শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
কমিটি পুনর্বহালে চট্টগ্রামে যুবদলের মিছিল যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে সেমিনার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে: অর্থমন্ত্রী

বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাজেট আর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য তৈরি হবে না। ভবিষ্যতের বাজেট হবে শুধু জনগণের কল্যাণে, যাতে সাধারণ মানুষ সুবিধা পায়।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনি এলাকা চট্টগ্রাম সফরে এসে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। সেখানে নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। এরপর নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন।

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধব। বিগত আমলে ঋণ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু তা কোনো ভালো প্রজেক্টে ব্যয় হয়নি। ফলে এই সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা রয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী শেয়ার বাজারের অবস্থা নিয়েও বলেন, ‘শেয়ার বাজার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, আস্থা ফিরে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।’

কর্মসংস্থান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। নির্বাচিত সংসদ ও সরকার আছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

বেলা আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য বন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

খুঁজুন