মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা
মতামত ইউনুসের বিরুদ্ধে কোন মামলা নিচ্ছেনা আদালত

ইউনুসের বিরুদ্ধে কোন মামলা নিচ্ছেনা আদালত

বাংলাদেশের ইতিহাসে ক্ষমতাধর রাজনীতিক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। আদালত সেসব মামলা গ্রহণ করেছে, তদন্ত হয়েছে, বিচারও হয়েছে। কিন্তু মব-জঙ্গি শাসিত সরকারের বর্গী ইউনূস ও তাঁর সহযোগীদের ক্ষেত্রে যেন এক ভিন্ন বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে করা কোনো আবেদনই আদালতে টিকছে না; প্রাথমিক পর্যায়েই খারিজ হয়ে যাচ্ছে।

এটি কি নিছক আইনি বিষয়, নাকি এর পেছনে কোনো অদৃশ্য প্রভাব কাজ করছে? মামলা গ্রহণ মানেই কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়। আদালতের দায়িত্ব হলো অভিযোগের মেরিট আছে কি না তা যাচাই করা এবং প্রয়োজন হলে তদন্তের সুযোগ দেওয়া। বিশেষ করে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট ঘটনায় মানুষের প্রশ্ন থাকলে, সেই প্রশ্নের উত্তর আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই খোঁজা উচিত। হামে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় যদি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, নাগরিক বা জনপ্রতিনিধিরা দায় নির্ধারণের দাবি তোলেন, তাহলে অন্তত সেই অভিযোগগুলো তদন্তের মুখ দেখুক। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের জবাবদিহি করতে হবে, আর ভিত্তিহীন হলে তা আইনের মাধ্যমেই প্রমাণিত হবে। কিন্তু তদন্তের পথই যদি শুরুতেই বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন থেকে যায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনমনে নানা আলোচনা ঘুরপাক খাচ্ছে।

ইউনূস বাহিনীকে ঘিরে নেওয়া এই অবস্থান কি কেবল একটি আইনি সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক সমীকরণও কাজ করছে? বিশেষ করে গত বছরের ১৩ জুন লন্ডনের পার্ক লেনের ডোরচেস্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত বহুল আলোচিত বৈঠকের পর থেকে সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। সত্য যা-ই হোক, আইনের শাসনের স্বার্থে জনগণ অন্তত সমান মানদণ্ডের প্রয়োগ দেখতে চায়।

খুঁজুন