রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
সহকর্মী বেচে থাকতেই তাঁর দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াতে শিখি • রিসোর্টের ট্র্যাজেডি আমাদের কী শেখায় • নজরুল ও সিতির শিরশ্ছেদ মানবাধিকার ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন • মেসির জোড়া গোলে আটলান্টাকে ৩-১ ব্যবধানে হারাল ইন্টার মায়ামি • জুনে সতর্কবার্তা, অক্টোবরে দশ মৃত্যু: টুপটুপ রিসোর্টের আগুন থেকে শিক্ষা • পটিয়া ভূমি অফিসে নথি বাণিজ্য ও ঘুষের অভিযোগ, দুদকের তদন্ত দাবি • বান্দরবান-চট্টগ্রামে কাঠ পাচারের অভিযোগ, বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা ঘুষের দাবি • আমি জ্ঞানের শহর, আলী তার দরজা • ওষুধের আগুন, রাষ্ট্রের পরীক্ষা: হ্যাজম্যাট প্রস্তুতি ও জবাবদিহি কোথায়? • গজারিয়ায় ফুলদী নদীতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ, কাজ শুরু এ বছরই
জাতীয় ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে প্রস্তুতি

ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়ক যানজটমুক্ত রাখতে প্রস্তুতি

মইনুল ইসলাম মিতুল : আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানজটমুক্ত রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পরিবহন চালক ও সংশ্লিষ্টরা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে কালিহাতীর এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেন সড়কের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এই অংশের সবগুলো উড়াল সড়ক (ফ্লাইওভার) চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তাই মহাসড়কের এ অংশে নির্বিঘ্নে যান চলাচলের প্রতিবন্ধকতা থাকছে না।

মহাসড়কের মির্জাপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চার লেন সড়ক এবং সড়কের দুই পাশে সার্ভিস লেন সব চালু আছে। দ্রুত গতিতে চলছে যানবাহন। সড়কে কোনো সমস্যা নেই। এলেঙ্গা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক সম্প্রসারণও করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ বিভাগ সূত্র জানায়, গত রোজার ঈদের সময় এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দুই লেনের সড়ক একমুখী (ওয়ানওয়ে) করে দেওয়া হয়। ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন এলেঙ্গা থেকে সেতুর দিকে যায়। অপরদিকে, উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী যানবাহন সেতু পার হয়ে ভূঞাপুর সড়ক হয়ে এলেঙ্গা পর্যন্ত আসার ব্যবস্থা করা হয়। এতে ভালো ফল পাওয়া গেছে। অনেক বছর পর গত ঈদে এই মহাসড়কে তেমন যানজট হয়নি। এবার মহাসড়কের এই অংশটুকু সাধারণ যানবাহনের একমুখী করা হচ্ছে। তবে উত্তরবঙ্গ থেকে গরুবাহী ট্রাক একমুখী সড়কের আওতায় বাইরে থাকবে। তাছাড়াও ঈদের ছুটি কম হওয়ায় একসঙ্গে যানবাহনের চাপ বেশি হওয়ার আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা।

বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্র জানায়, স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন ১৪/১৫ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হয়। ঈদের আগে দু-এক দিন যানবাহন পারাপার হয় ৩০ হাজারের উপরে। স্বাভাবিকের অধিক যানবাহন রাস্তায় থাকায় দুই লেনের সড়কে যানজট লেগে যায়। তাছাড়াও সেতুর পশ্চিম প্রান্তে (সিরাজগঞ্জ অংশে) যানজট লেগে সেতু অতিক্রম করে টাঙ্গাইল অংশ পর্যন্ত চলে আসে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘গত ঈদের মতো এবারও যানজটমুক্ত ঈদ উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস সেতু পূর্ব পাড় গোলচক্কর থেকে ভূঞাপুর হয়ে এলেঙ্গা দিয়ে যাতায়াত করবে। আর গরুবাহী যানবাহন ও উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রীবাহী বাস মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মহাসড়কে ৬২০ জন পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়াও ১০০ জন এপিবিএন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন যাতে দ্রুত সরিয়ে ফেলা যায়, এ জন্য হাইওয়ে পুলিশ ও সেতু কর্তৃপক্ষের চারটি রেকার সবসময় প্রস্তুত থাকবে। সড়ক পর্যবেক্ষণের জন্য স্থাপন করা হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। সেখান থেকে সড়কের বিভিন্ন জায়গা মনিটরিং করা হবে। কোথাও কোনো সমস্যা দেখলেই তাৎক্ষণিক তা সমাধান করা হবে।

খুঁজুন