স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন পেসার হাসান মাহমুদ। প্রতিপক্ষের প্রথম ইনিংসে ৯০ রান খরচ করে ৬টি উইকেট শিকার করেন তিনি। আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার পঞ্চমবারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেট অর্জনের কীর্তি। এর আগে বিদেশের মাটিতে চারবার এই সাফল্য পেলেও ঘরের মাঠে এই স্বাদ পাওয়ার অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠে প্রথমবার পাঁচ উইকেট পাওয়ার পর নিজের এই অর্জনকে বিশেষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন হাসান।
১৯ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি কোনো বাংলাদেশি পেসারের সর্বাধিক পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড। ঘরের মাঠে খেলা আগের সাত ম্যাচের ১৩ ইনিংসে মাত্র ১৪ উইকেট শিকার করে তার পারফরম্যান্স বেশ বিবর্ণ ছিল। তবে চলমান টেস্টে নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ, ক্রিজের যথাযথ ব্যবহার এবং উইকেটের মুভমেন্ট আদায় করে নেওয়ার মাধ্যমে সফল হন তিনি। ম্যাচের প্রথম দিনে দুই উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে তিনি আরও চার উইকেট যোগ করেন। পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে যাওয়ার পরও ধৈর্য বজায় রেখে সঠিক জায়গায় বোলিং করার সুফল পান এই বোলার।
সংবাদ সম্মেলনে হাসান জানান যে ঘরের মাঠে পাঁচ উইকেট পাওয়া তার জন্য সবসময়ই অত্যন্ত আনন্দের এবং বিশেষ একটি বিষয়। নতুন বলের সুবিধা কমে যাওয়ার পর ব্যাটসম্যানদের সেট-আপ করে আউট করার পরিকল্পনা সফল হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উইকহ্যাম ও জাঙ্গুর মতো থিতু হওয়া ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করেন তিনি। এছাড়া উইকেটকিপার লিটন কুমার দাসের সহযোগিতায় স্টাম্পিংয়ের মাধ্যমেও উইকেট শিকার করেন এই পেসার, যা দলীয় পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন ছিল।
টেস্ট ক্রিকেটে সব পাঁচ উইকেটের অর্জনই বিশেষ উল্লেখ করে হাসান জানান যে তিনি সব সময় দলের জন্য নিজের সেরা অবদান রাখতে সচেষ্ট থাকেন। কঠিন উইকেটেও বোলাররা নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়া ঠিক রেখে সেরা পারফরম্যান্সের চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তার এই রেকর্ড গড়া বোলিং পারফরম্যান্স দলের বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং টেস্টের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এই ৫ উইকেট হাসানের কাছে যে কারণে ‘খুব স্পেশাল’
এই ৫ উইকেট হাসানের কাছে যে কারণে ‘খুব স্পেশাল’
স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন পেসার হাসান মাহমুদ। প্রতিপক্ষের প্রথম ইনিংসে ৯০ রান খরচ করে ৬টি উইকেট শিকার করেন তিনি। আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার পঞ্চমবারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেট অর্জনের কীর্তি। এর আগে বিদেশের মাটিতে চারবার এই সাফল্য পেলেও ঘরের মাঠে এই স্বাদ পাওয়ার অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠে প্রথমবার পাঁচ উইকেট পাওয়ার পর নিজের এই অর্জনকে বিশেষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন হাসান।১৯ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি কোনো বাংলাদেশি পেসারের সর্বাধিক পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড। ঘরের মাঠে খেলা আগের সাত ম্যাচের ১৩
ইনিংসে মাত্র ১৪ উইকেট শিকার করে তার পারফরম্যান্স বেশ বিবর্ণ ছিল। তবে চলমান টেস্টে নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ, ক্রিজের যথাযথ ব্যবহার এবং উইকেটের মুভমেন্ট আদায় করে নেওয়ার মাধ্যমে সফল হন তিনি। ম্যাচের প্রথম দিনে দুই উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে তিনি আরও চার উইকেট যোগ করেন। পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে যাওয়ার পরও ধৈর্য বজায় রেখে সঠিক জায়গায় বোলিং করার সুফল পান এই বোলার।সংবাদ সম্মেলনে হাসান জানান যে ঘরের মাঠে পাঁচ উইকেট পাওয়া তার জন্য সবসময়ই অত্যন্ত আনন্দের এবং বিশেষ একটি বিষয়। নতুন বলের সুবিধা কমে যাওয়ার পর ব্যাটসম্যানদের সেট-আপ করে আউট করার পরিকল্পনা সফল হয়েছে বলে তিনি
উল্লেখ করেন। উইকহ্যাম ও জাঙ্গুর মতো থিতু হওয়া ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করেন তিনি। এছাড়া উইকেটকিপার লিটন কুমার দাসের সহযোগিতায় স্টাম্পিংয়ের মাধ্যমেও উইকেট শিকার করেন এই পেসার, যা দলীয় পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন ছিল।টেস্ট ক্রিকেটে সব পাঁচ উইকেটের অর্জনই বিশেষ উল্লেখ করে হাসান জানান যে তিনি সব সময় দলের জন্য নিজের সেরা অবদান রাখতে সচেষ্ট থাকেন। কঠিন উইকেটেও বোলাররা নিজেদের পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়া ঠিক রেখে সেরা পারফরম্যান্সের চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। তার এই রেকর্ড গড়া বোলিং পারফরম্যান্স দলের বোলিং আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং টেস্টের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত