খুলনার দৌলতপুরে ফজরের নামাজের পর মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন মুসল্লি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার ভোর ৫টা থেকে পৌনে ৬টার মধ্যে দৌলতপুর থানাধীন বিএল কলেজ রোডস্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ জামে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- খালিশপুর থানার ৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর কাশিপুর এলাকার মৃত জব্বারের ছেলে লোকমান হাকিম (৫২) এবং একই এলাকার যমুনা অয়েল কোম্পানি রোডের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলম শেখ (৫৩)। তাদের মধ্যে লোকমান হকিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে বিএল কলেজ রোডস্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ জামে মসজিদে অন্যান্য মুসল্লিদের সঙ্গে লোকমান হাকিম ও আলম শেখ ফজরের নামাজ আদায় করেন। এ সময় আকস্মিক কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে সরাসরি ওই দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদের মেঝেতেই লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে গোলাগুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন।
অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ অপর মুসল্লি আলম শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে মসজিদের ভেতরে নামাজরত অবস্থায় এমন বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় উদঘাটনে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এলাকাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
খুলনায় নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে গুলি
খুলনায় নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে গুলি
খুলনার দৌলতপুরে ফজরের নামাজের পর মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন মুসল্লি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার ভোর ৫টা থেকে পৌনে ৬টার মধ্যে দৌলতপুর থানাধীন বিএল কলেজ রোডস্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ জামে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধরা হলেন- খালিশপুর থানার ৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর কাশিপুর এলাকার মৃত জব্বারের ছেলে লোকমান হাকিম (৫২) এবং একই এলাকার যমুনা অয়েল কোম্পানি রোডের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলম শেখ (৫৩)। তাদের মধ্যে লোকমান হকিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে বিএল কলেজ রোডস্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ জামে মসজিদে অন্যান্য মুসল্লিদের সঙ্গে লোকমান হাকিম
ও আলম শেখ ফজরের নামাজ আদায় করেন। এ সময় আকস্মিক কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে সরাসরি ওই দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদের মেঝেতেই লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে গোলাগুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ অপর মুসল্লি আলম শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার অবস্থাও
আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিকে মসজিদের ভেতরে নামাজরত অবস্থায় এমন বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় উদঘাটনে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এলাকাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত