Logo
শিরোনাম

ভালমন্দ খেলেই বদহজম হচ্ছে? ডিসপেপসিয়ায় আক্রান্ত নন তো?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

স্বাস্থ্য টিপস : অনেকেই আছেন সামান্য কিছু খেলেই শুরু হয়ে যায় বদহজম। কখনও ডায়রিয়া, কখনও গ্যাস, কখনও অ্যাসিডিটি। কখনও বমিও শুরু হয়ে যায়।  

হজম সংক্রান্ত গোলমাল ও পেটের নানা সমস্যাকে একসঙ্গে ডিসপেপসিয়া বলা হয়। অনেকের ধারণা— বদহজম মানেই ডিসপেপসিয়া। কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। বমি ভাব, গ্যাস্ট্রিক, পেট গুড়গুড় করা, খিদে পেলে বা অন্য সময়ে পেটব্যথা, গলা জ্বালা, কখনও কখনও পেটের মধ্যে গ্যাস হয়ে পেট ফুলে যাওয়া, আবার পর্যায়ক্রমে কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া হওয়া— সব একসঙ্গে হলে তাকে বলা হয় ডিসপেপসিয়া।  

চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের সমস্যা মেয়েদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। দুশ্চিন্তা ও অবসাদ থাকলে সমস্যা বাড়ে। 

এসব ক্ষেত্রে নিজেরা চিকিৎসার চেষ্টা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। 

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় দুধ, শাক, গমের তৈরি খাবার যেমন রুটি, বিস্কুট ইত্যাদি খেলে সমস্যা হয়। তেলেভাজা খাবার, মিষ্টি, কফি ইত্যাদি বাদ দিতে হবে, নয়তো সমস্যা বাড়বে। বাড়িতে রান্না করা খাবার খেলে ভালো। অনেক ক্ষণ না খেয়ে থাকা এড়িয়ে চলতে হবে।  


আরও খবর



মেমোরিয়াল হাসপাতালে প্রসুতির মৃত্যুর ঘটনা গোপন করার অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

মোহাম্মদ শাহেদ হোসেনরানা, রামগড়(খাগড়াছড়ি) :

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে প্রসূতির মৃত্যুকে গোপন করে অন্যত্র রেফার করার অভিযোগ উঠেছে সদ্য চালু হওয়া রামগড় মেমোরিয়াল হাসপাতালের বিরুদ্ধে। 

রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) প্রসূতি শিরীন আক্তারের মৃত্যু  ঐ হাসপাতালে হয়েছে বলে জানান স্বামী আবুল খায়ের।

রামগড়ের পার্শ্ববর্তী উত্তর ফটিকছড়ির প্রত্যন্ত হলুদিয়া মাস্টারপাড়া গ্রামের আবুল খায়ের রোববার বেলা ১১ টার দিকে প্রসব ব্যথা নিয়ে মেমোরিয়াল হাসপাতালে স্ত্রী শিরিনকে নিয়ে আসেন। মেমোরিয়ালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: শারমিন আক্তার সুমি রোগীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সিজার করতে হবে বলে জানালে আবুল খায়ের রোগীকে ভর্তি করান। ভর্তির পর রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং রক্তের ব্যবস্থা করতেও বলেন। এর এক ঘন্টা পর ডাক্তার বলেন রোগীর অবস্থা ভালো না তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অচেতন স্ত্রীর গায়ে হাত দিয়ে স্বামী আবুল খায়ের ওই ডাক্তার কে বলেন রোগী মনে হয় মারা গেছে। তার উত্তরে ডাক্তার বলেন মারা গেলে কি করার আছে সবকিছু আল্লাহর হাতে।

পরে রোগীর আত্মীয়-স্বজনের সন্দেহ হলে রোগীকে রামগড়ের বাহিরের হাসপাতালে না নিয়ে মেমোরিয়ালের পার্শ্ববর্তী রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রোকসানা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

এই ঘটনায় দরিদ্র দিনমজুর স্বামী বেসরকারি হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করেন। 

এদিকে অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চাইলে রামগড় মেমোরিয়াল হাসপাতালের পরিচালক মো. আলম বলেন, রোগীটি এক্লাম্পসিয়া রোগে আক্রান্ত ছিলো। শ্বাসকষ্ট ও খিচুনির কারণে সিজার করা সম্ভব নয় বলে দায়িত্বরত ডাক্তার ওই রোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে রেফার করেন। তাদের হাসপাতালে রোগীর মারা যাওয়ার কথা তিনি অস্বীকার করেন। 

খাগড়াছড়ি সিভিল সার্জন সূত্রে জানাযায়, রামগড়  মেমোরিয়াল হাসপাতালের এখন পর্যন্ত সরকারি অনুমোদন নেই। একটি অনুমোদিত হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মত এরকম অপারেশন করানো আইনত দন্ডনীয়।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতা আফরিন বলেন, এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করেনি, তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।


আরও খবর



দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন দামে সংকটে মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে সব স্তরের মানুষ ভোগান্তিতে পড়লেও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য তা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় সংকুলান করার কোনো পথ তারা খুঁজে না পেয়ে মধ্যবিত্তরা দিশেহারা। প্রতি ডজন ডিমের দাম কয়েক মাসের ব্যবধানে ১২৫-১৩০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৫০-১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এখন ১২.৫০ টাকায় প্রতিটি ডিম পাওয়া গেলেও কদিন আগেই এটি ১৫ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০-৩৫ টাকা থেকে এক মাসের ব্যবধানেই ৪৫-৫০ টাকায় উঠেছে।

দিনমজুর হিসেবে ঢাকায় কাজ করেন ইব্রাহীম। তার একার রোজগারে চারজনের পরিবারের খরচ চলে। রান্নায় তার পরিবারে সবজির মধ্যে আলুর ব্যবহার ছিল সবচেয়ে বেশি। দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার পর থেকেই সপ্তাহে দুই কেজি আলুর জায়গায় এখন তিনি এক কেজি কিনছেন। তার বাড়িতে এখন আলু কম দিয়ে ঝোল বাড়িয়ে দিয়ে ডিমের তরকারি রান্না হয়।

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন দামে ইব্রাহীমের মতো সীমিত আয়ের অনেকেই এখন সংসারের ব্যয় কাটছাঁটের চাপে পড়েছেন। কারণ ডিম, আলু, পাঙাশ মাছ, তেলাপিয়া, ব্রয়লার মুরগির মতো সবচেয়ে সস্তার খাবারগুলোও এখন উচ্চমূল্যে কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদেরকে


পণ্যমূল্য বৃদ্ধির উত্তাপ লেগেছে বেসরকারি চাকরিজীবী আফসার উদ্দিনের গায়েও। একটি সাবলেট বাসায় স্কুলপড়ুয়া এক ছেলেসহ তিনজনের সংসার তার। ডিমের দাম যখন কম ছিল, তখন সকালে প্রায় প্রতিদিন তিনজনে দুই-তিনটি ডিম সিদ্ধ করে খেতেন। এখন শুধু ছেলের জন্য একটি ডিমই সিদ্ধ হয়। ক্রমবর্ধমান খরচ তার মতো পরিবারগুলোর জন্য মানসম্মত জীবন যাপন কঠিন করে তুলেছে।


নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে সব স্তরের মানুষ ভোগান্তিতে পড়লেও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য তা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় সংকুলান করার কোনো পথ তারা খুঁজে না পেয়ে মধ্যবিত্তরা দিশেহারা।

প্রতি ডজন ডিমের দাম কয়েক মাসের ব্যবধানে ১২৫-১৩০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৫০-১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এখন ১২.৫০ টাকায় প্রতিটি ডিম পাওয়া গেলেও কদিন আগেই এটি ১৫ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি আলুর দাম ৩০-৩৫ টাকা থেকে এক মাসের ব্যবধানেই ৪৫-৫০ টাকায় উঠেছে।

প্রতি পিস ডিমের দাম যখন ১৫ টাকার বেশি হয়, তখন ঢাকার ফুটপাতের দোকানগুলোতে ডিমের তরকারির দাম ২০-২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকা হয়েছিল। ডিমের দাম যখন কমে এবং আলুর দাম বেড়ে যায়, তখন ডিমের তরকারি অনেক জায়গায়ই ৩৫ টাকা হয়ে গেছে।

আর আলু ভর্তার দাম কোথাও কোথাও এখন ১০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ টাকায় উঠেছে। কিন্তু যেসব বিক্রেতা দাম বাড়াননি, তারা ভর্তায় পরিমাণ কমিয়েছেন।

ঢাকার ফুটপাতের এই দোকানগুলোতে দিনে ও রাতে অসংখ্য দিনমজুর, গাড়িচালক, চাকরিজীবী খাবার খান। কারণ এসব দোকানে কম খরচে খাবার খাওয়া যায়।

সরকার এক সপ্তাহ আগে আলু, ডিম ও পেঁয়াজের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বেঁধে দিয়েছে। প্রতিটি ডিম ১২ টাকা, আলু ৩৫-৩৬ টাকা কেজি এবং দেশি পেঁয়াজ ৬৪-৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

কিন্তু ব্যবসায়ীরা তা মানছেন না। দাম বেঁধে দেওয়ার প্রায় সপ্তাহখানেক পার হতে চললেও একটি পণ্যও নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না। ডিম এখনো প্রতিটি ১২.৫০ টাকা, আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকায়। 

এর মধ্যে পেঁয়াজের দাম ৫-১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে এবং আলু কিছু জায়গায় ৫ টাকা পর্যন্ত কমে মিলছে। আর ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার দুই দফায় ১০ কোটি পিস ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে।

এসব আমদানির ডিম আগামী সপ্তাহ থেকে দেশে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন টাইগার ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী সাইফুর রহমান। এসব ডিম দেশে এলে ৯-১০ টাকায় বিক্রি হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



রামগড়ে ৪ জনকে অপহরণ, পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

মোহাম্মদ শাহেদ হোসেন রানা

,রামগড়(খাগড়াছড়ি :

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপ গাড়ীর ২ চালক ও ২ হেলপারকে অপহরন করেছে সশস্ত্র উগ্র উপজাতি অস্ত্রধারীরা।গতকাল রবিবার রাত ৯টার দিকে খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়-জালিয়াপাড়া সড়কের বনবীথি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। 

সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলে করে আসা ৮ থেকে ১০ জন সশস্ত্র উপজাতি অস্ত্রধারী ১টি কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা মেট্রো ন-১৮-২৬৪১) এবং ১টি মিনি ট্রাক (চট্টমেট্রো ন-১১-৯১৪৬) গতিরোধ করে থামিয়ে কাভার্ড ভ্যান চালক মো. জায়েদ হোসেন (৩০), হেলপার মো. হান্নান (২৫) এবং মিনি ট্রাক চালক মো. আনোয়ার (৪০) ও হেলপার মো. মনির (২৮) কে অপহরণ করে  জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায়।

অপহরণকারীরা আঞ্চলিক সশস্ত্র উগ্র উপজাতি সংগঠন ইউপিডিএফ  (প্রসিত) গ্রুপের সদস্য বলে জানা গেছে। 

অপহরণের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে অপহৃতদের উদ্ধারে তাৎক্ষণিকভাবে রামগড় ৪৩ বিজিবি ও রামগড় থানা পুলিশের সমন্বয়ে যৌথদল অভিযান পরিচালনা করেন। প্রশাসনের অভিযানে এক পর্যায়ে সোমবার ভোরে অপহৃতকারীদের ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রামগড় থানা পুলিশ।

উল্লেখ্য, এর আগেও একই স্থান থেকে প্লাস্টিকের সামগ্রী ব্যবসার সাথে জড়িত দুইজন ব্যবসায়ীকে টাকার জন্য অপহরন করে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। পরে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পায় ফেনী থেকে আগত ব্যবসায়ীরা। সর্বশেষ গতবছরের ১১ এপ্রিল একই এলাকা থেকে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানের চালক ও রানারকে অপহরন করেছে সশস্ত্র উগ্র উপজাতি অস্ত্রধারীরা। পরে তারা মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড়া পায়।


আরও খবর



মাভাবিপ্রবিতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীন বরণ

প্রকাশিত:রবিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

মো.হৃদয় হোসাইন মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

 টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)  এর  টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং  বিভাগের নবীনবরন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইএসআরএম বিভাগের গ্যালারী রুমে  টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬ তম ব্যাচের (চিত্রক-১৬) শিক্ষার্থীরা এ অনুষ্ঠান আয়োজন করেন। 

উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং  বিভাগের  চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এসময় ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল মাহমুদ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. জয় কৃষ্ণ সাহা, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রকৌশলী এ.কে.এম আয়াতুল্লাহ হোসনে আসিফ উপস্থিত ছিলেন। 

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের  সহযোগী  অধ্যাপক  প্রকৌশলী এ.কে.এম আয়াতুল্লাহ হোসনে আসিফ বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পড়াশোনার যেমন দরকার আছে, ঠিক তেমনিই জীবনে মানুষের মত মানুষ ও রাষ্ট্রের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার জন্য এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিজ এর অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে । কারণ প্রথাগত বইয়ের সাথে তোমার ভালো সম্পর্ক হতেই পারে, কিন্তু বইয়ের বাহিরেও একটা বিশাল জগৎ আছে। এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস এর মাধ্যমে সুন্দর করে গুছিয়ে  কথা বলা, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি বিকশিত করা, বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে নিজেকে উপস্থাপনা করা ইত্যাদি গুন গুলো তোমার মধ্যে সঞ্চারিত হবে। তুমি একজন ভালো ছাত্র হতেই পার, কিন্তু তুমি একজন ভালো এডমিনিস্ট্রেটর নাও হতে পারো এবং তুমি একজন ভালো ছাত্র হতে পারো আবার একজন  ভালো শিক্ষক নাও হতে পারো। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সব সময় সবদিক দিয়েই সেরা। তাই এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস বাস্তব জীবনে সাফল্য অর্জন করতে সহায়তা করবে। 

সর্বশেষে তিনি সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন ও সফল করার জন্য টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


আরও খবর



ইউক্রেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধপ্রস্তুতির আহ্বান ন্যাটোপ্রধানের

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন পাল্টা আক্রমণ শুরু করলেও এই যুদ্ধ খুব শিগগির শেষ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন ন্যাটো প্রধান জেন্স স্টলটেনবার্গ। তিনি বলেছেন, শুরুর দিকে যা ধারণা করা হয়, বেশিরভাগ যুদ্ধই তার চেয়ে বেশিদিন টিকে। তাই আমাদের অবশ্যই ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

জার্মানির ফাঙ্ক মিডিয়া গ্রুপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন ন্যাটো মহাসচিব। রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত হয়েছে সাক্ষাৎকারটি।

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় আক্রমণ শুরু করেছিল রাশিয়া। গত জুনে তার পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইউক্রেন। রুশ বাহিনীর হাত থেকে ইউক্রেনের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল পুনরুদ্ধারের এই প্রচেষ্টায় অবশ্য এখন পর্যন্ত খুব একটা সফল হতে পারেনি কিয়েভ।

স্টলটেনবার্গ বলেছেন, আমরা সবাই দ্রুত শান্তির আশা করছি। তবে একই সঙ্গে এটিও স্বীকার করতে হবে, যদি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউক্রেনীয়রা লড়াই বন্ধ করে দেন, তাহলে তাদের দেশের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। যদি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও রাশিয়া অস্ত্র নামিয়ে রাখে, তাহলেই শান্তি আসবে।

ইউক্রেনকে পশ্চিমা সামরিক জোটের সদস্য করার বিষয়ে তিনি বলেন, ঘটনাক্রমে ইউক্রেন যে ন্যাটোর সদস্য হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। গত জুলাইয়ের সম্মেলনে ন্যাটোর আরও কাছাকাছি এসেছে কিয়েভ।

ন্যাটো প্রধানের কথায়, এই যুদ্ধ যখন শেষ হবে, তখন ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তার গ্যারান্টি দরকার। নাহলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

ভিলনিয়াসে জুলাইয়ের শীর্ষ সম্মেলনে ন্যাটো নেতারা সম্মত হয়েছেন, কিছু শর্ত পূরণ করলেই এই জোটে যোগ দিতে পারবে ইউক্রেন। এসব শর্তের মধ্যে দেশটিতে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির কর্মকর্তারা।


আরও খবর

পাকিস্তানি ১৬ ভিক্ষুক আটক

সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3