বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই : খাদ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ শিগগিরই উন্মুক্ত হবে পটুয়াখালীতে দুই দিন ধরে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা ঘিরে ডিএমপির নির্দেশনা রাজধানীর স্বামীবাগে গোলাগুলির ঘটনায় চারজন গ্রেফতার, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার বিগত সময়ের তুলনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাবির রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট তালিকাভুক্তি ও নির্বাচনে বিএনপির সমন্বয় কমিটি দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর গাইবান্ধায় অবৈধ কয়লা তৈরির ৩০ টি চুল্লি ধ্বংস টেকসই যোগাযোগ অবকাঠামো গড়তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : সড়ক মন্ত্রী
দেশের খবর দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই : খাদ্যমন্ত্রী

দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই : খাদ্যমন্ত্রী

 খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বর্তমানে দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুদের তুলনায় বেশি পরিমাণে খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে মোট ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৭ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল।

তিনি বলেন, গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় স্বাভাবিক সময়ে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুদ ১৪ লাখ মেট্রিক টন এবং সংকট সময়ে ১৫ লাখ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘সুতরাং দেশে খাদ্য (চাল ও গম/আটা) ঘাটতির কোনো সুযোগ নেই,’ বলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ‘ফুড আউটলুক’-এর তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে চালের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ মেট্রিক টন। বিপরীতে মোট সরবরাহ ছিল ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫২ হাজার মেট্রিক টন।

তিনি জানান, মোট চাল সরবরাহের মধ্যে ৪ কোটি ২৪ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন এসেছে দেশীয় উৎপাদন থেকে এবং ১২ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন এসেছে আমদানির মাধ্যমে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, একই অর্থবছরে দেশে গমের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ছিল ৮২ লাখ মেট্রিক টন। বিপরীতে মোট সরবরাহ ছিল ৮৩ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন ছিল ১০ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টন এবং আমদানির পরিমাণ ছিল ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন।

তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এফএও’র ‘ফুড আউটলুক’ অনুযায়ী দেশে চালের চাহিদা বা ভোগের পরিমাণ ৪ কোটি ২৬ লাখ মেট্রিক টন এবং গমের চাহিদা ৮৩ লাখ মেট্রিক টন হতে পারে।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার ও বেসরকারি উভয় খাতই চাল ও গম আমদানি করে থাকে।

খুঁজুন