শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
কমিটি পুনর্বহালে চট্টগ্রামে যুবদলের মিছিল যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে সেমিনার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। কিছুটা উন্নতি হচ্ছে, তবে তা খুবই ধীরে। চিকিৎসকরা বলছেন, বেগম খালেদা জিয়ার বয়স প্রায় ৮০ বছর। দ্রুত সেরে না ওঠায় বয়স বড় একটা ফ্যাক্টর। এ ছাড়া নানা রোগে আক্রান্ত তিনি। কারাগারে যাওয়ার পর থেকে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাননি। বেগম খালেদা জিয়ার নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে না; এটাই চিকিৎসকদের কাছে স্বস্তির বিষয়। এভারকেয়ার হাসপাতালে সর্বোচ্চ চিকিৎসা পাচ্ছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য কবে নাগাদ বিদেশে নেওয়া হবে তা বলতে পারছে না মেডিক্যাল বোর্ড। গত সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে ব্রিফ করেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা তাঁকে সুস্থ করে তোলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। আপাতত তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হচ্ছে না।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীল চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের এক চিকিৎসক বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার নতুন করে অবনতি হচ্ছে না। এটাই চিকিৎসকদের কাছে ইতিবাচক দিক। উন্নত চিকিৎসায় উনাকে শিগগিরই দেশের বাইরে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিক্যাল বোর্ডের। এভারকেয়ার হাসপাতালে পৃথিবীর সেরা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর ব্যাখ্যায় চিকিৎসক বলেন, বিদেশের হাসপাতালে চাইলে তৎক্ষণাৎ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হয় না। চাইলে যথাসময়ে পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া যায় না। বিদেশে এগুলো সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। আর দেশে

উনি একজন ‘খালেদা জিয়া’, এটাই যথেষ্ট। দেশের শীর্ষ বিজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে মেডিক্যাল বোর্ডে যুক্ত আছেন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল। তাঁদের সমন্বয়ে বোর্ড চিকিৎসার তদারকি করছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন আগের চেয়ে কিছুটা ভালো আছেন জানিয়ে তাঁর একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, উনার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি। আমি নিয়মিত হাসপাতালে যাচ্ছি। কিছু নিয়মকানুনের কারণে সিসিইউর ভেতরে যাওয়া যায় না। বাইরে চিকিৎসকদের কাছ থেকে খোঁজখবর নিই।

বিএনপি চেয়ারপরসন গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন থেকে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ নভেম্বর তাঁকে নেওয়া হয় ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ)। তাঁর চিকিৎসায় গঠিত দেশি-বিদেশি দুই ডজনের মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন।

খুঁজুন