রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের সব নাগরিককে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। দুর্নীতি, বৈষম্য ও ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একটি নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে শুরু হওয়া গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়। মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে সম্প্রতি দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা জানানো হয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অতীতে বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চেপে বসেছিল বলে বাণীতে উল্লেখ করা হয়।
বাণীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবে অংশ নেওয়া বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ঐতিহাসিক এই দিনটিকে জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সে সময় তাবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের কঠিন পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। একই সঙ্গে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে তৎকালীন সময়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব তার ওপর অর্পিত হয়েছিল। জাতির সেই ক্রান্তিলগ্নে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে বাণীতে স্মরণ করা হয়।
সিপাহি ও জনতার এই সংহতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত একটি অভূতপূর্ব জাগরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই একই চেতনার পুনর্জাগরণ ঘটেছিল ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের সময়। ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষের সুদৃঢ় ঐক্যের ফলেই দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে দেশ তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ধারাবাহিকতাতেই অতীতে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক মুক্তি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে বাণীতে জানানো হয়।
জাতীয় সমস্যার সমাধানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার পাশাপাশি আলোচনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদকে সব কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার তাগিদ দেওয়া হয়। ৭ নভেম্বরের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য দেশ ও জনগণের স্বার্থে 'সবার আগে বাংলাদেশ' দর্শন অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের এই গণতান্ত্রিক ধারাকে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের সব নাগরিককে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। দুর্নীতি, বৈষম্য ও ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একটি নির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে শুরু হওয়া গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়। মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে সম্প্রতি দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা জানানো হয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অতীতে বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন চেপে বসেছিল বলে বাণীতে উল্লেখ করা হয়।বাণীতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবে অংশ নেওয়া বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। ঐতিহাসিক এই দিনটিকে জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে অভিহিত
করা হয়েছে। সে সময় তাবেদারি অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের কঠিন পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। একই সঙ্গে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে তৎকালীন সময়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব তার ওপর অর্পিত হয়েছিল। জাতির সেই ক্রান্তিলগ্নে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে বাণীতে স্মরণ করা হয়।সিপাহি ও জনতার এই সংহতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত একটি অভূতপূর্ব জাগরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই একই চেতনার পুনর্জাগরণ ঘটেছিল ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের সময়। ছাত্র-ছাত্রী, নারী-পুরুষ এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষের সুদৃঢ় ঐক্যের ফলেই দীর্ঘ ষোলো বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে দেশ তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার বড়
ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ধারাবাহিকতাতেই অতীতে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক মুক্তি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে বাণীতে জানানো হয়।জাতীয় সমস্যার সমাধানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার পাশাপাশি আলোচনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদকে সব কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার তাগিদ দেওয়া হয়। ৭ নভেম্বরের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য দেশ ও জনগণের স্বার্থে 'সবার আগে বাংলাদেশ' দর্শন অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের এই গণতান্ত্রিক ধারাকে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত