অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় একটি দোকান থেকে ক্যামেরা ও বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরির ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা মো নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের নাওঘাটা আওয়ার পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তার নিজ বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, গত নয় অক্টোবর আমিরাবাদ বাজারের মোস্তফা সিটি মার্কেটের একটি ওয়েডিং ফটোগ্রাফির দোকান থেকে চারটি ক্যামেরা ও আটটি লেন্সসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি হয়েছিল। ওই দোকান বন্ধ করে মালিক চলে যাওয়ার কিছু সময় পর এই চুরির ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
চুরির এই ঘটনার তদন্ত শুরু করার পর দোকান ও মার্কেটের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ। ভিডিও ফুটেজে মো রিদুয়ানুল হকের উপস্থিতি দেখা যাওয়ায় বিষয়টি তদন্তকারীদের সন্দেহের তালিকায় আসে। ফটোগ্রাফির সাথে যুক্ত থাকায় বিভিন্ন সময়ে ওই দোকানে তার যাতায়াত ছিল বলে নিশ্চিত করে পুলিশ। এর তিন দিন পর অর্থাৎ গত বারো অক্টোবর রিদুয়ানের স্ত্রী থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন যে তার স্বামীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে রিদুয়ানের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল এবং তিনি বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন।
সোমবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রিদুয়ানুলকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান যে চুরি করা সমস্ত মালামাল তার নিজ বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ক্যামেরা ও লেন্সগুলো উদ্ধার করে। চুরির অপরাধ ঢাকতেই এই অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছিল বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের অতিরিক্ত সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, চুরির বিষয়টি রিদুয়ানের স্ত্রীও আগে থেকেই জানতেন। স্বামীকে আইনি ঝামেলা থেকে বাঁচাতে তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই অপহরণের মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চুরির মালামাল উদ্ধারের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।
‘চুরি করে চলে যান আত্মগোপনে, ধরা পড়ার ভয়ে স্ত্রীকে দিয়ে করান অপহরণের অভিযোগ’
‘চুরি করে চলে যান আত্মগোপনে, ধরা পড়ার ভয়ে স্ত্রীকে দিয়ে করান অপহরণের অভিযোগ’
অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় একটি দোকান থেকে ক্যামেরা ও বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরির ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা মো নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের নাওঘাটা আওয়ার পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তার নিজ বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, গত নয় অক্টোবর আমিরাবাদ বাজারের মোস্তফা সিটি মার্কেটের একটি ওয়েডিং ফটোগ্রাফির দোকান থেকে চারটি ক্যামেরা ও আটটি লেন্সসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি হয়েছিল। ওই দোকান বন্ধ করে মালিক চলে যাওয়ার কিছু সময় পর এই চুরির ঘটনা ঘটে
বলে জানা যায়।চুরির এই ঘটনার তদন্ত শুরু করার পর দোকান ও মার্কেটের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ। ভিডিও ফুটেজে মো রিদুয়ানুল হকের উপস্থিতি দেখা যাওয়ায় বিষয়টি তদন্তকারীদের সন্দেহের তালিকায় আসে। ফটোগ্রাফির সাথে যুক্ত থাকায় বিভিন্ন সময়ে ওই দোকানে তার যাতায়াত ছিল বলে নিশ্চিত করে পুলিশ। এর তিন দিন পর অর্থাৎ গত বারো অক্টোবর রিদুয়ানের স্ত্রী থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন যে তার স্বামীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে রিদুয়ানের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল এবং তিনি বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন।সোমবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রিদুয়ানুলকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান যে চুরি করা সমস্ত মালামাল তার নিজ বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ক্যামেরা ও লেন্সগুলো উদ্ধার করে। চুরির অপরাধ ঢাকতেই এই অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছিল বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।পুলিশের অতিরিক্ত সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, চুরির বিষয়টি রিদুয়ানের স্ত্রীও আগে থেকেই জানতেন। স্বামীকে আইনি ঝামেলা থেকে বাঁচাতে তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই অপহরণের মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং চুরির মালামাল উদ্ধারের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত