যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের আগে বুধবার এশিয়ার শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতির পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমায় বিনিয়োগকারীরা সামান্য স্বস্তি পেয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ফেডারেল রিজার্ভ আজ দিনের শেষে ২০২৩ সালের পর প্রথমবারের মতো সুদের হার বাড়াতে পারে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বৈশ্বিক শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতিতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে বিশ্বের বেশ কয়েকটি শেয়ারবাজার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। এখন বছরের শেষ হওয়ার আগেই ফেড আরও এক দফা সুদের হার বাড়াতে পারে— এমন জল্পনাও বাড়ছে।
গত মাসে ওয়াইমিংয়ের জ্যাকসন হোলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের এক সম্মেলনে ফেডের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিত দিয়ে বক্তব্য দেন। এরপর থেকেই সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে।
এরপর প্রকাশিত বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে শক্তিশালী কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চিত্র উঠে আসায় ফেড সুদের হার বাড়াবে— এমন প্রত্যাশা আরও দৃঢ় হয়েছে। বাজারে এখন ফেডের নীতিনির্ধারকদের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৯০ শতাংশের বেশি বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।
দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে থাকার আশঙ্কায় চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদহার ৫ শতাংশের ওপরে উঠে গেছে।
২০০৭ সালের পর এই হার এত বেশি হয়নি। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের আগে ওই সময় বন্ডের সুদহার সর্বশেষ এমন পর্যায়ে ছিল।
ফরেক্স ডটকম-এর বিশ্লেষক ম্যাট ওয়েলার বলেন, বাজারের জন্য ফেডের বিবৃতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে ভোটের ফলাফল— বিশেষ করে ১২ সদস্যের মধ্যে কতজন সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে ভোট দেন।
তিনি বলেন, তিনজন বা তার বেশি সদস্য যদি সুদের হার বাড়ানোর বিরোধিতা করেন অথবা ফেড চেয়ারম্যান ওয়ার্শ নিজেই বিরোধিতা করেন, তাহলে সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে নতুন করে ধারাবাহিক সুদহার বৃদ্ধির সূচনা না ধরে সাময়িক ‘বীমামূলক বৃদ্ধি’ হিসেবে দেখা হতে পারে।’
চেয়ারম্যান ওয়ার্শের এই সুদের হার বাড়ানোর বিরোধীতা করাটা অত্যন্ত অসম্ভাব্য বলেই মনে করেন ওয়েলার।
অন্যদিকে, সব সদস্য একমত হয়ে সুদের হার বাড়ালে চলতি বছর আরও এক দফা সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়বে।
ওয়াল স্ট্রিট ও ইউরোপের শেয়ারবাজারে দরপতনের পর বুধবার এশিয়ার বাজারগুলোতেও মিশ্র পরিস্থিতি দেখা গেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন এআই উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি খাতের নেতা।
বিষয়টিও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে চাপ তৈরি করছে।
টোকিও, সাংহাই, সিডনি ও ম্যানিলার বাজারে সূচক কমেছে। বিপরীতে হংকং, সিঙ্গাপুর, ওয়েলিংটন, তাইপে ও জাকার্তার বাজারে সূচক বেড়েছে।
সিউলের বাজার প্রায় অপরিবর্তিত ছিল।
ফেডের সুদের সিদ্ধান্তকে ঘিরে এশিয়ার শেয়ারবাজারে অস্থিরতা
ফেডের সুদের সিদ্ধান্তকে ঘিরে এশিয়ার শেয়ারবাজারে অস্থিরতা
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের আগে বুধবার এশিয়ার শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতির পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমায় বিনিয়োগকারীরা সামান্য স্বস্তি পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি এখনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফেডারেল রিজার্ভ আজ দিনের শেষে ২০২৩ সালের পর প্রথমবারের মতো সুদের হার বাড়াতে পারে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বৈশ্বিক শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতিতে বড় ধাক্কা দিয়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে বিশ্বের বেশ কয়েকটি শেয়ারবাজার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল। এখন বছরের শেষ হওয়ার আগেই ফেড আরও এক দফা সুদের হার বাড়াতে পারে— এমন জল্পনাও বাড়ছে। গত মাসে ওয়াইমিংয়ের জ্যাকসন হোলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের এক সম্মেলনে ফেডের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিত দিয়ে বক্তব্য দেন।
এরপর থেকেই সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে। এরপর প্রকাশিত বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে শক্তিশালী কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চিত্র উঠে আসায় ফেড সুদের হার বাড়াবে— এমন প্রত্যাশা আরও দৃঢ় হয়েছে। বাজারে এখন ফেডের নীতিনির্ধারকদের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৯০ শতাংশের বেশি বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে থাকার আশঙ্কায় চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদহার ৫ শতাংশের ওপরে উঠে গেছে। ২০০৭ সালের পর এই হার এত বেশি হয়নি। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের আগে ওই সময় বন্ডের সুদহার সর্বশেষ এমন পর্যায়ে ছিল। ফরেক্স ডটকম-এর বিশ্লেষক ম্যাট ওয়েলার বলেন, বাজারের জন্য ফেডের বিবৃতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে ভোটের ফলাফল— বিশেষ করে ১২ সদস্যের মধ্যে কতজন সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে ভোট দেন। তিনি বলেন, তিনজন বা তার বেশি সদস্য যদি সুদের হার
বাড়ানোর বিরোধিতা করেন অথবা ফেড চেয়ারম্যান ওয়ার্শ নিজেই বিরোধিতা করেন, তাহলে সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে নতুন করে ধারাবাহিক সুদহার বৃদ্ধির সূচনা না ধরে সাময়িক ‘বীমামূলক বৃদ্ধি’ হিসেবে দেখা হতে পারে।’ চেয়ারম্যান ওয়ার্শের এই সুদের হার বাড়ানোর বিরোধীতা করাটা অত্যন্ত অসম্ভাব্য বলেই মনে করেন ওয়েলার। অন্যদিকে, সব সদস্য একমত হয়ে সুদের হার বাড়ালে চলতি বছর আরও এক দফা সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়বে। ওয়াল স্ট্রিট ও ইউরোপের শেয়ারবাজারে দরপতনের পর বুধবার এশিয়ার বাজারগুলোতেও মিশ্র পরিস্থিতি দেখা গেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন এআই উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি খাতের নেতা। বিষয়টিও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে চাপ তৈরি করছে। টোকিও, সাংহাই, সিডনি ও ম্যানিলার বাজারে সূচক কমেছে। বিপরীতে হংকং, সিঙ্গাপুর, ওয়েলিংটন, তাইপে ও জাকার্তার বাজারে সূচক বেড়েছে। সিউলের বাজার প্রায় অপরিবর্তিত ছিল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত