Logo
শিরোনাম

নির্বাচন হতে হবে সহিংসতা ছাড়াই

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি আরও জানায়, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অন্যতম একটি শর্ত বা উপাদান হলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, দেশে আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক ম্যাথিউ মিলারের কাছে জানতে চান, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদ নির্বাচনকে ভন্ডুল করতে অবরোধের মধ্যে যাত্রীবাহী বাস-ট্রাকে অগ্নিসংযোগ, প্রত্যক্ষদর্শী বাস হেলপারদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারা, রেললাইন উপড়ে ফেলা এবং ট্রেনের বগিতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের মতো নাশকতা সৃষ্টিকারী ঘটনা ঘটছে। যুক্তরাষ্ট্র কি এ ধরনের পদক্ষেপকে বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে বলে মনে করে?

জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র বলেন, আমরা ধারাবাহিকভাবে বলছি যে, আমরা বাংলাদেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চাই। একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অন্যতম উপাদান বা শর্ত হলোসহিংসতা ছাড়াই সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।

এর আগে, স্থানীয় সময় বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারকে জিজ্ঞেস করা হয়, ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কোনো খবর আছে কিনা। জবাবে তিনি বলেন, নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞার খবর তার কাছে নেই। তা ছাড়া আরোপ করার আগে নিষেধাজ্ঞার বিষয় প্রকাশ না করা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের চর্চা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে দাবি করা হয়, বাংলাদেশে আসন্ন ডামি নির্বাচন সামনে রেখে শেখ হাসিনার সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভুয়া খবর ও ভুয়া ভিডিওসহ সুপরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা বা প্রচারণা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রচারণায় ডিপ ফেক প্রযুক্তির ব্যবহারের উদ্বেগজনক খবর আমাদের নজরে এসেছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবিত করতে বিশ্বজুড়ে এআই ব্যবহারের উদ্বেগজনক প্রবণতার অংশ এটি।

অপর এক প্রশ্নে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশে মৌলিক অধিকার রক্ষায় একযোগে কাজ করতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে ছয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। অন্যদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দাবি করছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রকেও ম্যানেজ করতে পারবেন। সরকার গঠনের পর যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সমর্থন করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি (পররাষ্ট্রমন্ত্রী)। সে বিষয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, হাজার হাজার বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার ও কারাগারে নির্যাতনের প্রতিবেদনে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন ও সহিংসতা এড়াতে আহ্বান জানাই। আমরা বাংলাদেশ সরকারকে এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে সব অংশীদারের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই, যাতে সবাই সহিংসতা বা প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই প্রাক-নির্বাচন এবং নির্বাচনী পরিবেশে অবাধে অংশগ্রহণ করতে পারে।

 


আরও খবর



বাবার পদবি বাদ দিতে আদালতে ব্র্যাড পিট-জোলির কন্যা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


নিজ নামের শেষ অংশ থেকে বাবার নাম বাদ দিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দম্পতির কন্যা শিলো নুভেল জোলি-পিট। 



‘পিট’ পদবি বাদ দিয়ে এখন শুধু ‘শিলো জোলি’ নামেই পরিচিত হতে চান তিনি। এজন্য গত ২৭ মে তার ১৮ তম জন্মদিনে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালতে আবেদন করেছেন তিনি। 



২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তবে তাদের বিচ্ছেদের রায় এখনও চূড়ান্ত হয়নি। উপরন্তু, তারা বর্তমানে একসাথে কেনা একটি ফরাসি ওয়াইনারি শ্যাটো মিরাভাল নিয়েও আইনি লড়াইয়ে জড়িত।


অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের ছয় সন্তানের মধ্যে শিলো তৃতীয়। তবে তিনিই প্রথম নন যিনি পিট নাম থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। এ বছরের শুরুর দিকে তার ১৫ বছর বয়সী বোন ভিভিয়েন 'দ্য আউটসাইডারস' মঞ্চনাটকে শুধু তার মায়ের শেষ নাম ব্যবহার করেন। 


২০২৩ সালের একটি ভিডিওতে, বড় মেয়ে জাহারাকে স্পেলম্যান কলেজে আলফা কাপ্পা আলফা সোরোরিটিতে যোগদানের সময় নিজেকে জাহারা মার্লে জোলি হিসাবে পরিচয় দিতে শোনা যায়।


তবে অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র কুংফু পান্ডা ৩-এ ভয়েস অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করা শিলো ভাইবোনদের মধ্যে প্রথম যিনি যিনি আইনিভাবে নাম পরিবর্তনের পথে হাঁটলেন। 


ব্র্যাড এবং অ্যাঞ্জেলিনার ছয় সন্তানের নাম ম্যাডক্স, জাহারা, শিলো, প্যাক্স এবং যমজ নক্স ও ভিভিয়েন। তারা বর্তমানে জোলির অভিভাবকত্বে রয়েছে।



আরও খবর



গুণগত মানের চা রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি রিপোর্ট:


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চা রপ্তানির পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকার উৎপাদনের পাশাপাশি গুণগতমানের চা রপ্তানি বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে। 


তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ১৩টি দেশে চা রপ্তানি করে ২০২৩ সালে প্রায় ২৭২ মিলিয়ন টাকা আয় হয়েছে। চা রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে রপ্তানিতে নগদ ভর্তুকি প্রদান, শ্রেষ্ঠ চা রপ্তানিকারক ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার প্রদান, আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ, দেশীয় চায়ের প্রচার প্রচারণা বৃদ্ধিতে দূতাবাসগুলোকে আরও গতিশীল করাসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’



আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) ‘জাতীয় চা দিবস’ উপলক্ষে গতকাল সোমবার দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে চতুর্থবারের মতো এ বছর ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৪’ উদযাপন হচ্ছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য—‘স্মার্ট বাংলাদেশের সংকল্প, রপ্তানিমুখী চা শিল্প’, যা সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”


শেখ হাসিনা বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৪ জুন প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেন। 


পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের চা শিল্পে অসামান্য অবদান রাখেন। তাঁর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় ১৯৫৭ সালে শ্রীমঙ্গলে চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ঢাকার মতিঝিলে চা বোর্ডের কার্যালয় স্থাপিত হয়।’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা চা শ্রমিকদের শ্রমকল্যাণ, যেমন বিনামূল্যে বাসস্থান, সুপেয় পানি, প্রাথমিক শিক্ষা ও রেশন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাগান মালিকদের নির্দেশনা প্রদান করেন। 


তিনি চা শ্রমিকদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেন এবং ভোটাধিকার প্রদান করেন। চা শিল্পে জাতির পিতার অবদান এবং চা বোর্ডে যোগদানের তারিখকে স্মরণীয় করতে ৪ জুনকে ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।’



শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক গৃহীত নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের চা শিল্প এখন টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদিত হয়েছে। চা উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার বড় বাগানের পাশাপাশি সমতলে ক্ষুদ্রায়তন চা আবাদে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। গত দুই দশকে দেশের উত্তরাঞ্চলে সমতল ভূমিতে চা আবাদে বিপ্লব ঘটেছে।’



প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে পঞ্চগড় জেলায় প্রথম চা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বাণিজ্যিকভাবে চা চাষে বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।


 চা চাষের ফলে এসব জেলায় মানুষের দারিদ্র্য বিমোচনসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এ অঞ্চলের চা শিল্পের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৩ সালে সরকার পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করে। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে দৈনিক মজুরি বৃদ্ধিসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।’



শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম স্তম্ভ হলো স্মার্ট অর্থনীতি। আমি প্রত্যাশা করি, চা শিল্পে স্মার্ট কমার্স বাস্তবায়ন ও বহুমুখী রপ্তানি বৃদ্ধিতে উৎপাদনকারী ও বিপণনকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করবে।


আরও খবর



উপজেলা নির্বাচন: তৃতীয় ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 নিজস্ব প্রতিবেদক:

উপজেলা পরিষদে গত ১০ বছরের হিসাবে অনির্বাচিতদের তুলনায় নির্বাচিতদের আয় বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। 


আর সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩৭ গুণ। তৃতীয় ধাপে ১১১ উপজেলার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিদের ১৮ জন স্বজন। আর এ ধাপে কোটিপতি রয়েছেন ১০৬ জন। ১০ বছরে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় চার গুণ।


সোমবার (২৭ মে) ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ ধাপের ভোটে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।



টিআইবি জানায়, প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রার্থী ঋণ বা দায় রয়েছে। এই ধাপে ভোটে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৪১৯ প্রার্থীর মধ্যে ২২৭ জনই বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত। সেই সঙ্গে অতীতে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত রয়েছেন ৩০৭ জন। 


তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৪৮১ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে নারী মাত্র ২০ জন। ভাইস চেয়ারম্যান ৫৬১ এবং ৩৭৭ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৬৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ; ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রার্থী পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী দেখিয়েছেন।


টিআইবি আরও জানায়, প্রথম ধাপে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের ১৩ জন, দ্বিতীয় ধাপে ১৭ জন এবং তৃতীয় ধাপেও ১৭ জন স্বজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এই ধাপে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনের মধ্যে একজন ভাইস চেয়ারম্যানও রয়েছেন।



প্রতিবেদনে জানানো হয়, তৃতীয় ধাপে জমির মালিকানার দিক দিয়ে আইনি সীমা অতিক্রম করেছেন ছয়জন প্রার্থী। আইন অনুযায়ী, একজন নাগরিক সর্বোচ্চ ১০০ বিঘা বা ৩৩ একর জমির মালিক হতে পারেন। এই তালিকার শীর্ষে আছেন দোয়ারাবাজার উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী দেওয়ান আশিদ রাজা চৌধুরী। 


তার মোট জমির পরিমাণ ২৮০ একর। সীমার বাইরে জমির মালিক বাকিরা হলেন সাদুল্লাপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রেজাউল করিম, রাণীনগরের মো. রাহিদ সরদার, সোনাগাজীর জহির উদ্দিন মাহমুদ, পটিয়ার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজেদা বেগম ও ইটনার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সিব্বির মাহমুদ।


প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় অন্তত ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ৭৪। একই সময়ে ১০০ শতাংশের বেশি স্ত্রী বা স্বামী ও নির্ভরশীলদের অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ২২ জনের। ২০১৪ সাল থেকে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি আয় বেড়েছে ৪৫ জনের। একই সময়ে ১০০ শতাংশ বা তার বেশি অস্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৫৩ জনের।


টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৫ বছরে অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধিতে উপজেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা পেছনে ফেলেছেন সংসদ সদস্যদের। একজন সংসদ সদস্যের অস্থাবর সম্পদ বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬৫ শতাংশ। যেখানে একজন চেয়ারম্যানের বেড়েছে ৯ হাজার ৮৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ।


জাতীয় পর্যায়ে যে এক দলের আধিপত্য স্থানীয় নির্বাচনেও তা বিকেন্দ্রীকরণ হয়েছে জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বড় দুটি দলের দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে অনেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। এটি ইঙ্গিত দেয়, দলীয় আদর্শ বা নৈতিক আদর্শের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। 


যেহেতু ক্ষমতায় থাকতে পারলে নির্বাচিত হতে পারলে সম্পদ এবং আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। অর্থাৎ, রাজনীতি, জনপ্রতিনিধিত্ব এর মধ্যে জনস্বার্থের উপস্থিতি এই ক্ষেত্রে নেই। যেটি আছে সেটি হচ্ছে নিজস্ব ব্যক্তিগত স্বার্থ।


তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে এটি দেখানো একটি বিষয়। এটি একধরনের পাতানো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের খেলা।


অস্বাভাবিক আয়ের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তিনি।


আরেকটি কথা হচ্ছে কর বাড়ার বিবেচনায় এটি করা হয়। ১৮-১৯ বছর যাবৎ এই কাজটি করা হচ্ছে। রাজস্ব বোর্ডের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য হারে এ জন্য কোনো বছরই কর আদায় হয়নি অবৈধতাকে বৈধতা দেওয়ার মাধ্যমে যোগ করেন তিনি।


আরও খবর



ফোনে কথা বলার খরচ বাড়ল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি   ডিজিটাল ডেস্ক:


দেশের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের দুঃসংবাদ। ফোনে কথা বলার খরচ বেড়েছে। 


২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে মোবাইল ফোনের কল রেটের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। 


আগে মোবাইলফোনের কল রেটের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক দিতে হতো গ্রাহকদের। এখন তা আরও ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এর সঙ্গে ভোক্তাদের ১ শতাংশ সারচার্জ দিতে হবে।



এই অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল ফোনের ওপর নতুন করে সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়ানোয় একজন গ্রাহক এখন ১০০ টাকার রিচার্জ করলে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক কেটে নেওয়ার পর ৬৯ টাকা ৩৫ পয়সার কথা বলতে পারবেন।


আগে ১০০ টাকা রিচার্জ করলে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক কেটে নেওয়ার পর গ্রাহকরা ৭৩ টাকার কথা বলতে পারতেন। অর্থাৎ ১০০ টাকা রিচার্জে আগের চেয়ে ৩ টাকা ৬৫ পয়সার কথা কম বলতে পারবেন গ্রাহকরা।



ফোনের কলরেটে এই সম্পুরক শুল্ক আজ থেকেই কার্যকর করবে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। কেননা, বাজেট ঘোষণার জন্য অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়া শুরু করলেই এ সংক্রান্ত আদেশ (এসআরও) মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে পাঠানো হয়।


 ফলে বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেল ৩টার পর থেকেই নতুন হারে গ্রাহকের কাছ থেকে কর কর্তন শুরু করা হতে পারে।


আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা ও গরীব অসহায়দের চিকিৎসায় কোনো ফি নেন না ডা. এজাজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইনঃ

কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের সিংহভাগ নাটক-সিনেমায় অভিনয় করেছেন অভিনেতা ডা. এজাজ। 


তার নাম মনে হলেই চোখের পর্দায় ভেসে ওঠে হাসিখুশি সাবলীল এক গুণী অভিনেতার মুখ। অভিনয়ের পাশাপাশি ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।


 আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল মানুষদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ হিসেবেও পরিচিত।



মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময়ই রংপুর বেতারে নিয়মিত সংবাদ পাঠ করতেন, অংশ নিতেন রেডিওর নাটকে। চিকিৎসাবিদ্যা পড়াশোনার বরাতে হয়েছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান। এখন অবসর। এই অবসরে অভিনয় আর পুরোপুরি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ডা. এজাজুল হক এজাজ।


সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দরিদ্রদের জন্য চিকিৎসা নিয়ে তিনি বলেন, দেখেন আমি হয়তো সবক্ষেত্রে সবার সহায়তা করতে পারি না। কারণ আমি তো সব ধরনের বিশেষজ্ঞ নই। তারপরেও যারা আমার কাছে আসেন, আমি তাদের সেই মতো হাসপাতালে স্থানান্তর করি।


 এরপর তার যেন খরচ কম হয়, ওই হাসপাতালে বলে দেওয়ার চেষ্টা করি। আর আমি মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার ফি নিই না। কারণ তাদের কাছে আমরা ঋণী। তাদের সেবা করতে পারাটাও সৌভাগ্যের।



একটা হাসপাতাল তৈরি করার স্বপ্ন আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেখানে গরিব রোগীদের বিনে পয়সায় চিকিৎসা হবে। ধরেন, কথার কথা আমি যদি কোনোভাবে ৫০ কোটি টাকা পেয়ে যাই-তাহলে আমি কিন্তু কানাডা বা দুবাইয়ে বাড়ি কিনব না। এমন অভিলাষ আমার নেই। 


আমি সেই টাকা দিয়ে একটা হাসপাতাল করব। কিছুদিন আগে এক অর্থবান ভদ্রলোক এসেছিলেন। তিনি আমাকে বলছিলেন একটা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল করবেন, আমাকে তার সঙ্গে থাকতে হবে, দায়িত্ব নিতে হবে। 


আমি বললাম আমার একটা শর্ত আছে, ওই হাসপাতালে একটা কর্নার করতে হবে যেখানে গরিব রোগীরা বিনে পয়সায়, বা নামমাত্র মূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন। ওই ভদ্রলোক আর যোগাযোগ করেননি।


গাজীপুর চৌরাস্তায় রয়েছে এজাজ সেন্টার।সেখানে নিয়মিত রুগি দেখেন তিনি।নামমাত্র ফি নেন এই বরেন্য চিকিৎসক।তার ব্যবস্থাপত্রেও থাকে ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকা ঔষধের নাম।অমায়িক আচরনের এই মানুষটি তার শিল্পী সত্ত্বা দিয়েই শুধু নয় চিকিৎসক হিসেবেও নাম কুড়িয়েছেন গাজীপুরসহ সারাদেশের প্রত্যন্ত জনপদে।




আরও খবর