Logo
শিরোনাম

ভিকারুননিসার সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধ মামলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজধানীর ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজে অবৈধভাবে ৭২ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।


 বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. রুহল হক বাদী হায়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কামরুন নাহার এক আদেশে অবৈধ প্রক্রিয়ার ৭২ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ প্রধান করে অপরাধমূলক অসদাচরণ করে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।


মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৬ সালের ২০ এপ্রিল এক আদেশ অবৈধ প্রক্রিয়া শুরু করে ৭২ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেছেন। অথচ কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এডহক কমিটি কোনো শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবে না। 


তারপরও কামরুন নাহার নোটিশ বোর্ডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে একক স্বাক্ষরে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেছেন। ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।


এজাহারে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত বেশ কয়েকজন শিক্ষক অবসর গ্রহণ করার কারণে নতুন করে এনটিআরসির মাধ্যমে শূন্য পদে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ দেয়া হয় অস্থায়ীভাবে। স্কুল ফান্ড থেকে তাদের যাবতীয় বেতনভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। 


এই অস্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্তদের অব্যাহতি প্রদান বা পরবর্তীতে এনটিআরসির মাধ্যমে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের কোনো ধরনের ব্যবস্থা কামরুন নাহার নিজে অধ্যক্ষ থাকাকালীন বা স্কুল কর্তৃপক্ষ অদ্যাবধি গ্রহণ করেননি। যাদের নিয়োগ করা হয়েছে তাদের কোনো ধরনের লিখিত পরীক্ষা বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। 



শুধুমাত্র অল্প কয়েকজনের ডেমোলট্রেশন ক্লাস নেওয়া হয়েছিল। স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে নামমাত্র একটি নিয়োগ কমিটি করে এই কমিটির মাধ্যমে শুধু প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাই করে অধ্যক্ষ কামরুন নাহার এসব নিয়োগ দিয়েছেন।



পরবর্তীতে এসব শিক্ষক কর্মচারীর বেতন প্রদান নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করেছেন।



এনটিআরসির মাধ্যমে শূন্যপদে স্থায়ী নিয়োগ না দিয়ে, কোনো প্রকারের জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে, কোনো লিখিত পরীক্ষা না নিয়ে, অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে শুধুমাত্র শিক্ষাগত সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে একক আদেশে মোট ৭২ জন শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।



আরও খবর



সন্দেহভাজন সরকারি কর্মকর্তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



আবুল খায়ের:


তালিকা তৈরি হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তাদের

ভোল পালটে, পরিচয় গোপন করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে ঘাপটি মেরে বসেছে রাজাকার, আলবদর ও আলসামসের কর্মকর্তাদের সন্তান-স্বজনরা।



 ছাত্র অবস্থায় শিবির ও ছাত্রদল করেছেন, এমন অনেকেই এখন বড় আওয়ামী লীগার। আবার অনেকে পিতার নামে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট বানিয়ে নিয়ে সরকারের কাছ থেকে সর্বাধিক সুযোগ-সুবিধাও নিয়েছেন। 



তারা একদিকে অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জন করছেন, অন্যদিকে দেশে-বিদেশে তথ্য ফাঁস করছেন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এই কাজ করছেন অনেকে। তারা পদোন্নতি ও সুযোগসুবিধা পাচ্ছেন। তথ্য গোপন করে সুযোগসুবিধা গ্রহণকারী সরকারি কর্মকর্তাদের তালিকা করছেন একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। 



এছাড়া মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তর এবং মাঠ পর্যায় পর্যন্ত স্ব স্ব প্রশাসন এসব সুবিধাভোগী রাজাকারের পোষ্যদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ‘ছাগলকাণ্ডের’ মতিউর সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে।



ছাগলকাণ্ডের পর ড. মতিউর রহমানের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশে-বিদেশে থাকার তথ্য বেরিয়ে আসে। মতিউর এনবিআরে থাকা অবস্থায় হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়েছেন। অনেক দলীয় নেতা, বড় বড় ব্যবসায়ী, আমলা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য, স্থলবন্দর-বিমানবন্দর দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালানকারী ছাড়াও যারা হাজার হাজার কোটি টাকার অবৈধ মালামাল এনেছেন, তারা মতিউর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। 



হাজার হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দেওয়া ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হয়েছেন মতিউরের দ্বারা। তাই তাকে বাঁচানোর জন্য অনেকেই মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ইতিমধ্যে সুবিধাভোগীদের দ্বারা ‘মতিউর রক্ষা কমিটি’ গঠিত হয়ে গেছে। 



কারণ মতিউর রক্ষা না পেলে অনেকেই ফেঁসে যাবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন মতিউর। এই বিভাগের ছাত্ররা সরকারের অর্থনৈতিক বিভাগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এই গ্রুপটাও মতিউরকে বাঁচানোর জন্য চেষ্টা করছে। ছাত্রাবস্থায় মতিউর ছাত্র শিবির করতেন, পরবর্তীতে ভোল্ট পালটিয়ে আওয়ামী লীগার হয়ে যান। 



এভাবে বিরোধী মতাদর্শীরা নব্য আওয়ামী লীগার সেজে অর্থ-বিত্তের মালিক বনে যাচ্ছেন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে অসংখ্য মতিউর রয়েছেন। রাজাকার, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার পোষ্যসহ দলবাজ, হাইব্রিড ও বিতর্কিতরা এখন নজরদারিতে রয়েছেন। 


জানা গেছে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থেকে হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন ডা. দিলীপ কুমার রায়। তার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। 



এর মধ্যে আওয়ামী লীগের একটি আলোচনাসভায় দলের এক শীর্ষ নেতার বক্তব্যের সময় তার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে ডা. দিলীপ কুমার রায়কে। এটি আরও বেশি সমালোচনার জন্ম দিয়েছে দলের মধ্যে এবং দলের বাইরে। একই সঙ্গে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের অর্জন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। একজন দুর্নীতিবাজের জন্য এই অর্জন ম্লান হবে তা কারো কাম্য নয়।



রাজাকার, আলবদর ও আলসামসের কর্মকর্তাদের সন্তান-স্বজনদের ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, তারা সরকারের জন্য বিপজ্জনক। তাদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।



 রাজাকারের সন্তান-স্বজনদের কারণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সৎ নিষ্ঠাবান কর্মকর্তারা কাজ করতে পারছেন না। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে রাজাকারের সন্তান-স্বজনদের দাপট বেশি। একজন পিয়ন পর্যন্ত কোটি কোটি টাকার মালিক। 



অবৈধ অর্থ-সম্পদের মালিক বনে যাওয়া অনেক আমলা রয়েছেন। তাদের তালিকা হয়েছে। আমলাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৫২ জন কর্মকর্তা বিদেশে বিপুল অর্থ পাচার করেছেন, তাদেরও তালিকা করা হয়েছে। 



এই তথ্য সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে রাজাকার পরিবারের সন্তান-স্বজনদের দাপটে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও ত্যাগী নেতার পরিবারের সন্তানরা প্রশাসন এবং দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। রাজাকার পরিবারের সন্তান-স্বজনরা অনেক নেতাকে প্রতি মাসে উৎকোচ দিয়ে টিকে আছে। তথ্য পাচার করার কারণে ইতিমধ্যে একজন পুলিশের চাকরি চলে গেছে।


প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সরকারের ভেতরে থেকে রাজাকার-আলবদরের পোষ্যরা সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র লিপ্ত। কেউ কেউ এমপি হয়েছেন। সর্বাধিক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন। 




আরও খবর



তাহসান-মিথিলার মেয়ে সৃজিতকে ‘আব্বু’ ডাকে

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস বিনোদন ডেস্ক:


শোবিজ তারকা তাহসান খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর টালিউড নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।



 তাহসান-মিথিলার মেয়ে আইরাকে নিয়ে সেখানেই নতুন জীবন শুরু করেন এই অভিনেত্রী। যদিও বাবা তাহসানের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে মেয়ের।



সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেন মিথিলা। অভিনেত্রী জানান, বিবাহবিচ্ছেদ হলেও মেয়ে আইরার কথা চিন্তা করেই তাহসানের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার।


 

মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর সৃজিতকে ঠিক কতটা স্বাভাবিকভাবে নিয়েছেন আইরা। এসম্পর্কে মিথিলা বলেন, ‘আইরার সঙ্গে সৃজিতের চট করে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। আইরা সৃজিতকে ‘আব্বু’ ডাকে আর তাহসানকে ডাকে ‘বাবা’। এই দুইয়ের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছি আমি।’



 

বিবাহবিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা কি স্বাভাবিক? জানতে চাইলে মিথিলা বলেন, ‘সব সম্পর্কে বন্ধুত্ব না-ও থাকতে পারে। কিন্তু সন্তান থাকলে তার স্বার্থ আগে দেখতে হবে। সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য আমার কাছে সবার আগে। এটাই হওয়া উচিত।’


এরইমধ্যে শিশুতোষ সিনেমা ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’র শুটিং শেষ করেছেন মিথিলা। পাশাপাশি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত ‘জলে জ্বলে তারা’।




আরও খবর



হাসিনা-মোদির শীর্ষ বৈঠক আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে  ডিজিটাল ডেস্ক:


বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আজ শনিবার (২২ জুন)। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার বিকালে ভারতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এর আগে, দুপুর ২টা ৮ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। সাক্ষাতের ছবি দিয়ে জয়শঙ্কর ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে আমি উৎফুল্ল।


 আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক কত ঘনিষ্ঠ ও চিরন্তন, এই সফর তার পরিচায়ক। আমাদের বিশেষ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তার নেতৃত্ব প্রশংসনীয়।’


সফর শুরুর দিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালও বলেন, এই সফর থেকে দুই দেশই অনেক কিছু প্রত্যাশা করছে। 


শুক্রবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করে তিনি বলেন, এত বিপুল প্রত্যাশার কারণ দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা। সম্পর্ক এত বিশেষ ও বন্ধুত্বপূর্ণ বলে প্রত্যাশাও অনেক।




আরও খবর



ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বর্তমান টুডেস ডেস্ক:


আজ পর্দা নামছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামছে ভারত।



 শনিবার (২৯ জুন) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। 



নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে শিরোপা জয়ের পর পরবর্তী সাত আসরে শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে ব্যর্থ ভারতীয়রা।



এখন পর্যন্ত পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত ভারতীয়রা। সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পর গত পরশু সেমিফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার পাশাপাশি জায়গা করে নেয় স্বপ্নের ফাইনালে। শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে ভারত।



অন্যদিকে ভারতের মতো অপরাজিত থেকে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে প্রথম পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই শ্বাসরুদ্ধকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনাল নিশ্চিত করে প্রোটিয়ারা। ভারতের মতো দক্ষিণ আফ্রিকাও মাঠে নামছে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে। 


ভারতের একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, আরশদীপ সিং, কুলদীপ যাদব ও জাসপ্রিত বুমরাহ।


দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক, রিজা হেনড্রিকস, এইডেন মার্করাম, হাইনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, ট্রিস্টান স্টাবস, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাদা, আনরিখ নর্কিয়া ও তাব্রেইজ শামসি।


আরও খবর



ট্রাম্প মার্কিন জাতির জন্য হুমকি : বাইডেন

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ধরাশায়ী হওয়ার পর প্রার্থিতা ধরে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্র আমেরিকাকে আরও চার বছর শাসন করার মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা রয়েছে, এ প্রমাণ দিতে ডেট্রয়েটে বিরল এক সমাবেশ করেছেন তিনি। সেখানে উল্লাসরত জনতাকে বাইডেন বলেছেন, তিনি নির্বাচনী দৌড় ছেড়ে যাবেন না। একই সঙ্গে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পকে গুরুতর হুমকি হিসেবে অবহিত করেছেন ৮১ বছর বয়সী বাইডেন। খবর রয়টার্সের।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে বাইডেন বলেন, আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি এবং আমরা জিততে চলেছি। আমিই মনোনীত প্রার্থী। আমি (নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে) কোথাও যাচ্ছি না।

জিমের প্রেস এলাকার দিকে ইঙ্গিত করে বাইডেন বলেন, তারা আমাকে আরও শক্তিশালী করছে। অনুমান করুন, ডোনাল্ড ট্রাম্প বিনামূল্যে পাস পেয়ে গেছেন। এরপরই ট্রাম্পকে মার্কিন জাতির জন্য হুমকি হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত সমর্থকদের তাকে হাল না ছাড়ার অনুরোধ জানান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে দেশের প্রথা মেনে গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাতে সরাসরি বিতর্ক হয় প্রধান দুই প্রার্থী জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে। বিতর্কে ট্রাম্পের জোরালো বক্তব্যের বিপরীতে অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন বাইডেন। এ নিয়ে ডেমোক্র্যাট ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তাদের অসন্তোষ ও আতঙ্কের মাত্রা এতই প্রবল যে তারা বাইডেনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বলছেন। দিন যত সামনে যত গড়াচ্ছে, তাদের এই দাবি ততই জোরদার হচ্ছে।

তবে এমন বিপদের দিনে গতকাল দুজন বিশিষ্ট ডেমোক্র্যাট নেতা জেমস ক্লাইবার্ন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম বাইডেনকে সাহস দিয়েছেন। তারা তাকে নির্বাচনে লড়ার কথা বলেছেন। এ ছাড়া শুক্রবার বিকেলে ইউনাইটেড অটো ওয়ার্কার্সের সভাপতি শন ফেইন বাইডেনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। যদিও এর আগে তিনি বাইডেনের প্রার্থিতা নিয়ে নিজের দুশ্চিন্তার কথা প্রকাশ করেছিলেন।


আরও খবর