর্ঘটনা, না-কি এর পিছনে অন্য কিছু আছে, তা খুঁজে বের করতে ইরানি কর্তৃপক্ষকে সব ধরনের সহযোগীতা করবে তুরস্ক।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট রাইসি ও তার সঙ্গীদের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে জানায়, এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা ইরানের পাশে রয়েছি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ গভীর সমবেদনা এবং সহানুভূতি প্রকাশ করে এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, মহান ইরানি জাতি তাদের প্রথাগত সাহসের মাধ্যমেই এই ট্র্যাজেডি কাটিয়ে উঠবে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় পাকিস্তান একদিনের জন্য শোক পালন করবে এবং পাকিস্তান তার পতাকা অর্ধনমিত করবে।

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা এবং নিহতদের জন্য মহান আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমরা তার কাছেই ফিরে যাব।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, তার (ইব্রাহিম রাইসি) পরিবার এবং ইরানের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ভারত এই দুঃখের সময়ে ইরানের পাশে আছে।

এ ছাড়া ইরাক, সিরিয়া, আজারবাইজান, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, মিশর, লেবানন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, জর্ডান, কুয়েত, ইয়েমেন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় কাউন্সিল ও জাতিসংঘ মহাসচিব শোকপ্রকাশ করেছে।

এর আগে, রোববার (১৯ মে) আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। পরে দীর্ঘসময় উদ্ধার অভিযান চালানোর পর হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পায় তারা। এরপর হেলিকপ্টারে থাকা কোনো আরোহী জীবিত নেই বলে নিশ্চিত করা হয়।

এদিকে, ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর পর দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ মোখবের। তিনি বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট মারা গেলে বা কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে সক্ষম না হলে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং নতুন প্রেসিডেন্ট বেছে নিতে হবে। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলাবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য, ইরানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। তিন বছর আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ইব্রাহিম রাইসিকে মনে করা হয় একদিন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হবেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে দেশটির প্রধান বিচারপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নরেন্দ্র মোদি।


 আজ রোববার দেশটির স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনের আঙিনায় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  মন্ত্রিসভার ৭২ সদস্যও একযোগে শপথ নিচ্ছেন মোদির সঙ্গে। এর মধ্যে ৩০ জন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, পাঁচজন স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মোদিসহ অন্য মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।



শপথ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল, মৌরিতাস, মালদ্বীপ ও সিসিলিসের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি নতুন সরকারের একাধিক মন্ত্রীও শপথ নিচ্ছেন। এবার ৭২ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছেন মোদি। 


এই প্রতিবেদন পর্যন্ত শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন অমিত শাহ, এস জয়শঙ্কর, মনোহরলাল খট্টর,  নির্মলা সীতারামন, শিবরাজ সিংহ চৌহান, রাজনাথ সিং, নীতিন গড়করি, জেপি নাড্ডা, জেডিএস নেতা এইচডি কুমারস্বামী, পীযূষ গয়াল, ধর্মেন্দ্র প্রধান।


 

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাষ্ট্রপতি ভবন রাইসিনা হিলসে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশের সোয়াত এবং এনএসজির কমান্ডোদের অনুষ্ঠানস্থল ও কৌশলগত অবস্থানের চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে।


পুলিশ রাজধানীকে একটি ‘নো-ফ্লাই’ জোন ঘোষণা করেছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিন ড্রোন, প্যারা গ্লাইডার, রিমোটচালিত উড়োজাহাজ এবং গ্যাসভর্তি বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


আরও খবর



মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:


ভারতের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত যাচ্ছেন। আগামীকাল (৭ জুন) তার ভারতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। 


এর আগে বুধবার রাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানান।


বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।


ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ’র বিজয়ের পরপরেই অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


তার অভিনন্দনের জবাবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার (৫ জুন) এক্স হ‌্যা‌ন্ডে‌লে (টুইটার) এক পো‌স্টে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।


নরেন্দ্র মো‌দি লিখেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার আন্তরিক শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ জানাই। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, যা গত এক দশকে অভূতপূর্বভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। 


আমি আমাদের জনকেন্দ্রিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।


অন্যদিকে এদিন নরেন্দ্র মোদিকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে আমি ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য আপনাকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই।


প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন বিরল তৃতীয় মেয়াদে নতুন করে জনগণের রায় নিয়ে মোদির এ নবযাত্রায় দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সব ক্ষেত্রেই অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



তাপদাহ পেরিয়ে এলো 'মধুমাস'

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

নানান ফলের সমাহার নিয়ে এসেছে জ্যৈষ্ঠ মাস। হরেক রসালো ফলের মৌ মৌ ঘ্রাণে এখন প্রকৃতি উতলা।

বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, বৈশাখের বিদায়ের মধ্য দিয়ে আজ বুধবার (১৫ মে) শুরু হলো জ্যৈষ্ঠ। যা লোকমুখে মধুমাস বলেই পরিচিত। যদিও বাংলা অভিধানে চৈত্রকেই মধুমাস বলা হয়। তাছাড়া মধু ফলের মধ্যে নয়, ফুলের মধ্যে থাকে। কিন্তু অভিধানের সে মধুমাস অভিধানেই থেকে গেছে। ফলপ্রিয় বাঙালি জ্যৈষ্ঠকেই মধুমাস বলে চিনে আসছে। তাদের মুখে, জিভে ও বিশ্বাসে জ্যৈষ্ঠই যেন মধুমাস।

জ্যৈষ্ঠের আগমনে এখন গাছে গাছে নানা জাতের বাহারি সুস্বাদু ফল। অবশ্য এরই মধ্যে শহর কিংবা গ্রামের বাজারগুলোতেও দেখা মিলছে হরেক ফলের। পাকা ফলের মধুর ঘ্রাণ আর মৌমাছির গুঞ্জরনে মুখরিত চারদিক। জ্যৈষ্ঠে ঘরে ঘরে দেখা যাবে ফল উৎসবের আমেজ। একে অন্যের বাড়িতে উপহার হিসেবেও পাঠাবে ফল।

খুলনাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গার গাছে গাছে পেকে আছে আম। কোনোটা সিঁদুরে, কোনোটা হলদে, কোনোটা উভয়েরই মিশ্রণে রাঙানো। একেক আমের একেক নাম। ওদিকে পেকেছে লিচু। লিচুর গাছে দিনে পাখি আর রাতে বাদুড়ের কোলাহল। পাকা জামও জিভে আনছে জল। সেই জামের মধুর রসে মুখ রঙিন করার স্বপ্ন উঁকি দিচ্ছে।

এছাড়া জামরুল, আনারস, করমচা, আতা, তরমুজ, ফুটি, বাঙ্গি, বেল, কাঁচাতাল, জাম্বুরা, কাউফল, গোলাপজাম, কামরাঙা, লটকনসহ হরেক ফল জাগিয়ে তুলেছে বাঙালির রসনাবিলাসকে। পুষ্টিকর এসব ফলের প্রাচুর্য জ্যৈষ্ঠকে করেছে প্রকৃতির অনন্য মাস।

এই জ্যৈষ্ঠে গাছ থেকে নামানো তাজা ফলের সুবাস ছড়াবে গ্রামের হাটবাজারে। শুধু হাটবাজার নয়, শহরের ফলের দোকানেও দেখা মিলবে বাহারি ফলের সাজানো পসরা।

যদিও অনেক অসাধু বিক্রেতা ফলকে তাজা দেখাতে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে এরই মধ্যে কিছু ফল বাজারে তুলেছেন। এ অপতৎপরতা বন্ধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র কৃষিবিদ মো. মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, মধুমাসের মিষ্টি ও সুস্বাদু ফল মিশে আছে আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গে। দেশীয় ফল আমাদের সংস্কৃতি, সভ্যতা ও ঐতিহ্যের বড় একটি অংশ। জ্যৈষ্ঠ মাসের ফল পরিবেশের যেমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, তেমনি স্বাদ ও পুষ্টিতেও অনন্য।

তিনি বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় পুরোপুরি পুষ্ট হওয়ার আগেই এসব ফল হারভেস্ট (পেড়ে বাজারজাত) করছেন। ফলে স্বাদ ও পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভোক্তা। এজন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক বেঁধে দেওয়া সময়ে হারভেস্ট (পাড়া ও বাজারজাত) করার আহ্বান করা হয়েছে।


আরও খবর



দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


২০২৪-২৫ অর্থবছরে জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে এনইসি।


বৃহস্পতিবার (১৬ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসির সভায় এই উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।



সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার জানান, ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


তিনি আরও জানান, সভায় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্পোরেশনের প্রায় ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থায়ন ১১ হাজার ৬৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়ন ১ হাজার ৫৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। 


সুতরাং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পের বরাদ্দসহ এডিপির সর্বমোট আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ।


২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপির আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা ১৩২১টি। সত্যজিৎ কর্মকার জানান, বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, বিদ্যুৎ খাত, শ্রম-শক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাসকরণ সংক্রান্ত প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর