রাষ্ট্র পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের কাছে দ্রুত, সহজ ও কার্যকর সেবা পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আজও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা গ্রহণের জন্য নাগরিকদের জেলা ছেড়ে বিভাগীয় শহর কিংবা সচিবালয়ের দ্বারস্থ হতে হয়। এতে যেমন সময় ও অর্থের অপচয় হয়, তেমনি বাড়ে জনভোগান্তি ও প্রশাসনিক জটিলতা। তাই এখন সময় এসেছে প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করার, যাতে "সচিবালয় নয়, সেবা মিলবে জেলায়" এই ধারণা বাস্তবে রূপ পায়।
প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে কেবল সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি সেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি, কৃষি, শিল্প, বিনিয়োগ, সামাজিক নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবার অধিকাংশ কার্যক্রম জেলা পর্যায়েই সম্পন্ন করার সক্ষমতা সৃষ্টি করতে হবে।
জেলা প্রশাসনকে এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে এটি স্থানীয় জনগণের কাছে কার্যত একটি "স্থানীয় রাজধানী" হিসেবে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী সমন্বিত সেবা কেন্দ্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আওতায় নিয়ে আসা হলে নাগরিকদের আর ছোটখাটো প্রয়োজনে রাজধানীমুখী হতে হবে না। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম হবে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক।
স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট জেলা প্রশাসন গড়ে তোলা অপরিহার্য। ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, অনলাইন আবেদন, ভার্চুয়াল শুনানি, ই-ফাইলিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নাগরিক সেবা এবং ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
একজন নাগরিক যেন নিজের জেলা থেকেই প্রয়োজনীয় অধিকাংশ সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে প্রশাসনিক সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে।
এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলা প্রশাসক পদেরও কাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি। মাঠ প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে জেলা প্রশাসককে অধিকতর প্রশাসনিক, আর্থিক ও উন্নয়নমূলক ক্ষমতা দিতে হবে। পাশাপাশি যুগোপযোগী জনবল, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা হবে সেবার কেন্দ্র, আর সচিবালয় হবে নীতিনির্ধারণের কেন্দ্র এমন একটি প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা গেলে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, সেবাপ্রাপ্তির ব্যয় হ্রাস পাবে এবং জনভোগান্তি দূর হবে। জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের রূপান্তর আর বিলাসিতা নয়, এটি এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।
জেলা প্রশাসনের রূপান্তরের সময় এখন
জেলা প্রশাসনের রূপান্তরের সময় এখন
রাষ্ট্র পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের কাছে দ্রুত, সহজ ও কার্যকর সেবা পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আজও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা গ্রহণের জন্য নাগরিকদের জেলা ছেড়ে বিভাগীয় শহর কিংবা সচিবালয়ের দ্বারস্থ হতে হয়। এতে যেমন সময় ও অর্থের অপচয় হয়, তেমনি বাড়ে জনভোগান্তি ও প্রশাসনিক জটিলতা। তাই এখন সময় এসেছে প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করার, যাতে "সচিবালয় নয়, সেবা মিলবে জেলায়" এই ধারণা বাস্তবে রূপ পায়। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে কেবল সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি সেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য,
ভূমি, কৃষি, শিল্প, বিনিয়োগ, সামাজিক নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবার অধিকাংশ কার্যক্রম জেলা পর্যায়েই সম্পন্ন করার সক্ষমতা সৃষ্টি করতে হবে।জেলা প্রশাসনকে এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে এটি স্থানীয় জনগণের কাছে কার্যত একটি "স্থানীয় রাজধানী" হিসেবে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী সমন্বিত সেবা কেন্দ্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আওতায় নিয়ে আসা হলে নাগরিকদের আর ছোটখাটো প্রয়োজনে রাজধানীমুখী হতে হবে না। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম হবে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক। স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট জেলা প্রশাসন গড়ে তোলা অপরিহার্য। ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, অনলাইন আবেদন, ভার্চুয়াল শুনানি, ই-ফাইলিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নাগরিক সেবা এবং ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা চালু করতে হবে। একজন নাগরিক যেন
নিজের জেলা থেকেই প্রয়োজনীয় অধিকাংশ সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে প্রশাসনিক সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলা প্রশাসক পদেরও কাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি। মাঠ প্রশাসনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে জেলা প্রশাসককে অধিকতর প্রশাসনিক, আর্থিক ও উন্নয়নমূলক ক্ষমতা দিতে হবে। পাশাপাশি যুগোপযোগী জনবল, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে। জেলা হবে সেবার কেন্দ্র, আর সচিবালয় হবে নীতিনির্ধারণের কেন্দ্র এমন একটি প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা গেলে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, সেবাপ্রাপ্তির ব্যয় হ্রাস পাবে এবং জনভোগান্তি দূর হবে। জনগণের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের রূপান্তর আর বিলাসিতা নয়, এটি এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত