জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। এর উদ্দেশ্য শুধু প্রাণহানি ঘটানো নয়; বরং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করা, রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করা এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন সময়ে জঙ্গিবাদের হুমকির মুখোমুখি হয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, জঙ্গিবাদকে কখনোই প্রশ্রয় দেওয়া যায় না বরং শুরু থেকেই কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা জরুরি।
বাংলাদেশে ২০০০-এর দশক থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা আলোচনায় আসে। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা হামলা এবং ২০১৬ সালের ঢাকার হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা দেখিয়ে দিয়েছে, জঙ্গিবাদ একটি বাস্তব ও ভয়াবহ নিরাপত্তা হুমকি। এসব ঘটনায় দেশি-বিদেশি বহু মানুষ প্রাণ হারান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জঙ্গিবাদের বিস্তারের পেছনে উগ্রবাদী মতাদর্শের প্রচার, অনলাইন অপপ্রচার, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, বিভ্রান্তিকর ধর্মীয় ব্যাখ্যা এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের প্রভাবসহ নানা কারণ কাজ করতে পারে। গবেষণায়ও দেখা গেছে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয় পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ চরমপন্থা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জঙ্গিবাদের প্রভাব বহুমাত্রিক। এটি মানুষের নিরাপত্তাবোধ নষ্ট করে, বিনিয়োগ ও পর্যটনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় নিরীহ মানুষের জীবন, পরিবার এবং সমাজের স্থিতিশীলতার ওপর।
তাই জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশ্রয় বা উদাসীনতার সুযোগ নেই। আইনের শাসন নিশ্চিত করা, নিরপেক্ষ বিচার, কার্যকর গোয়েন্দা তৎপরতা, উগ্রবাদী প্রচারণা প্রতিরোধ এবং তরুণদের সচেতন করে তোলার মাধ্যমে এ হুমকি মোকাবিলা করতে হবে। জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করাই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য।
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয় এটি রাষ্ট্র, সমাজ এবং প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্ব। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে সব ধরনের সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে।
জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা নয়, কঠোর প্রতিরোধই সময়ের দাবি। কারণ জঙ্গিবাদের কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা নৈতিক বৈধতা নেই। শান্তি, নিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সব ধরনের জঙ্গিবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানই হতে পারে আমাদের সবার অঙ্গীকার।
জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা নয়, কঠোর প্রতিরোধই সময়ের দাবি
জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা নয়, কঠোর প্রতিরোধই সময়ের দাবি
জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। এর উদ্দেশ্য শুধু প্রাণহানি ঘটানো নয়; বরং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করা, রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করা এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও বিভিন্ন সময়ে জঙ্গিবাদের হুমকির মুখোমুখি হয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, জঙ্গিবাদকে কখনোই প্রশ্রয় দেওয়া যায় না বরং শুরু থেকেই কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা জরুরি। বাংলাদেশে ২০০০-এর দশক থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা আলোচনায় আসে। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা হামলা এবং ২০১৬ সালের ঢাকার হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা দেখিয়ে দিয়েছে, জঙ্গিবাদ একটি বাস্তব ও ভয়াবহ নিরাপত্তা হুমকি। এসব ঘটনায় দেশি-বিদেশি বহু মানুষ প্রাণ হারান এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়। জঙ্গিবাদের বিস্তারের পেছনে উগ্রবাদী মতাদর্শের প্রচার, অনলাইন অপপ্রচার, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, বিভ্রান্তিকর ধর্মীয় ব্যাখ্যা এবং আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের প্রভাবসহ নানা কারণ কাজ করতে পারে। গবেষণায়ও দেখা গেছে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান নয় পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ চরমপন্থা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জঙ্গিবাদের প্রভাব বহুমাত্রিক। এটি মানুষের নিরাপত্তাবোধ নষ্ট করে, বিনিয়োগ ও পর্যটনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় নিরীহ মানুষের জীবন, পরিবার এবং সমাজের স্থিতিশীলতার ওপর। তাই জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশ্রয় বা উদাসীনতার সুযোগ নেই। আইনের শাসন নিশ্চিত করা, নিরপেক্ষ বিচার, কার্যকর গোয়েন্দা তৎপরতা, উগ্রবাদী
প্রচারণা প্রতিরোধ এবং তরুণদের সচেতন করে তোলার মাধ্যমে এ হুমকি মোকাবিলা করতে হবে। জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করাই একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয় এটি রাষ্ট্র, সমাজ এবং প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্ব। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে সব ধরনের সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে হবে। জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা নয়, কঠোর প্রতিরোধই সময়ের দাবি। কারণ জঙ্গিবাদের কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা নৈতিক বৈধতা নেই। শান্তি, নিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সব ধরনের জঙ্গিবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানই হতে পারে আমাদের সবার অঙ্গীকার।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত