বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন • ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত • বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা • সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ মহালয়া ও মেলা ২০২৬’, • সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে
জাতীয় বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে: অর্থমন্ত্রী

বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাজেট আর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য তৈরি হবে না। ভবিষ্যতের বাজেট হবে শুধু জনগণের কল্যাণে, যাতে সাধারণ মানুষ সুবিধা পায়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনি এলাকা চট্টগ্রাম সফরে এসে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। সেখানে নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। এরপর নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন।

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধব। বিগত আমলে ঋণ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু তা কোনো ভালো প্রজেক্টে ব্যয় হয়নি। ফলে এই সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা রয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী শেয়ার বাজারের অবস্থা নিয়েও বলেন, ‘শেয়ার বাজার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, আস্থা ফিরে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।’

কর্মসংস্থান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। নির্বাচিত সংসদ ও সরকার আছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

বেলা আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য বন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

খুঁজুন