অর্থনীতি ডেস্ক: নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রস্তুত ও প্রকাশে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে বিএনপি সরকার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রাজধানীর আগারগাঁও পরিসংখ্যান ভবনে পরিসংখ্যান দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা জানান। পরিসংখ্যান সংস্থার জনবল সংকটের বিষয়টি বর্তমান সরকার বিবেচনা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তথ্যের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি নিজের বক্তব্যে নানা বিষয় তুলে ধরেন। কোনো সরকার তথ্য নিয়ে কারচুপি করলে তা নিজের সঙ্গে প্রতারণা করার শামিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন যে, সরকারের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে সঠিক তথ্য হাতে থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ন করার ওপর জোর দেন। রাজনীতি গণতন্ত্রায়নের পাশাপাশি অর্থনীতি গণতন্ত্রায়ন না হলে রাজনীতির গণতন্ত্রায়ন কোনোদিনই কার্যকর হয় না বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। পরিসংখ্যান ব্যুরোর কার্যক্রমে কীভাবে গণতন্ত্রায়ন আনা যায়, বর্তমান সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বিগত সময়ের অর্থনৈতিক তথ্য-উপাত্তের ফরেনসিক অডিট চলছে বলেও তিনি জানান।
ফরেনসিক অডিটের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে অর্থমন্ত্রী বলেন যে, এটি কোনো বিগত সরকারের দোষত্রুটি ধরার জন্য করা হচ্ছে না। রোগের গভীরে পৌঁছাতে না পারলে সঠিক সমাধান দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং এই কারণেই অডিট করা হচ্ছে। তথ্য উন্মুক্ত করার পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন যে সবকিছু প্রকাশ করা উচিত এবং এতে কোনো গোপনীয়তা থাকা চলবে না। তথ্য যত বেশি উন্মুক্ত করা হবে, তত বেশি মতামত ও ভুলত্রুটি সংশোধনের সুযোগ তৈরি হবে। কোর্স কারেকশন বা নীতি সংশোধনের জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
সাম্প্রতিক দক্ষিণ কোরিয়া সফর শেষ করে আসা অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করেন। এই বিষয়গুলো ছাড়া কোনো সরকার বা নাগরিকের এগিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকার ভবিষ্যতে 'ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ওয়ালেট, ওয়ান কার্ড' ব্যবস্থার দিকে যেতে আগ্রহী এবং এর জন্য নির্ভুল তথ্য থাকা জরুরি। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। সঠিক তথ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
বিবিএসকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি: অর্থমন্ত্রী
বিবিএসকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি: অর্থমন্ত্রী
অর্থনীতি ডেস্ক: নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রস্তুত ও প্রকাশে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে বিএনপি সরকার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রাজধানীর আগারগাঁও পরিসংখ্যান ভবনে পরিসংখ্যান দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা জানান। পরিসংখ্যান সংস্থার জনবল সংকটের বিষয়টি বর্তমান সরকার বিবেচনা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তথ্যের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি নিজের বক্তব্যে নানা বিষয় তুলে ধরেন। কোনো সরকার তথ্য নিয়ে কারচুপি করলে তা নিজের সঙ্গে প্রতারণা করার শামিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন যে, সরকারের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে সঠিক তথ্য হাতে থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ন করার ওপর জোর দেন। রাজনীতি গণতন্ত্রায়নের পাশাপাশি
অর্থনীতি গণতন্ত্রায়ন না হলে রাজনীতির গণতন্ত্রায়ন কোনোদিনই কার্যকর হয় না বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। পরিসংখ্যান ব্যুরোর কার্যক্রমে কীভাবে গণতন্ত্রায়ন আনা যায়, বর্তমান সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। বিগত সময়ের অর্থনৈতিক তথ্য-উপাত্তের ফরেনসিক অডিট চলছে বলেও তিনি জানান।ফরেনসিক অডিটের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে অর্থমন্ত্রী বলেন যে, এটি কোনো বিগত সরকারের দোষত্রুটি ধরার জন্য করা হচ্ছে না। রোগের গভীরে পৌঁছাতে না পারলে সঠিক সমাধান দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং এই কারণেই অডিট করা হচ্ছে। তথ্য উন্মুক্ত করার পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন যে সবকিছু প্রকাশ করা উচিত এবং এতে কোনো গোপনীয়তা থাকা চলবে না। তথ্য যত বেশি উন্মুক্ত করা হবে, তত বেশি মতামত ও ভুলত্রুটি সংশোধনের সুযোগ তৈরি হবে। কোর্স কারেকশন বা নীতি
সংশোধনের জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মনে করেন।সাম্প্রতিক দক্ষিণ কোরিয়া সফর শেষ করে আসা অর্থমন্ত্রী ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করেন। এই বিষয়গুলো ছাড়া কোনো সরকার বা নাগরিকের এগিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকার ভবিষ্যতে 'ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ওয়ালেট, ওয়ান কার্ড' ব্যবস্থার দিকে যেতে আগ্রহী এবং এর জন্য নির্ভুল তথ্য থাকা জরুরি। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। সঠিক তথ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত