বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন দিনুশার সেঞ্চুরিতে ভারতের বিপক্ষে নাটকীয় ড্র শ্রীলংকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি বাড়াতে ‘কটনপোর্ট’ চালু
আন্তর্জাতিক ইরানে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিরুদ্ধে সপ্তাহ ধরে চলতে পারে এমন একটি দীর্ঘস্থায়ী এবং ব্যাপক সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যদি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে এই অভিযান দুই দেশের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ও গুরুতর সংঘাতে পরিণত হতে পারে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের এই প্রকাশ্য অবস্থান ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার গুরুত্ব ও ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন মার্কিন বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শনিবার সতর্ক করে বলেছেন, ট্রাম্পের ইচ্ছা একটি চুক্তিতে পৌঁছানো হলেও ‘তা করা খুবই কঠিন।’

এদিকে কূটনৈতিক এই প্রচেষ্টার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করেছেন ট্রাম্প। পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত একটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার), কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা, ফাইটার জেট এবং গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার পাঠাচ্ছে। এই বিশাল সামরিক বহর যেকোনো ধরনের আক্রমণ চালানো এবং আত্মরক্ষায় সক্ষম।

এর মধ্যে গত শুক্রবার উত্তর ক্যারোলিনার একটি সামরিক ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি ইরানে সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ইরানে সরকার পরিবর্তনই হবে সম্ভবত সবচেয়ে সেরা ঘটনা, যা ঘটতে পারে।’

তবে তেহরানের ক্ষমতায় তিনি কাকে দেখতে চান, তা প্রকাশ না করলেও ট্রাম্প বলেন, ‘সেখানে যোগ্য মানুষ আছে। তারা (ইরান সরকার) ৪৭ বছর ধরে কেবল কথাই বলে যাচ্ছে।’

ইরানে পদাতিক বাহিনী বা গ্রাউন্ড ট্রুপস পাঠানোর বিষয়ে ট্রাম্প শুরু থেকেই সংশয় প্রকাশ করে আসছেন। গত বছরও তিনি বলেছিলেন, ‘স্থল বাহিনী পাঠানো হবে একদম শেষ বিকল্প।’

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যে ধরনের সামরিক শক্তি মোতায়েন করা হয়েছে, তা মূলত আকাশপথ ও নৌ-হামলার ইঙ্গিত দেয়। তবে গত মাসে ভেনেজুয়েলায় বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনাটি ট্রাম্পের বিশেষ বাহিনীর সক্ষমতার প্রমাণ দেয়।

এই সামরিক প্রস্তুতির বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ‘ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টেবিলে সব অপশনই খোলা আছে। তিনি বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করেন, কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি তিনি নিজেই নেন।

খুঁজুন