ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-২ (খিলগাঁও-তিলপাপাড়া) আঞ্চলিক কার্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
আজ বুধবার সকাল ১০টায় তিনি কার্যালয়টি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের শুরুতেই আঞ্চলিক কার্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে পরিদর্শন শুরুর পর বিলম্বে আসা কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না পারেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন। তিনি প্রতিটি শাখার হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন এবং অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা খাতায় তাৎক্ষণিকভাবে ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন।
অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি এবং পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আসলামকে নির্দেশ দেন প্রশাসক।
এ সময় প্রশাসক নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নাগরিকদের দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা ও কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি। এসব কার্যক্রম নিয়মিত সরেজমিনে মনিটরিং এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রশাসক।
তিনি বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
সিটি কর্পোরেশনের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসকের খিলগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন
ডিএসসিসি প্রশাসকের খিলগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-২ (খিলগাঁও-তিলপাপাড়া) আঞ্চলিক কার্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। আজ বুধবার সকাল ১০টায় তিনি কার্যালয়টি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের শুরুতেই আঞ্চলিক কার্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে পরিদর্শন শুরুর পর বিলম্বে আসা কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না পারেন। পরিদর্শনকালে প্রশাসক কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন। তিনি প্রতিটি শাখার হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন
এবং অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা খাতায় তাৎক্ষণিকভাবে ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন। অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি এবং পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আসলামকে নির্দেশ দেন প্রশাসক। এ সময় প্রশাসক নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নাগরিকদের দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা ও কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট
অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি। এসব কার্যক্রম নিয়মিত সরেজমিনে মনিটরিং এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রশাসক। তিনি বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না। সিটি কর্পোরেশনের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত