শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষায় এক কিংবা দুই বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে এই বিশেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি রাজধানীর মাতুয়াইলে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় এই তথ্য জানান। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বর এই বিশেষ পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষা সমাপ্তির অল্প সময়ের মধ্যেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষে আগামী ২৩ ডিসেম্বর এর ফলাফল প্রকাশ করা হবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষার্থী এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছে, তারা এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে। শিক্ষামন্ত্রীর এই ঘোষণা অশিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এ বছর মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও পাস করেছেন মাত্র ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। গত দুই দশকের তুলনায় এই পাসের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়। এছাড়া এ বছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় বেশ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু এলাকায় পরীক্ষা গ্রহণে বিঘ্ন ঘটেছিল এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করে পরবর্তীতে সম্পন্ন করা হয়। সামগ্রিক ফলাফল বিপর্যয়ের মুখে এক ও দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশেষ পরীক্ষা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষার সময় নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষার সময় নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষায় এক কিংবা দুই বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে এই বিশেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি রাজধানীর মাতুয়াইলে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় এই তথ্য জানান। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বর এই বিশেষ পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষা সমাপ্তির অল্প সময়ের মধ্যেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন
শেষে আগামী ২৩ ডিসেম্বর এর ফলাফল প্রকাশ করা হবে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষার্থী এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছে, তারা এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারবে। শিক্ষামন্ত্রীর এই ঘোষণা অশিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এ বছর মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও পাস করেছেন মাত্র ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। গত দুই দশকের তুলনায় এই পাসের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে পরিসংখ্যান
থেকে জানা যায়। এছাড়া এ বছর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় বেশ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু এলাকায় পরীক্ষা গ্রহণে বিঘ্ন ঘটেছিল এবং চট্টগ্রাম বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করে পরবর্তীতে সম্পন্ন করা হয়। সামগ্রিক ফলাফল বিপর্যয়ের মুখে এক ও দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য এই বিশেষ পরীক্ষা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত