রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলা’ মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ক্রেমলিনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে রুশ নাগরিকদের পর্যটন ভিসা দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনাও করা উচিত। ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা ক্যালাস মঙ্গলবার এ কথা বলেন।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে ক্যালাস বলেন, ‘যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ চললেও রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসী যুদ্ধ এবং ইউরোপের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার পথ বেছে নিয়েছেন। একটি বিষয় খুবই স্পষ্ট—পুতিনকে থামানো না হলে তিনি থামবেন না।’
তিনি বলেন, ‘তাই রাশিয়া যখন আরও বড় ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত, তখন ইউরোপকেও এর জন্য আরও বড় মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।’
ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন দুর্বল করতে রাশিয়ার ‘ধারাবাহিক হাইব্রিড হামলা বৃদ্ধি’ নিয়ে ইউরোপ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বলে ক্যালাস উল্লেখ করেন।
গ্রীষ্মকালে জার্মানির একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবোঝাই একটি ড্রোন পাওয়ার পর উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। ওই ঘটনায় বার্লিন মস্কোকে দায়ী করে।
কিয়েভের প্রতি সমর্থন বাড়ানো এবং ক্রেমলিনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি ইইউকে জোটভুক্ত দেশে প্রবেশকারী রুশ নাগরিকদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে ক্যালাস জানান।
তিনি বলেন, ‘শেনজেন এলাকায় রুশ কূটনীতিকদের চলাচলের ওপর আমরা আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারি। রাশিয়ার সাবেক যোদ্ধাদের ভিসা দেওয়া নিষিদ্ধ করতে পারি। রুশ নাগরিকদের পর্যটন ভিসা দেওয়ার বিষয়টিও আমাদের পুনর্বিবেচনা করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউরোপের মাটিতে হামলা চালানো ব্যক্তিদের পরিধি আমাদের কমাতে হবে।’
রুশ অপতথ্য মোকাবিলায় ইইউ’র দেশগুলোর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আরও ভালোভাবে বিনিময় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বানও জানান ক্যালাস।
ইইউ যখন আরও পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, তখন কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন যে প্রকাশ্য সংঘাতের নিচে থাকা ধূসর এলাকায় মস্কোর কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পশ্চিমা দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে।
ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে সোমবার বলেন, ‘হাইব্রিড কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় সব ধরনের জবাব দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা যা করি, তা সব সময় দৃশ্যমান ও প্রকাশ্য হবে না।’
তিনি বলেন, ‘অবশ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইউক্রেন যাতে লড়াই চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সবকিছু পায় তা নিশ্চিত করা।’
ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের মস্কোর ওপর আরও চাপের আহ্বান
ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের মস্কোর ওপর আরও চাপের আহ্বান
রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলা’ মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ক্রেমলিনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর মধ্যে রুশ নাগরিকদের পর্যটন ভিসা দেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনাও করা উচিত। ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা ক্যালাস মঙ্গলবার এ কথা বলেন। ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে ক্যালাস বলেন, ‘যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ চললেও রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসী যুদ্ধ এবং ইউরোপের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার পথ বেছে নিয়েছেন। একটি বিষয় খুবই স্পষ্ট—পুতিনকে থামানো না হলে তিনি থামবেন না।’ তিনি বলেন, ‘তাই রাশিয়া যখন আরও বড় ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত, তখন ইউরোপকেও এর জন্য আরও বড় মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।’ ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন দুর্বল করতে রাশিয়ার
‘ধারাবাহিক হাইব্রিড হামলা বৃদ্ধি’ নিয়ে ইউরোপ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বলে ক্যালাস উল্লেখ করেন। গ্রীষ্মকালে জার্মানির একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবোঝাই একটি ড্রোন পাওয়ার পর উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। ওই ঘটনায় বার্লিন মস্কোকে দায়ী করে। কিয়েভের প্রতি সমর্থন বাড়ানো এবং ক্রেমলিনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি ইইউকে জোটভুক্ত দেশে প্রবেশকারী রুশ নাগরিকদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে ক্যালাস জানান। তিনি বলেন, ‘শেনজেন এলাকায় রুশ কূটনীতিকদের চলাচলের ওপর আমরা আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারি। রাশিয়ার সাবেক যোদ্ধাদের ভিসা দেওয়া নিষিদ্ধ করতে পারি। রুশ নাগরিকদের পর্যটন ভিসা দেওয়ার বিষয়টিও আমাদের পুনর্বিবেচনা করা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউরোপের মাটিতে হামলা চালানো
ব্যক্তিদের পরিধি আমাদের কমাতে হবে।’ রুশ অপতথ্য মোকাবিলায় ইইউ’র দেশগুলোর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আরও ভালোভাবে বিনিময় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বানও জানান ক্যালাস। ইইউ যখন আরও পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, তখন কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন যে প্রকাশ্য সংঘাতের নিচে থাকা ধূসর এলাকায় মস্কোর কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পশ্চিমা দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে সোমবার বলেন, ‘হাইব্রিড কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় সব ধরনের জবাব দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা যা করি, তা সব সময় দৃশ্যমান ও প্রকাশ্য হবে না।’ তিনি বলেন, ‘অবশ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইউক্রেন যাতে লড়াই চালিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সবকিছু পায় তা নিশ্চিত করা।’
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত