আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় আইনসভা কংগ্রেসের মূল দায়িত্ব আইন প্রণয়ন করা হলেও এর পরিধি বেশ ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারের আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, কর নির্ধারণ এবং নির্বাহী বিভাগের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও তাদের করতে হয়। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেট—এই দুই কক্ষ নিয়ে কংগ্রেস গঠিত হয়েছে। দেশের যেকোনো প্রস্তাবিত বিল আইনে পরিণত করতে সাধারণত এই দুটি কক্ষেরই সম্মতির প্রয়োজন হয়।
কংগ্রেসের দুই কক্ষে মোট ৫৩৫ জন ভোটাধিকারসম্পন্ন সদস্য রয়েছেন যার মধ্যে প্রতিনিধি পরিষদে ৪৩৫ জন এবং সেনেটে ১০০ জন সদস্য থাকেন। প্রতিনিধি পরিষদের আসনসংখ্যা নির্ধারিত হয় জনসংখ্যার ভিত্তিতে এবং সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। অন্যদিকে প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে সেনেটর ছয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন। বয়সের দিক থেকে প্রতিনিধি হতে হলে ন্যূনতম ২৫ বছর এবং সেনেটর হতে ৩০ বছর বয়স হওয়া বাধ্যতামূলক।
আইন প্রণয়ন ছাড়াও দুই কক্ষের কিছু আলাদা সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদ রাজস্ব বা করসংক্রান্ত বিল উত্থাপন এবং প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসনের অভিযোগ আনতে পারে। সেনেটের কাজ হলো সেই অভিশংসনের বিচার করা এবং প্রেসিডেন্টের মনোনীত কর্মকর্তা ও বিচারপতিদের নিয়োগে সম্মতি দেওয়া। এছাড়া আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন ও সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ক্ষেত্রেও সেনেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কমিটিগুলো কংগ্রেসের নীতিনির্ধারণী ও বিস্তারিত পর্যালোচনার কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিনিধি পরিষদে ২৩টি এবং সেনেটে ১৭টি কমিটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করে বিলের খসড়া তৈরি ও সরকারি কার্যক্রম পর্যালোচনা করে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা, সংশোধন এবং ভোটাভুটির পর দুই কক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে বিল প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয়। প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করলে সেই বিল চূড়ান্তভাবে আইনে পরিণত হয়।
মধ্যবর্তী নির্বাচন: মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতা কতটা?
মধ্যবর্তী নির্বাচন: মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতা কতটা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় আইনসভা কংগ্রেসের মূল দায়িত্ব আইন প্রণয়ন করা হলেও এর পরিধি বেশ ব্যাপক। কেন্দ্রীয় সরকারের আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, কর নির্ধারণ এবং নির্বাহী বিভাগের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজও তাদের করতে হয়। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী প্রতিনিধি পরিষদ ও সেনেট—এই দুই কক্ষ নিয়ে কংগ্রেস গঠিত হয়েছে। দেশের যেকোনো প্রস্তাবিত বিল আইনে পরিণত করতে সাধারণত এই দুটি কক্ষেরই সম্মতির প্রয়োজন হয়।কংগ্রেসের দুই কক্ষে মোট ৫৩৫ জন ভোটাধিকারসম্পন্ন সদস্য রয়েছেন যার মধ্যে প্রতিনিধি পরিষদে ৪৩৫ জন এবং সেনেটে ১০০ জন
সদস্য থাকেন। প্রতিনিধি পরিষদের আসনসংখ্যা নির্ধারিত হয় জনসংখ্যার ভিত্তিতে এবং সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। অন্যদিকে প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে সেনেটর ছয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন। বয়সের দিক থেকে প্রতিনিধি হতে হলে ন্যূনতম ২৫ বছর এবং সেনেটর হতে ৩০ বছর বয়স হওয়া বাধ্যতামূলক।আইন প্রণয়ন ছাড়াও দুই কক্ষের কিছু আলাদা সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদ রাজস্ব বা করসংক্রান্ত বিল উত্থাপন এবং প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসনের অভিযোগ আনতে পারে। সেনেটের কাজ হলো সেই অভিশংসনের বিচার করা এবং প্রেসিডেন্টের মনোনীত কর্মকর্তা
ও বিচারপতিদের নিয়োগে সম্মতি দেওয়া। এছাড়া আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন ও সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ক্ষেত্রেও সেনেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কমিটিগুলো কংগ্রেসের নীতিনির্ধারণী ও বিস্তারিত পর্যালোচনার কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিনিধি পরিষদে ২৩টি এবং সেনেটে ১৭টি কমিটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করে বিলের খসড়া তৈরি ও সরকারি কার্যক্রম পর্যালোচনা করে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা, সংশোধন এবং ভোটাভুটির পর দুই কক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে বিল প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয়। প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করলে সেই বিল চূড়ান্তভাবে আইনে পরিণত হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত