শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
কমিটি পুনর্বহালে চট্টগ্রামে যুবদলের মিছিল যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে সেমিনার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় চা শ্রমিকদের দৃষ্টি প্রধানমন্ত্রীর দিকে

চা শ্রমিকদের দৃষ্টি প্রধানমন্ত্রীর দিকে

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ১৮ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন দেশের ২৪১টি চা বাগানের শ্রমিকরা। এরই মধ্যে ঘোষণা আসে শনিবার গণভবনে চা শ্রমিকদের মজুরির বিষয়ে চা সংসদের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী। আর এ সংবাদ শোনার পর মৌলভীবাজাররের ৯২টি চা বাগানে শুক্রবার কোন আন্দোলন করেননি চা শ্রমিকরা।

এখন চা শ্রমিকদের দৃষ্টি গণভবনের দিকে। তাদের ধারণা, মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য একটা সুফল এনে দিবেন।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল কালিঘাট চা বাগানের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য অনিল তন্তবাই বলেন, আমরা এখন প্রধানমন্ত্রীর দিকেই তাকিয়ে আছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা জানেন। আমরা ২শ’ বছর ধরে যে জায়গায় বসবাস করছি সে জায়গার ভূমি অধিকার আজও আমরা পাইনি। সব বাগানে এখনও স্কুল হয়নি।

শ্রীমঙ্গল আমরইল চা বাগানের চা শ্রমিক জনিস বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের শেষ ভরসার স্থল। তাঁর দিকেই এখন আমরা তাকিয়ে আছি। শনিবারের মিটিংয়ে নিরাশ করবেন না প্রধানমন্ত্রী।

শ্রীমঙ্গল কালাপুর ইউনিয়নের ফুলছড়ি চা বাগানের বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি লক্ষন বাউরি জানান, আমরা আন্দোলন করছি পেটের দায়ে। যে মজুরি দেওয়া হয় তা থেকে কারেন্ট বিল, রেশন, ভবিষত তহবিল ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদা সব কিছু কেটে নগদ হাজিরা দাঁড়ায় ১০০ টাকারও কম। এই টাকা দিয়েই দৈনন্দিন সকল চাহিদা পুরণ করতে হয়। তেল আনতে নুন পুরায়’ অবস্থা আমাদের।

তিনি আরও বলেন, ২ টাকা কেজিতে আটা দেওয়া হয় যা সকালে চা-রুটিতেই চলে যায়। দুপুরে ও রাতে ৪-৫ জনের একটি পরিবারে দুই কেজি চাল লাগে। চালের দামেই দৈনিক হাজিরার টাকা চলে যায়। বাকীটা কিভাবে সামাল দেয় চা শ্রমিকরা সে খবর কেউ রাখে না।

খুঁজুন