বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন দিনুশার সেঞ্চুরিতে ভারতের বিপক্ষে নাটকীয় ড্র শ্রীলংকার
আন্তর্জাতিক ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখনো অটুট

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখনো অটুট

গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার পরও ইরানের অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে। এ ছাড়া দেশটির রয়েছে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদও।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক এক মূল্যায়নের বরাতে তিনটি সূত্র সিএনএনকে এসব তথ্য জানিয়েছে। তারা বলেছে, ইরানের ভাণ্ডারে এখনো হাজার হাজার ড্রোন মজুত আছে।

ইরান সম্পর্কে একটি সূত্র বলেছে, ‘এখনো পুরো অঞ্চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা তাদের রয়েছে।’

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এমন কিছু লঞ্চারের কথাও বলা হয়েছে, যেগুলো হয়তো হামলার কারণে মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে কিন্তু পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। ফলে এগুলো আপাতত ব্যবহারের অনুপযোগী হলেও সচল রয়েছে।

দুটি সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এখনো অটুট আছে। এর অর্থ হলো, তাদের হাতে এখনো হাজার হাজার ড্রোন রয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্রুজ মিসাইলের এক বড় অংশও অক্ষত আছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরান উপকূলে খুব একটা বিমান হামলা না চালানোয় এগুলো রক্ষা পেয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মাধ্যমে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের হুমকি তৈরি করতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা জনসমক্ষে সামরিক বিজয়ের দাবি করেছেন। তবে গোয়েন্দা তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। এসব তথ্য ইরানের টিকে থাকা সামরিক শক্তি সম্পর্কে আরো স্পষ্ট ও ভিন্ন এক চিত্র তুলে ধরছে।

গত বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়ার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তাদের অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এখন খুব অল্পসংখ্যক টিকে আছে।’

খুঁজুন