বাংলাদেশের সংবিধান সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। কিন্তু গাইবান্ধার একটি মন্দিরে রামের মূর্তি স্থাপনকে কেন্দ্র করে যে বাধা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে শত শত মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাহলে গাইবান্ধার এই ঘটনায় কেন বাধা সৃষ্টি করা হলো? কারা এই বাধার পেছনে রয়েছে? তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? এসব প্রশ্ন এখন শুধু সনাতন সমাজের নয়, সচেতন নাগরিকদেরও।
যদি কোনো গোষ্ঠী ধর্মীয় স্বাধীনতার পথে বাধা সৃষ্টি করে থাকে, তবে তা শুধু একটি সম্প্রদায়ের অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ নয়, বরং সংবিধানের চেতনাকেও চ্যালেঞ্জ করার শামিল। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এমন ঘটনায় সরকারের দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানতে চান তাদের ধর্মীয় অনুভূতি বারবার উপেক্ষিত হবে কেন? তাদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার? একটি স্বাধীন দেশে নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী উপাসনার অধিকার নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে, তবে তা কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়।
সরকারের নীরবতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে। এখন সময় এসেছে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের এবং সকল নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার সমানভাবে সুরক্ষিত করার। নীরবতা কখনো সমাধান নয় ন্যায়সঙ্গত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপই পারে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে।
গাইবান্ধায় রাম বিগ্রহ নির্মাণ স্থগিত ঘোষণা কেন ?
গাইবান্ধায় রাম বিগ্রহ নির্মাণ স্থগিত ঘোষণা কেন ?
বাংলাদেশের সংবিধান সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। কিন্তু গাইবান্ধার একটি মন্দিরে রামের মূর্তি স্থাপনকে কেন্দ্র করে যে বাধা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে শত শত মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাহলে গাইবান্ধার এই ঘটনায় কেন বাধা সৃষ্টি করা হলো? কারা এই বাধার পেছনে রয়েছে? তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?
এসব প্রশ্ন এখন শুধু সনাতন সমাজের নয়, সচেতন নাগরিকদেরও। যদি কোনো গোষ্ঠী ধর্মীয় স্বাধীনতার পথে বাধা সৃষ্টি করে থাকে, তবে তা শুধু একটি সম্প্রদায়ের অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ নয়, বরং সংবিধানের চেতনাকেও চ্যালেঞ্জ করার শামিল। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এমন ঘটনায় সরকারের দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানতে চান তাদের ধর্মীয় অনুভূতি বারবার উপেক্ষিত হবে কেন? তাদের সাংবিধানিক অধিকার
নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার? একটি স্বাধীন দেশে নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী উপাসনার অধিকার নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে, তবে তা কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। সরকারের নীরবতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে। এখন সময় এসেছে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের এবং সকল নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার সমানভাবে সুরক্ষিত করার। নীরবতা কখনো সমাধান নয় ন্যায়সঙ্গত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপই পারে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত